• বাস্তব জীবনে পারফেকশনের অস্তিত্ব নেই

    আমির খান। বলিউডের পারফেকশনিস্টখ্যাত অভিনেতা। সম্প্রতি তার অভিনীত ‘দঙ্গল’ ছবিটি বক্স অফিসে সাতশ কোটির রেকর্ড গড়েছে। পাশাপাশি কুস্তিগীর মহাবীর সিং চরিত্রে অভিনয় করে ফিল্মফেয়ারে সেরা অভিনেতার স্বীকৃতি পেয়েছেন তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে ছবিটি নিয়ে কথা বলেছেন তিনি-

    ‘দঙ্গল’ ছবিতে কাজ করতে আগ্রহী হয়েছিলেন কেন?

    একটা বড় ছবির পর একটা ছোট ছবি করা আমার জন্য আরামদায়ক। তাই ‘পিকে’ মুক্তির পর অন্যরকম একটা চিত্রনাট্যের অপেক্ষায় ছিলাম। তবে সংখ্যা নিয়ে চিন্তার দিকে আমি নেই। সৌভাগ্যবশত আমি যা করতে চাই তা করা থেকে কোনো কিছু আমাকে থামাতে পারেনি। আমি সবসময় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে কাজ করে গেছি।

    ‘দঙ্গল’ ছবির দৃশ্যধারণের আগে আপনার রুটিন কেমন ছিল?

    প্রতিদিন আমরা দুই ঘণ্টা কুস্তির ট্রেনিং করতাম, এরপর ৩-৪ ঘণ্টা হরিয়ানার ভাষা ট্রেনিং করতাম। এরপর দুই ঘণ্টা ভারোত্তোলনের ট্রেনিং শেষ হতো।

    সেরা অভিনেতা হওয়ার পরও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে না থাকার কারণ কী?

    অভিনয় জীবনের শুরু থেকেই অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান নানাভাবে আমি এড়িয়ে চলেছি। কারণ আমি মনে করি যে, সংস্থা আমাকে অ্যাওয়ার্ড দিয়ে সম্মানিত করতে চায়, আমার মনেও সেই সংস্থার প্রতি শ্রদ্ধা থাকা জরুরি। এ অনুপাত সমান না হলে কোনো অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে আমার পক্ষে থাকা কষ্টকর। এসব কারণেই অনুপস্থিত থাকা।

    সবার কাছে আপনি পারফেকশনিস্ট, নিজের কাছে কী?

    সবার কাছে পারফেকশনিস্ট হলেও আমার বাস্তব জীবনে পারফেকশনের অস্তিত্ব নেই। আমার কাছে এটা ভুল টাইটেল। আমি যখন কোনো দৃশ্যে অভিনয় করি, তখন ‘হার্ট অব দ্য মোমেন্ট’ খোঁজার চেষ্টা করি। প্রত্যেকটি দৃশ্যে যদি সে ম্যাজিকটা পাই, আমার দিক থেকে ওই শট সম্পূর্ণ। কারণ আমি অভিনয়ের ব্যাপারে খুব প্যাশনেট। সুতরাং, আমাকে মি. প্যাশনেট ডাকা উচিত, মি. পারফেকশনিস্ট নয়।

    এ বছর আর কোন কোন ছবি ভালো লেগেছে?

    ‘সুলতান’ এবং ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ ছবি দুটো ভালো লেগেছে। ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ ছবিতে রনবীর ও আনুশকা শর্মার কাজ পছন্দ করেছি। গানগুলো চমৎকার হয়েছে।

    Comments

    comments

    No Comments

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    two × 4 =