• হজযাত্রীদের সেবায় বাংলাদেশ হজ কার্যালয়

    মাথার ওপর বাংলাদেশের পতাকা। নিয়ন সাইনবোর্ডে বাংলায় লেখা বাংলাদেশ। ফলে মক্কার ইব্রাহিম খলিল রোডে কুবরি মিসফালাহ ও কার পার্কিংয়ের কাছে বাংলাদেশ হজ কার্যালয় খুঁজে পেতে সময় লাগে না।

    সৌদি আরবে বাংলাদেশ সরকারের হজ কার্যক্রম এখান থেকে পরিচালনা করা হয়। বাংলাদেশ থেকে এবার ১ লাখ ১ হাজারের বেশি হজযাত্রী আসছেন। গতকাল সকালে গিয়ে দেখা গেল, বাইরে কয়েকটি গাড়ি। ভবনের প্রবেশমুখে মক্কার মানচিত্র। সরকারি ব্যবস্থাপনায় যেসব হজযাত্রী এসেছেন, তাঁদের জন্য ভাড়া করা বাড়ির অবস্থান সে মানচিত্রে চিহ্নিত করা আছে।

    বাইরের তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেখান থেকে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কার্যালয়ে ঢুকে আরাম পাওয়া গেল। ভবনের ভেতরে ঢুকে মনে হলো, বাংলাদেশে চলে এসেছি। সবাই বাংলায় কথা বলছেন। এজেন্সির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে অভ্যর্থনাকক্ষে রাখা বাক্সে জমা দিতে হয়। পাশে আইটি সেল। হজযাত্রীর নাম, হজযাত্রীর নম্বর, জেলার নাম, ট্রাভেল এজেন্সির নাম অথবা পাসপোর্ট নম্বর, প্রাক-নিবন্ধন নম্বর জানালে তাঁর ছবিসহ সর্বশেষ তথ্য ও অবস্থান জানা যাবে।

    ইব্রাহিম খলিল রোডে দিয়ার আল মাতার হোটে​েলর পাশে বাংলাদেশ হজ মেডিকেল সেন্টার। ঢুকেই আইটি বিভাগ। সেখানে রাখা টাচস্ক্রিনে হজযাত্রীরা পাসপোর্ট নম্বর বা হজ আইডি লিখে অপেক্ষা করছেন। যন্ত্র থেকে বেরিয়ে আসছে ব্যবস্থাপত্রের কপি। তাতে হজযাত্রীর নাম, ছবি, পাসপোর্ট নম্বর, বয়স,
    জেলা, তারিখ এবং আগে সেবা গ্রহণ করলে তার উল্লেখ থাকছে। আইটি কর্মী শাহরিয়ার মাশরেক জানালেন, এ তথ্যসংবলিত কাগজ নিয়ে যেতে হয় চিকিৎসকের কাছে। চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি বিনা মূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। জানা গেছে, হাজিদের মধ্যে সর্দি-কাশি, গলাব্যথা, শরীরব্যথা, ডায়াবেটিস ও হাইপারটেনশনের রোগীর সংখ্যা বেশি। বাংলাদেশ হজ কার্যালয়ের চিকিৎসক দলনেতা ডা. খিজির হায়াৎ খান জানালেন, প্রতিদিন ৮০০-৯০০ হজযাত্রী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে আসেন।

    Comments

    comments

    No Comments

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    4 × three =