• ‘৫, ১০ টাকা যাই হোক, সবাইকে বাধ্যতামূলক কর দিতে হবে’

    বাংলাদেশের সকল নাগরিককে বাধ্যতামূলক করের আওতায় আনার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বুধবার রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, “সবাইকে বাধ্যতামূলক কর দিতে হবে। সেটি ৫, ১০ ও ২০ টাকা যাই হোক। সময় উপযোগী ন্যূনতম এ করারোপে পদক্ষেপ নেয়া উচিত।”

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সদস্য (কর পরিদর্শন) জিয়া উদ্দিন মাহমুদ।

    সেমিনারে মুলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, বৃহৎ করদাতা ইউনিটের কমিশনার মো. আলমগীর হোসেন। পে-রোল ট্যাক্সের ওপর আলোচনা করেন, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর।

    ওদিকে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৫ শতাংশ হারে আয়কর আদায়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দুটি প্রজ্ঞাপন অবৈধ ঘোষণার রায় আজ স্থগিত করেছেন চেম্বার বিচারপতি।

    প্রজ্ঞাপন দুটির মাধ্যমে রিট আবেদনকারীদের কাছ থেকে নেয়া অর্থ ফেরতের নির্দেশনাও স্থগিত করা হয়েছে।

    দুই মাসের জন্য এই স্থগিতাদেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রায়ের কপি পাওয়া সাপেক্ষে রাষ্ট্রপক্ষকে নিয়মিত লিভ টু আপিল করতে বলা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপন দুটি অবৈধ ঘোষণা করে অর্থ ফেরতের নির্দেশনা দিয়ে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিলেন, তা স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা এক আবেদনের শুনানি নিয়ে আজ বুধবার চেম্বার বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার এই আদেশ দেন।

    আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর।

    রিট আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ওমর সাদাত ও আইনজীবী মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন।

    বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ১৫ শতাংশ হারে আয়কর আদায়ের জন্য ২০০৭ সালের ২৮ জুন ও ২০১০ সালের ১ জুলাই পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। এর বৈধতা নিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও এক শিক্ষার্থী পৃথক ৪৬টি রিট আবেদন করে। ২০০৭ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে এসব রিট আবেদন করা হয়।

    Comments

    comments

    No Comments

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    fourteen + three =