• চলতি বছর বিশ্বে ৬৫ সাংবাদিক নিহত - ট্রাম্পের ঘোষণার বিরুদ্ধে রাশিয়ার হুঁশিয়ারি - বুধবার মার্কিন দূতাবাস ঘেরাও করবে হেফাজত - রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীনকে মধ্যস্থতার আহ্বান খালেদা জিয়ার - ‘জাহান্নামে যাওয়ার জন্য তৈরি হোন’, অ্যাটর্নি জেনারেলকে হুমকি - ক্ষমা না চাইলে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা: ফখরুল - এরশাদের পতন: পর্দার আড়ালে যা ঘটেছিল - ট্রাম্পের ঘোষণার বিরুদ্ধে তুরস্কে বিক্ষোভ - সাবেক রাষ্ট্রদূত জামানের খোঁজ মেলেনি, নানা রহস্য - বলিউডে পুরুষরা বেশি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে: সোনাক্ষী - 'রসিক নির্বাচনে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে' - মৌলভীবাজারে ছাত্রলীগের দু'গ্রুপের সংর্ঘষে নিহত ২

    ?????: অফিস-আদালত

    দুদকের মামলা থেকে মেয়র সাক্কুকে অব্যাহতি

    জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পত্তি অর্জনের মামলায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) মেয়র মনিরুল হক সাক্কুকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

    আজ মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ৮ এর বিচারক শামীম আহম্মদ এ আদেশ দেন।

    সাক্কুর আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার সাংবাদিকদের জানান, সাক্কুর বিরুদ্ধে মামলায় কোনো অভিযোগ না থাকায় বিচারক তাঁকে অব্যাহতি দিয়েছেন।

    গত ১৮ এপ্রিল এ মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে সাক্কুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এরপর ৯ মে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন সাক্কু।

    এক কোটি ১২ লাখ ৪০ হাজার টাকার তথ্য গোপন এবং চার কোটি ৫৮ লাখ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পত্তি অর্জনের অভিযোগে মেয়রের বিরুদ্ধে ওই মামলা হয়।

    মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৭ জানুয়ারি রাজধানীর রমনা থানায় সাক্কুর বিরুদ্ধে দুদক এ মামলা করে। পরে ২০১৬ সালের নভেম্বরে সাক্কুকে অভিযুক্ত করে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।

    গত ৩০ মার্চ কুমিল্লা সিটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হন বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু। টানা দ্বিতীয়বারের মতো মেয়রের দায়িত্ব নেন তিনি।

    ঘুষ গ্রহণ মামলায় নাজমুল হুদার ৪ বছরের কারাদণ্ড

    ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকে বিচারিক আদালতের দেয়া সাত বছরের সাজা কমিয়ে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।
    একই মামলায় তিন বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তার স্ত্রী সিগমা হুদার কারাগারে থাকাকালীন সময়কে সাজা হিসেবে গণ্য করেছেন।
    এই রায়ের অনুলিপি যেদিন বিচারিক আদালতে পৌঁছাবে সেদিন থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে নাজমুল হুদাকে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
    আদালত বলেছেন, এই রায় হাতে পাওয়ার দিন থেকে সাবেক এই মন্ত্রীর সাজা গণনা শুরু হবে।
    হুদা দম্পতির আপিলের ওপর পুনঃশুনানি শেষে বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বুধবার এই রায় প্রদান করেন।
    এর আগে হাইকোর্টের অপর একটি বেঞ্চ নাজমুল ও সিগমাকে খালাস দিলেও আপিল বিভাগ ওই রায় বাতিল করে হাইকোর্টে পুনঃশুনানির জন্য প্রেরণ করেন।
    জজ আদালত এ মামলায় নাজমুল হুদাকে আড়াই কোটি টাকা জরিমানা করেছিলেন। হাইকোর্টের রায়ে সে বিষয়ে কিছু বলা না থাকায় সেই জরিমানা বহাল থাকছে বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
    বর্তমানে নতুন দল বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট অ্যালায়েন্সের (বিএনএ) সভাপতি ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা হাইকোর্টে নিজেই শুনানি করেছিলেন। সিগমা হুদার পক্ষে আজ আদালতে ছিলেন আইনজীবী আজমালুল হোসেন কিউসি। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. বশির আহমেদ। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।
    প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের ২১ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম ধানমণ্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
    মামলায় অভিযোগ করা হয়, সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘খবরের অন্তরালে’র জন্য মীর জাহের হোসেন নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে দুই কোটি ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেন নাজমুল হুদা ও তার স্ত্রী সিগমা হুদা। ২০০৭ সালের ২৭ আগস্ট বিশেষ জজ আদালতে এই মামলায় নাজমুল হুদাকে সাত বছরের কারাদণ্ড এবং আড়াই কোটি টাকা জরিমানা করেন। পাশাপাশি তার স্ত্রী সিগমা হুদাকে তিন বছরের দণ্ড দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ও সিগমা হুদা আপিল করলে ২০১১ সালের ২০ মার্চ হাইকোর্ট তাদের খালাস দেন।
    রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদক ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে উভয় আবেদনের শুনানি করে সর্বোচ্চ আদালত ২০১৪ সালের ১ ডিসেম্বর হাইকোর্টের রায় বাতিল করে পুনঃশুনানির নির্দেশ দেন।

    আশুলিয়ায় মুক্তিপণ আদায়ের সময় পুলিশসহ আটক ৫

    সাভারের আশুলিয়ায় গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের সময় শিল্প পুলিশের এক সদস্যসহ পাঁচজনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। এসময় তাদের ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস ও চাঁদাবাজির ৪২ হাজার টাকা ও ১৩টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। গতকাল সকালে আশুলিয়ার বাইপাইল কাঁচাবাজার এলাকায় মুক্তিপণ আদায়ের সময় তাদেরকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী শামিম হোসেন বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এছাড়া চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকায় শিল্প পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মকবুল হোসেনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত ও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
    আটককৃতরা হলো- গাজীপুর শিল্প পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মকবুল হোসেন (৩০), তার সহযোগী ভুয়া ডিবি পুলিশের সদস্য বিপ্লব হোসেন (২৬), স্বপন হোসেন (২৬) ও হাসমত আলী শেখ ও সানজিদা আক্তার সুমি। এছাড়া তাদের হাত থেকে উদ্ধার হওয়া চার ব্যক্তি হলেন শামীম, রায়হান, আতিয়ার, মেহেদী হাসান। আটক শিল্প পুলিশ সদস্য মকবুল হোসেনের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা থানা এলাকায়। সে শিল্প পুলিশে চাকুরির পাশাপাশি বিভিন্ন সময়য়ে ভুয়া গোয়েন্দা পুলিশের টিম সাজিয়ে চাঁদাবাজি করে বেড়ায় বলে জানা গেছে। বুধবার বিকেলে আশুলিয়া থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইদুর রহমান জানান, গত মঙ্গলবার রাতে আশুলিয়ার নবীনগর বাসস্ট্যান্ড থেকে রিকশাযোগে বাইপাইল যাওয়ার পথে ব্যবসায়ী শামীম হোসেনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক একটি সাদা রংয়ের মাইক্রোবাসে তুলে নেয় শিল্প পুলিশ-১ এর সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মকবুল হোসেন ও তার সহযোগীরা। পরে তাকে মারধর করে পরিবারের সদস্যদের কাছে ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এঘটনায় শামীমের মা চম্পা বেগম সকালে একটি বিক্যাশ নম্বরের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা পরিশোধ করে এবং বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করে। পরবর্তীতে থানা পুলিশ বাকি ১০ টাকা পরিশোধ করার সময় কৌশলে বাইপাইল কাঁচাবাজার এলাকা থেকে এএসআই মকবুল হোসেনসহ পাঁচ জনকে হাতেনাতে আটক করে। এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা একটি খাতা থেকে তাদের সংগঠিত ৯২ কর্মকাণ্ডের সত্যতা পেয়েছে পুলিশ। ঢাকা শিল্প পুলিশ-১ এর পরিচালক শামিনুর রহমান শামীম বলেন, প্রাথমিকভাবে চাঁদাবাজির অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় এএসআই মকবুল হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া এঘটনায় শিল্প পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মো. জানে আলমকে প্রধান করে দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেযার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির অপর সদস্য হলেন ইন্সপেক্টর বাবর আলী জাকির।

    জামায়াতে ইসলামীর আমিরের রিমান্ড আদেশ স্থগিত

    জামায়াতে ইসলামীর আমির মকবুল আহমদের রিমান্ডের আদেশ স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। তাঁকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    আজ সোমবার বিচারপতি মিফতা উদ্দীন চৌধুরী ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই স্থগিতাদেশ দেন।

    আদালতে আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খন্দকার মাহহবুব হোসেন ও আইনজীবী শিশির মনির।

    গত ৩০ অক্টোবর মতিঝিল থানার নাশকতার একটি মামলায় জামায়াতে ইসলামীর আমির মকবুল আহমদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এ আসামির ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন। ২০১৫ সালের মতিঝিল থানা এলাকায় নাশকতার অভিযোগে মামলাটি করে পুলিশ।

    এর আগে গত ৯ অক্টোবর রাতে রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে মকবুল আহমদসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। কারাগারে পাঠানো অপর সাত আসামি হলেন—জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ড. শফিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরওয়ার, চট্টগ্রাম মহানগর আমির মোহাম্মদ শাজাহান, সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলার আমির জাফর সাদেক, সেক্রেটারি জেনারেলের ব্যক্তিগত সহকারী নজরুল ইসলাম ও মো. সাইফুল ইসলাম।

    গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে কদমতলী থানাধীন বিক্রমপুর গার্ডেন সিটির ৪৪২/২ পূর্ব দোলাইরপাড়ের বাসার সপ্তমতলায় আসামিরা গোপন বৈঠকে মিলিত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ উপস্থিত হলে অপর ১০ আসামি গ্রেপ্তার হলেও ওই আসামিরা পালিয়ে যায়। আসামিরা গোপনে মিলিত হয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি সাধনসহ দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, অন্তর্ঘাতমূলক কার্যসম্পাদন ও জ্বালাওপোড়াও পরিস্থিতি সৃষ্টির পরিকল্পনার জন্য জড়ো হয়েছিল বলে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়ায় আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়।

    এর আগে একই মামলায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুলসহ ১০ জনের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। রিমান্ড শেষে পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওই আসামিদের গ্রেপ্তারের সময় ককটেল, জিহাদি বই, দুটি বড় ছুরি ও তিনটি চাপাতি উদ্ধার করে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার আদালতে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার আদালতে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

    আজ বুধবার বিএনপির চেয়ারপারসনের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বিষয়টি জানিয়েছেন।

    এর আগে গত ২৬ অক্টোবর রাজধানীর বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে দ্বিতীয় দিনের মতো আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। এর পর আদালত মামলার শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন দেন।

    গত ১৯ অক্টোবর দুই মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করে বিশেষ আদালতে প্রথম বক্তব্য উপস্থাপন করেন খালেদা জিয়া। ওই দিন জিয়া চ্যারিটেবল ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিশেষ আদালতে আত্মসমর্পণ করে এক লাখ টাকার মুচলেকায় জামিন পান সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

    গত ১৫ জুলাই চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। সেখানে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছিলেন। বড় ছেলে ও দলের জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগে থেকেই লন্ডনে অবস্থান করছেন। এ সময়ই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চারটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এর মধ্যে দুটি মামলায় জামিন পেয়েছেন তিনি।

    এ ছাড়া বাসে পেট্রলবোমা হামলা মামলায় গত ৯ অক্টোবর বিএনপির চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ জেসমিন বেগম। আর ১২ অক্টোবর মানহানির মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম নূর নবী গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

    বিএনপি মনে করে, রাজনৈতিক কারণেই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। যদিও সরকার বলেছে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি আদালতের ব্যাপার।

    জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর-রশিদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

    মামলার অন্য আসামিরা হলেন—খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (পলাতক), হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

    এ ছাড়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুদক।

    ২০১০ সালের ৫ আগস্ট খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক হারুন আর রশিদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

    মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন—মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

    ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে আরো ১৫ মামলা

    শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ও গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের ‘প্রাপ্য বকেয়া’ পরিশোধ না করার অভিযোগে শ্রম আদালতে আরো ১৫টি মামলা করা হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের বিচারক সুলতান মাহমুদের আদালতে এ মামলাগুলো করা হয়।

    আদালতের সেরেস্তা সহকারী মোহাম্মদ জামাল এ বিষয়ে বলেন, অক্টোবর মাসের ১২ তারিখ থেকে আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত মোট ১৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিচারক প্রাথমিকভাবে এসব মামলা গ্রহণ করে বিবাদীদের আগামী ৩ ও ৫ জানুয়ারির মধ্যে জবাব দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

    মোহাম্মদ জামাল আরো জানান, এর আগে একই অভিযোগে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আরো ১২টি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় ড. ইউনূস ছাড়াও গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশরাফুল হাসানকে বিবাদী করা হয়েছে।

    আরজি থেকে জানা যায়, গ্রামীণ টেলিকম ২০০৬ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার ১৫৮ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। শ্রম আইনের বিধান অনুযায়ী নিট মুনাফার ৫ শতাংশ কোম্পানির কর্মীদের দিতে হবে। এই হিসাবে কর্মীদের নিট মুনাফা ১০৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকা হয়। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ কর্মীদের, ১০ শতাংশ সরকারকে এবং অন্য ১০ শতাংশ কল্যাণ তহবিলে জমা দিতে হবে। কিন্তু গ্রামীণ টেলিকম কর্মীদের প্রাপ্য পরিশোধ করেনি এবং সরকারকেও টাকা দেয়নি। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে শ্রম আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    তারেক রহমানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

    রাজধানীর তেজগাঁও থানায় দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

    আজ সোমবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা এই পরোয়ানা জারি করেন। পরোয়ানাভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন সাংবাদিক মাহাথীর ফারুকী খান ও কনক সরোয়ার খান।

    সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি তাপস কুমার পাল জানান, আজ আদালতে মামলাটির অভিযোগপত্র আমলে নেওয়ার দিন ধার্য ছিল। বিচারক অভিযোগপত্রটি আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

    এর আগে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক এমদাদ হোসেন তারেক রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

    এ মামলার অন্য আসামি বেসরকারি টেলিভিশন একুশে টিভির (ইটিভি) সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস সালাম কারাগারে আটক রয়েছেন।

    অভিযোগপত্রটি দণ্ডবিধির ১২৪ ও পুলিশ ইনসাইটমেন্ট অব ডিস অ্যাফেকশনের ১৯২২-এর ৩ ধারায় দাখিল করা হয়েছে।

    মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন এসআই বোরহান উদ্দিন।

    মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি ‘গণতন্ত্র হত্যা ও কালো’ দিবস উপলক্ষে পূর্ব লন্ডনের অট্রিয়াম অডিটরিয়ামে যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি দেশের বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে এমন মন্তব্য করেছেন, যাতে জনমনে হিংসার উদ্রেক হয়েছে।

    যে পাঁচ যুক্তিতে মৃত্যুদণ্ড থেকে বাঁচলেন ঐশী

    রাজধানীর চামেলীবাগের বাসায় পুলিশ কর্মকর্তা বাবা মাহফুজুর রহমান ও মা স্বপ্না রহমানকে হত্যার মামলায় তাঁদের মেয়ে ঐশী রহমানকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন করেছেন হাইকোর্ট। এর কারণ হিসেবে পাঁচটি যুক্তি দেখিয়েছেন উচ্চ আদালত।

    আজ রোববার রায় প্রদানকারী হাইকোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের স্বাক্ষরের পর ৭৮ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।

    গত ৫ জুন আলোচিত এ মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামির আপিল শুনানি করে হাইকোর্টের ওই দ্বৈত বেঞ্চ ঐশী রহমানের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

    পূর্ণাঙ্গ রায়ে দণ্ড কমানোর ব্যাখ্যায় আদালত বলেন, পাঁচটি কারণে ঐশীর মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন করা হয়েছে। এগুলো হলো :

    এক. হত্যাকাণ্ডের সময় ঐশী মাদকাসক্ত ছিলেন এবং ১৪ বছর বয়স থেকেই তিনি সিসা, ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিলের মতো নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করতেন।

    দুই. ঐশী বংশগতভাবে মানসিক রোগী। তাঁর চাচা-দাদি-খালা অনেকের মধ্যেই মানসিক রোগের লক্ষণ আছে, যা তাঁর মধ্যেও ছোটবেলা থেকে বিদ্যমান।

    তিন. হত্যাকাণ্ডের ঘটনার দ্বিতীয় দিনের মাথায় ঐশী আত্মসমর্পণ করেছেন। এতে বোঝা যায়, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

    চার. ঘটনার সময় ঐশীর বয়স ছিল ১৯ বছর। এ বয়সের একটি সন্তানকে তাঁর বাবা-মা যথাযথভাবে দেখভাল করেননি। ফলে ঐশী ছোটবেলা থেকেই বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলেন।

    পাঁচ. ঐশীর বাবা-মা দুজনেই সন্তানের লালনপালন বিষয়ে উদাসীন ছিলেন। এ কারণে ছোটবেলা থেকেই তিনি স্নেহবঞ্চিত হয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠেন।

    এর আগে ২০১৫ সালে ঐশী রহমানকে দুবার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আদালত। প্রত্যেক মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে ২০ হাজার টাকা করে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়, অনাদায়ে দুই বছর কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। একটি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর অন্যটি সরাসরি বাতিল হয়ে যাবে। একই সঙ্গে ঐশীর বন্ধু মিজানুর রহমান রনিকে দুই বছর কারাদণ্ডাদেশ ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। মামলার অপর আসামি আসাদুজ্জামান জনিকে খালাস দেন আদালত।

    ঢাকার ৩ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাঈদ আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন। ২০১৫ সালের ৬ ডিসেম্বর ২৫টি যুক্তি দেখিয়ে ঐশী রহমান রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন।

    ২০১৪ সালের ৯ মার্চ ঐশীকে প্রধান আসামি করে তিনজনের বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক আবুল খায়ের।

    ২০১৩ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর মালিবাগের চামেলীবাগের বাসা থেকে পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না রহমানের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পরের দিন ১৭ আগস্ট নিহত মাহফুজুর রহমানের ছোট ভাই মো. মশিউর রহমান রুবেল পল্টন থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। একই দিন পল্টন থানায় আত্মসমর্পণ করেন ঐশী রহমান।

    জামায়াতের আমিরসহ আট জন কারাগারে

    অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের দুই মামলায় জামায়াতে ইসলামীর আমির মকবুল আহমাদসহ আট নেতাকর্মীকে ১০ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

    আজ শনিবার ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারী এ আদেশ দেন। ঢাকার অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার আনিসুর রহমান এ বিষয়ে জানান।

    আনিসুর রহমান জানান, ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার পরিদর্শক মো. সাজু মিঞা দুই মামলায় জামায়াতের আমির মকবুলসহ আটজনকে ১০ দিনের রিমান্ড শেষে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। তিনি জানান,

    আসামিপক্ষের আইনজীবী আবদুর রাজ্জাক, এস এম কামাল উদ্দিন, খোরশেদ আলম ও সানাউল্লাহ মিয়া জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিনের আবেদন খারিজ করে এ আদেশ দেন।

    মামলার অপর আসামিরা হলেন জামায়াতের নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরওয়ার, সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুর রহমান, তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মহানগর আমির মোহাম্মদ শাজাহান, সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলার আমির জাফর সাদেক ও সাইফুল ইসলাম।

    গত ৯ অক্টাবর রাজধানী উত্তরার ৬ নম্বর সেক্টরের একটি বাসা থেকে রাত ৯টার দিকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে জামায়াত নেতাদের আটক করে। এরপর রাজধানীর কদমতলী থানার পুরোনো দুটি মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে ২০ দিনের রিমান্ড চাইলে ১০ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।

    জামায়াতে ইসলামীর আমিরসহ নয় নেতাকে আটক

    রাজধানীর উত্তরা থেকে জামায়াতে ইসলামী আমির মকবুল আহমাদসহ নয় নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। আজ সোমবার রাত ৯টার দিকে উত্তরা একটি বাসা থেকে তাঁদের আটক করা হয়।

    আটক অন্যদের মধ্যে রয়েছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান, নায়েবে আমির শামসুল ইসলাম ও মিয়া গোলাম পরওয়ার।

    ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি, উত্তর) উপকমিশনার শেখ নাজমুল আলম জানান, গোপন বৈঠকে নাশকতার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল, এমন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ৯টার দিকে উত্তরায় ওই অভিযান চালানো হয় এবং জামায়াত নেতাদের আটক করা হয়।

    উপকমিশনার জানান, আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নয় নেতাকে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।