• ?????: আমার স্বাস্থ্য

    বাবা হতে চাইলে নিয়মিত এই খাবার খান

    অনেকে এই বিষয়ে একমত হবে যে, সন্তান হওয়া হল জীবনের সবচেয়ে আনন্দদায়ক এক বিষয়। যে সব পুরুষ পিতা হতে চান তারা প্রতিদিনের খাবার রুটিনে ৬০ গ্রাম করে বাদাম রাখতে পারেন। কেননা বাদাম খাওয়ার মাধ্যমে বীর্যের ঘনত্ব, পরিমাণ ও সক্রিয়তা বৃদ্ধি পায় বলে একটা পরীক্ষায় জানা গেছে।

    গবেষণায় বলা হয়, বাদাম সমৃদ্ধ ডায়েট বীর্যের পরিমাণ প্রায় বিশ শতাংশ বৃদ্ধি করতে সক্ষম, বীর্যের জীবনীশক্তি পাঁচ শতাংশ এবং অঙ্গসংস্থান ক্ষমতা এক শতাংশ এবং সক্রিয়তা ছয় শতাংশ বৃদ্ধি করতে সক্ষম। এছাড়াও নিয়মিত বাদাম খাওয়ার ফলে বীর্যের ডিএনএ ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যহরে কমে যায়। ফলে পুরুষের বন্ধ্যাত্বের সম্ভাবনা অনেকাংশ কমে যায়।

    গবেষক দলের সদস্য অ্যালবার্ট সালাস-হেউটস জানান, দূষণ, ধূমপান এবং পাশ্চাত্যের বিভিন্ন খাবারের প্রতি আকর্ষণের ফলে পুরুষের বীর্যের পরিমাণ ও গুণগতমান কমে যায়।

    তিনি জানান, বাদামে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফলিক এবং অন্যান্য ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে। তাই নিয়মিত বাদাম খাওয়ার মাধ্যমে পুরুষের বীর্যের পরিমাণ ও গুণগতমান বৃদ্ধি করা সম্ভব।

    কেমোথেরাপি নয়, এবার টিকাতেই নিরাময় হবে ক্যান্সার!

    ক্যান্সার চিকিৎসার বড় রকমের সাফল্য পেয়েছে কিউবার বিজ্ঞনীরা। তাদের দাবি, কষ্টকর কেমোথেরাপি কিংবা রেডিয়েশন পদ্ধতি নয়, একটিমাত্র টিকাতেই মরণব্যাপী ক্যান্সার নির্মূল করা সম্ভব।

    জি নিউজের খবর, দীর্ঘদিন ধরেই ক্যান্সারের মতো মরণব্যাপী রোগের ওষুধ আবিষ্কার করতে সারা বিশ্বে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। কিন্তু এই রোগের হাত থেকে মুক্তি মেলার কোনো সহজ পদ্ধতি আবিষ্কার করতে রীতিমত হিমসিম খেতে হয়েছে তাঁদের। এবার সেই কাজটিই করে দেখাল কিউবার কয়েকজন বিজ্ঞানী। ইতিমধ্যেই তাঁদের আবিষ্কৃত ওই টিকা চার হাজার মানুষের ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে এবং তাঁরা ক্যান্সারকে হার মানিয়ে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে বলে দাবি বিজ্ঞানীদের।

    মূলত ব্রেস্ট ক্যান্সার, ইউটেরাস ক্যান্সার, প্রস্টেট ক্যান্সার এই টিকার প্রয়োগে দ্রুত সেরে উঠবে। ক্যান্সারের একেবারে প্রথম ধাপে এই টিকা বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    কোথায় কোথায় পাওয়া যাচ্ছে এই টিকা? কিউবার আবিষ্কৃত হওয়ায় এই টিকা সে দেশের মানুষদের বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে। কিউবার মেডিক্যাল সার্ভিসেস-এ আপনি নিজেও যোগাযোগ করতে পারবেন এর জন্য। প্যারাগুয়ে, কলোম্বিয়াতেও এই টিকা পাওয়া যাচ্ছে।

    এছাড়া, ন্যাশানাল সেন্টার ফর হেলথ থেকেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে www.inor.sld.cu ওয়েবসাইটে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

    মুরগির ডিমে ক্যানসারের ওষুধ!

    জাপানে গবেষকেরা জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে বিশেষভাবে তৈরি মুরগির ডিম দিয়ে ক্যানসারের ওষুধ বানানোর চেষ্টা করছেন। নতুন এই ওষুধ তৈরি করা সম্ভব হলে তা চিকিৎসার খরচ নাটকীয় হারে কমিয়ে দেবে। আজ সোমবার জাপানের পত্রিকা ইওমিউরি শিম্বুনের এক প্রতিবেদনে এ খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

    গবেষকেরা মুরগির ডিমে ‘ইন্টারফেরন বেটা’ নামের একটি আমিষজাতীয় পদার্থ (প্রোটিন) তৈরির চেষ্টা করছেন। সাধারণত এই প্রোটিন স্নায়ুতন্ত্রের রোগ ও হেপাটাইটিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে ইন্টারফেরন বেটার কয়েক মাইক্রোগ্রামের দাম প্রায় ৮৮৮ ডলার। জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে বিশেষভাবে তৈরি মুরগির ডিমে এই প্রোটিন উৎপাদন করা সম্ভব হলে এর দাম অনেকটা কমে যেতে পারে।

    ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড ইন্ডাস্ট্রিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এআইএসটি) গবেষকেরা এ প্রকল্পে কাজ করছেন। প্রাথমিকভাবে মুরগির কোষে বিশেষ জিন ঢোকানো হয়েছে। এতে করে ডিমেও প্রোটিনটি থাকবে। এভাবে উত্তরাধিকার সূত্রে এক মুরগি থেকে আরেক মুরগিতে ইন্টারফেরন বেটা তৈরির সক্ষমতা ছড়িয়ে পড়বে।

    ইওমিউরি শিম্বুনের বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, বর্তমানে ইন্টারফেরন বেটা–সমৃদ্ধ ডিম দিতে পারে, এমন তিনটি মুরগি জন্মানো গেছে। এগুলো প্রায় প্রতিদিনই ডিম পাড়ছে।

    ডিমে তৈরি এই ওষুধ গবেষকেরা ওষুধ কোম্পানির কাছে বিক্রি করার পরিকল্পনা করছেন। তবে এর বাণিজ্যিক উৎপাদনের ক্ষেত্রে আরও বছর খানেক অপেক্ষা করতে হবে। কারণ, এই ওষুধ নিয়ে ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হবে। ভোক্তাদের জন্য এই ওষুধ ঝুঁকিহীন, তা প্রমাণিত হওয়ার পরই তা বাজারে ছাড়া হবে।

    হার্বাল ওষুধ লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়

    হাজার হাজার বছর ধরে চীন, ভিয়েতনাম, ইউরোপ আর দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার মতো অনেক জায়গাতেই ভেষজ চিকিৎসাই ছিল রোগ সারানোর একমাত্র উপায়।

    কিন্তু গবেষকরা সম্প্রতি এশিয়া জুড়ে ঐতিহ্যবাহী এই ভেষজ ওষুধের সঙ্গে যকৃত ক্যান্সার সংযোগের ব্যাপক প্রমাণ পেয়েছেন। তারা বলছেন, অ্যারিস্টোলোকিয়া প্ল্যান্ট নামে এই ভেষজটিতে অ্যারিস্টোলোকিক এসিড (এএ) নামক রাসায়নিক উপাদান থাকায় এটি যকৃৎ ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।

    যদিও এই এসিড যুক্ত ভেষজ চীনে বেশি পাওয়া যায়। যা মানুষের শরীরের ক্ষত বা প্রসবের সময় দেওয়া হয়, এটি তাৎক্ষণিকভাবে ব্যথা বা ক্ষত সারালেও এর কিছু খারাপ দিকও রয়েছে।

    গবেষকরা তাইওয়ানের হাসপাতালগুলিতে সংরক্ষিত ৯৮টি যকৃতের টিউমারকে পরীক্ষা করে দেখেছেন যে তার মধ্যে ৭৮ শতাংশেই ক্যান্সারে আক্রান্ত। ধারণা করা হচ্ছে এএই এর একমাত্র কারণ।

    গবেষকরা চীনে দেখেছেন যকৃত ক্যান্সারে আক্রান্ত ৮৯ টি যকৃতের মধ্যে ৪৭ টিই আক্রান্ত হয়েছে এএর কারণে।

    ভিয়েতনামে প্রতি ২৬ জনের মধ্যে ৫ জন, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশে ৯ জনের মধ্যে ৫ জন যকৃত ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। অন্যদিকে উত্তর আমেরিকায় আবার এর প্রকোপ কম ছিল সেখানে ২০৯ জন যকৃৎ ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিল ৫ ভাগ এবং ইউরোপের ১ দশমিক ৭ ভাগ।

    ২০০৩ সালে তাইওয়ানে এই ভেজসটি ব্যবহার করে আবিষ্কৃত হয় যে এই এএ কিডনিতে সমস্যা এবং মূত্রনালীর ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। তবে তবে, চীন বা তাইওয়ানে কোন প্রত্যক্ষ নিষেধাজ্ঞা নেই।

    গবেষকরা দেখেছিলেন যে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের পরও তাইওয়ানের লিভার ক্যান্সারে আরিস্টোলোকিক এসিড (এএ) সংশ্লিষ্ট সংক্রমণের বিস্তার হ্রাস পায়নি।

    ক্যান্সার রোধ করতে খান কাঁকরোল

    কাঁকরোল। জনপ্রিয় একটি সবজি। বৈজ্ঞানিক নাম Momordica cochinchinensis। এর আদি উৎস ভিয়েতনাম হলেও চাষ হয় প্রায় কম বেশী সব দেশেই। বাংলাদেশেও পাওয়া যায় সবখানেই। নানাবিধ পুষ্টিগুণের কারণে একে ‘স্বর্গীয় ফল’ও বলা হয়ে থাকে। শরীরকে সুস্থ রাখতে কাঁকরোল খাওয়া উচিৎ। কাঁকরোলের কিছু বিশেষ গুণের দিক তুলে ধরা হলো পাঠকদের জন্য।

    * গর্ভবতী মা’দের জন্য কাঁকরোল বেশ উপকারী। গর্ভাবস্থায় অনেক মা’দের স্নায়ুবিক ত্রুটি দেখা দেয়। কাঁকরোলে থাকা ভিটামিন বি ও সি স্নায়ুবিক ত্রুটি হতে বাধা দেয়।
    * শুধু কাঁকরোল নয় এর শেকড়ের রস আদার সঙ্গে খেলে শ্বাসকষ্ট দূর হয়।
    * কিডনির পাথর নির্মূলে দুধের সঙ্গে কাঁকরোল বাটা উপকারী।
    * কাঁকরোল খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
    * কাঁকরোলে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান থাকে। যা শরীরে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
    * কাশি নিরাময়ে কাঁকরোল বাটা কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।
    * কাঁকরোলে পাওয়া যায় বিটা ক্যারোটিন, আলফা ক্যারোটিন, লিউটেইন । ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ মুছতে তাই সবজিপ্রেমীরা কাঁকরোল খান নিয়মিত।
    * কাঁকরোলে আছে ভিটামিন এ । যা দৃষ্টিশক্তিকে মজবুত রাখে।
    * কাঁকরোলে প্রচুর আয়রন, ভিটামিন সি ও ফলিক এসিড থাকে। তাই অ্যানেমিয়ার প্রতিহত করে কাঁকরোল।
    * অতিরিক্ত কোলেস্টেরেল কমায় কাঁকরোল।
    * কাঁকরোলে সেলেনিয়াম, মিনারেল এবং ভিটামিন থাকে। যা নার্ভাস সিস্টেমের উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখে। তাই বিষণ্ণতা দূর করতেও কাঁকরোল খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।
    [ইন্টারনেট অবলম্বনে]

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে সুস্থ থাকার উপায়

    লবন কেন কম খাবেন কিংবা মাংসের পরিবর্তে সবজি খেতে হবে কেন? অথবা স্বামী-স্ত্রী দু’জনই চাকরি করলে তাঁরা সুস্থ থাকেন কেন? এরকমই কিছু প্রশ্নের উত্তর জেনে নিন—

    চাকরিজীবীরা কি বেশি সুস্থ থাকেন?

    যে পরিবারে স্বামী বা স্ত্রী’র মধ্যে একজন চাকরিজীবী হয়, তাহলে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে অপেক্ষাকৃত বেশি অসুস্থ হন। ১৫ বছর আগে বিয়ে করা দম্পতিদের নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট বিশ্ববিদ্যালয়ের করা এক গবেষণা থেকে এই তথ্যটি জানা গেছে। আরো দেখা গেছে, যেসব পরিবারের দু’জনই চাকরিজীবি তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক ও স্বাস্থ্য দু’টোই ভালো থাকে।

    ইতিবাচক চিন্তা সাফল্য আনে

    ‘ওজন অবশ্যই কমবে বা শারীরিক সমস্যা দূর হবে’ এমন ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে যাঁরা ‘জিম’-এ যান, তাঁরা বেশি সফল হন। এই তথ্যটি প্রকাশ করা হয়েছে জার্নাল অফ দ্য বিহেভিয়োরেল মেডিসিনে আর এই বিষয়ের গবেষণাটি করেছে জার্মানির ফ্রাইবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়।

    শাক-সবজি খান, বেশিদিন সুস্থ থাকুন

    মাংসের পরিবর্তে ডাল, মটরশুটি বা অন্যান্য সবজি খেলে বেশিদিন সুস্থ থাকা যায়। হারভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের করা এক গবেষণা থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

    সকালের ভাইরাস বিপজ্জনক

    সন্ধ্যার চেয়ে সকালে মানুষের শরীরে ভাইরাস তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়ে। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের করা এক সমীক্ষা থেকে এ বিষয়টি বেরিয়ে এসেছে। কাজেই আপনি একই ঘরে বসেন এমন কারো সর্দি, কাশি বা ছোঁয়াচে কোনো অসুখ হলে, সকালের দিকে একটু বেশি সতর্ক থাকুন।

    নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ায় লবন

    অতিরিক্ত লবন উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। তাছাড়া যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, তাঁদের একেবারেই লবন খাওয়া উচিত নয়। ক্যানাডার গবেষকদের গবেষণালব্ধ এই তথ্যটি প্রকাশ পেয়ে দ্য ল্যান্সেট ম্যাগাজিনে। আর জার্মানির পুষ্টি সোসাইটি বলছে, একজন মনুষের জন্য দিনে ৬ গ্রাম লবনই যথেষ্ট।

    জেনে নিন, যা খেলে কমবে স্মৃতিশক্তি

    খেয়ে তো চলেছেন ঠেসে। কিন্তু জানেন কি যা খাচ্ছেন, তার অর্ধেকেই আপনার বুদ্ধি কমিয়ে দিচ্ছে। আপনার খাবারের অভ্যাস বিপুলভাবে প্রভাব ফেলে আপনার মাথার উপর। জেনে নিন, ঠিক কী কী খেলে আপনার বুদ্ধি কমবে লাফিয়ে লাফিয়ে। ❏‌ চিনি:‌ আশ্চর্য হবেন না, বেশি মিষ্টি খেলে কিন্তু আপনার বুদ্ধি কমবে দ্রুত। বেশ চিনি খাওয়ার ফলে আপনার স্মৃতিশক্তি কমে যায়, এমনকি নতুন কিছু শেখার আগ্রহও চলে যায়। মাথা কম কাজ করতে থাকে। ❏‌ মাংস ও মাখন:‌ একটি গবেষণায় দেখা গেছে, রেড মিট ও মাখন খেলে দ্রুত বুদ্ধি কমে। এই বিষয়টি অবশ্য নারীদের জন্য। দেখা গেছে, যে নারীরা নিয়মিত রেড মিট ও মাখন খান, তাঁদের স্মৃতি শক্তি কমছে তাড়াতাড়ি। ❏‌ চিউইংগাম:‌ অনেকেই কাজ করতে করতে, বই পড়তে পড়তে চিউইংগাম চিবোতে থাকেন। এটা খারাপ অভ্যাস। ধরুন আপনি কিছু মনে করার চেষ্টা করছেন চিউইংগাম চিবোতে চিবোতে। সেটাতে উল্টে আপনার স্মৃতি শক্তি কমতে পারে এই অভ্যাসের ফলে। ❏‌ জাঙ্ক ফুড:‌ রাস্তার ধারে ফাস্টফুড খাওয়া অনেকেরই রোজকার অভ্যাস। সেই অভ্যাসটা ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হবে। কারণ ফাস্ট ফুডে আপনার খাদ্যভ্যাসের বারোটা তো বাজবেই, নষ্ট হবে আপনার স্মৃতিশক্তিও। ❏‌ মদ ও সিগারেট:‌ মদ সিগারেটের নেশাও কিন্তু স্মৃতিশক্তিকে দুর্বল করে। আপনার উচিত হবে, কম পরিমানে মদ সিগারেট খাওয়া। তাতে আপনার স্মৃতিশক্তি অনেকটাই ঝামেলায় পড়তে পারে। ‌

    রোগ সারাতে কাঁচকলা

    বারমাসি সবজি হিসেবে পরিচিত কাঁচকলা। তবে রোগীর পথ্য হিসেবেই এটি সবার কাছে বেশি পরিচিত। স্বাস্থ্যকর সবজি হিসেবে এর রয়েছে আলাদা কদর। কলার মতো কাঁচকলাও ভিটামিন, মিনারেলসহ আরও অনেক পুষ্টিগুণ সম্পূর্ণ। কাঁচকলায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, প্রতিদিন ৪,৭০০ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম গ্রহণে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়। তবে পটাসিয়াম সবার জন্য নিরাপদ নয়। উচ্চ রক্তচাপ অথবা কিডনির রোগে আক্রান্ত রোগীদের পক্ষে কাঁচকলা খাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের জন্যেও কাঁচকলা উপকারী। এটি আঁশযুক্ত হওয়ায় রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। ভিটামিন বি-৬ গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে টাইপ-টু ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কাঁচকলা আঁশযুক্ত সবজি হওয়ায় এটি খুব সহজে হজম হয়। কাঁচকলা পেটের ভিতরের খারাপ ব্যাকটেরিয়া দূর করে দেয়। তবে অতিরিক্ত পেট ফোলার সমস্যা থাকলে কাঁচকলা না খাওয়াই ভাল। কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যাও অনেক সময়ে বাড়িয়ে দেয়। ওজন কমাতে চাইলে, খাদ্য তালিকায় কাঁচকলা রাখুন। কাঁচকলার ফাইবার অনেকটা সময় পেট ভরিয়ে রাখে। এটি আঁশযুক্ত হওয়ায় তা মেদ কমাতেও সাহায্য করে। কাঁচকলা কোলন থেকে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া, জীবাণু এবং ইনফেকশন দূর করে কোলনকে সুস্থ রাখে। দীর্ঘমেয়াদী কোলন সংক্রান্ত রোগ দূর করতে কাঁচকলা বেশ কার্যকরী। উচ্চ ভিটামিন বি-৬ এর উৎস কাঁচকলা। ভিটামিন বি-৬ রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরি করে, যা রক্তে অক্সিজেন পরিবহন করে। এছাড়া ভিটামিন বি-৪ রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। কাঁচকলায় থাকে এনজাইম, যা ডায়রিয়া এবং পেটের নানা ইনফেকশন দূর করে। তাই ডায়রিয়া হলে চিকিৎসকরা কাঁচকলা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

    একটি ফলের রসেই গলবে কিডনির পাথর

    স্বাস্থ্য ডেস্ক: অপারেশন ছাড়াই গলবে কিডনির পাথর। শুধু একটি ফলের রসেই কিডনির পাথর দূর হবে! হ্যাঁ, ভুল দেখেননি। বিনা অপারেশনেই আধাকাপ লেবুর রসে কিডনির পাথর দূর হবে। প্রতি বছর পৃথিবীতে ক্যানসারের চেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয় কিডনির সমস্যায়। কিডনি সমস্যার সবচেয়ে বড় কারণ কিডনি স্টোন। খবর জি নিউজের। অতিরিক্ত মাংস খেলেই বিপদ। কম পানি খেয়েছেন কী মরেছেন। কম সবজি খেলেও সমস্যা। বেশি নুন খাওয়া ক্ষতিকর। বংশগত কারণেও কিডনিতে পাথর হওয়ার আশংকা থাকে। মাঝে মাঝে ডিহাইড্রেশন হলেও কিডনিতে পাথর তৈরি হতে পারে। ইউরিন ইনফেকশন হলেও কিডনিতে পাথর জমতে পারে। মাইগ্রেনের জন্য ব্যবহৃত টপিরামেট জাতীয় ওষুধ কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। ওজন বাড়লেও মারাত্মক বিপদ। কিডনির ভেতরের এই পাথরগুলো মূত্রনালির মাধ্যমে মূত্রথলিতে যাওয়ার চেষ্টা করে। পাথর যখন সংকীর্ণ নালির মধ্যে দিয়ে যায়, তখন প্রচণ্ড ব্যথা হয়। কখনও কখনও নালিটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এই অবস্থায় অপারেশন ছাড়া পথ থাকে না। কিন্তু ইউনিভার্সিটি অব হাউস্টনের গবেষকরা বলছেন, লেবুর রসে হতে পারে মুশকিল আসান। লেবুর রসে হাইড্রক্সিসিট্রেট থাকে। এটা আমাদের শরীরের ক্যালসিয়াম অক্সালেট ক্রিস্টাল গলিয়ে দিতে সাহায্য করে। এই ক্যালসিয়াম অক্সালেট ক্রিস্টালের কারণেই প্রধানত কিডনিতে পাথর হয়। গবেষকরা বলছেন, দিনে দুবার ৪ আউন্স পাতিলেবুর রস খেতে হবে। ৩২ আউন্স টাটকা লেমোনেডও খাওয়া যেতে পারে। ২ আউন্স লেবুর রসের সঙ্গে ৬ আউন্স পানি মিশিয়ে নিতে হবে। সকালে ব্রেকফাস্টের আগে এবং রাতে শোয়ার আগে লেবুর রস খেয়ে নিতে হবে। শুধু কিডনির স্টোনই নয়, লেবুর রসে আরও অনেক উপকারিতা আছে। ১. শক্তি বাড়ায় লেবুর রস। ২. লিভার পরিষ্কার রাখে। ৩. ভাইরাসজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। ৪. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে লেবুর রস। ৫. ত্বক পরিষ্কার রাখে। ৬. ওজন কমাতে সাহায্য করে। ৭. মূত্রনালির সংক্রমণ দূর করে। ৮. চোখ ভালো রাখে। ৯. দাঁতব্যথা কমায়। ১০. গর্ভবতী নারী ও গর্ভের শিশুর জন্য ভীষণ উপকারি। ১১. স্তন ক্যানসার সারাতে লেবুর রসের জুড়ি মেলা ভার।

    যৌনক্ষমতা বৃদ্ধি ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কালোজিরা

    কালোজিরা রোগ নিরাময়ের এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এতে ফসফেট, আয়রন, ফসফরাস প্রভৃতি উপাদান রয়েছে, যা বিভিন্ন রোগের হাত থেকে আমাদের বাঁচায়। এটি যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিসহ দেহের প্রাণশক্তি বাড়ায় এবং ক্লান্তি দূর করে। তাই প্রাচীনকাল থেকে মানবদেহের নানা রোগের প্রতিষেধক এবং প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে কালোজিরা। চলুন পাঠক আমরা জেনে নিই কালো জিরার নানা গুণের কথা-

    রোগ প্রতিরোধে কালোজিরা

    কালোজিরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। এটি যেকোনো জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।

    ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে

    কালোজিরা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে দেয়। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে

    কালোজিরা নিম্ন রক্তচাপ বৃদ্ধি করে তা স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি দেহের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে উচ্চ রক্তচাপ হ্রাস করে শরীরে রক্তচাপের স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রাখে।

    মাথাব্যথা কমায়

    মাথা ব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তী স্থানে দৈনিক ৩/৪ বার কালোজিরা তেল মালিশ করলে ব্যথা কমে যায়। তাই মাথা ব্যথা কমাতে এটি ব্যবহার করতেই পারেন।

    দাঁতের ব্যথা কমায়

    দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালিজিরা দিয়ে কুলি করলে ব্যথা কমে। শুধু তাই নয়, জিহ্বা, তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু ধ্বংস করতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে এটি।

    চুল পড়া রোধ করে

    লেবু দিয়ে সমস্ত মাথার খুলি ভালোভাবে ঘষে ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পরে ভালোভাবে মাথা মুছে ফেলুন। এবার মাথার চুল ভালোভাবে শুকানোর পর পুরো মাথায় কালোজিরা তেল মালিশ করুন। এভাবে করলে দেখবেন ১ সপ্তাতেই চুল পড়া বন্ধ হবে।

    পিঠে ব্যথা দূর করে

    কালোজিরার থেকে তৈরি তেল আমাদের দেহে বাসা বাঁধা দীর্ঘমেয়াদী রিউমেটিক এবং পিঠে ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া সাধারণভাবে কালোজিরা খেলেও অনেক উপকার পাওয়া যায়।

    যৌনক্ষমতা বৃদ্ধি করে

    কালোজিরা নারী-পুরুষ উভয়ের যৌনক্ষমতা বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে কালোজিরা খেলে পুরুষের স্পার্ম সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এটি পুরুষত্বহীনতা থেকে মুক্তির সম্ভাবনাও তৈরি করে।

    স্মৃতিশক্তি বাড়ায়

    নিয়মিত কালোজিরা খেলে দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। এতে করে মস্তিস্কে রক্ত সঞ্চালনের বৃদ্ধি ঘটে; যা আমাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

    হাঁপানী উপশমে

    হাঁপানী বা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা সমাধানে কালোজিরা দারুণ কাজ করে। প্রতিদিন কালোজিরার ভর্তা খেলে হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা উপশম হয়।

    শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে

    নিয়মিত কালোজিরা খাওয়ালে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে। এটি শিশুর মস্তিষ্কের সুস্থতা এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও অনেক কাজ করে।