• চলতি বছর বিশ্বে ৬৫ সাংবাদিক নিহত - ট্রাম্পের ঘোষণার বিরুদ্ধে রাশিয়ার হুঁশিয়ারি - বুধবার মার্কিন দূতাবাস ঘেরাও করবে হেফাজত - রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীনকে মধ্যস্থতার আহ্বান খালেদা জিয়ার - ‘জাহান্নামে যাওয়ার জন্য তৈরি হোন’, অ্যাটর্নি জেনারেলকে হুমকি - ক্ষমা না চাইলে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা: ফখরুল - এরশাদের পতন: পর্দার আড়ালে যা ঘটেছিল - ট্রাম্পের ঘোষণার বিরুদ্ধে তুরস্কে বিক্ষোভ - সাবেক রাষ্ট্রদূত জামানের খোঁজ মেলেনি, নানা রহস্য - বলিউডে পুরুষরা বেশি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে: সোনাক্ষী - 'রসিক নির্বাচনে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে' - মৌলভীবাজারে ছাত্রলীগের দু'গ্রুপের সংর্ঘষে নিহত ২

    ?????: প্রবাস

    সৌদি আরবে গ্রেপ্তার ৩৬ হাজার ৭০০ প্রবাসী

    আবাসন ও শ্রমনীতি লঙ্ঘন করার দায়ে প্রায় ৩৬ হাজার ৭০০ প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে সৌদি আরব। দেশটিতে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অধীনে বিভিন্ন রাজ্য থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার এই অভিযানের ৬ষ্ঠ দিন ছিল। এ খবর দিয়েছে সৌদি গালফ। পুলিশের ডাইরেক্টর মেজর জেনারেল সালেহ সুলাইমান আল কারজাই বলেন, অভিযানে সংশ্লিষ্ট অপরাধকর্মে জড়িত ৬৩ জন সৌদি নাগরিককেও আটক করা হয়। পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক অবৈধ বন্দুক ও গুলি উদ্ধার করা হয়।
    তিনি বলেন, অভিযানের প্রথম চার দিনে ৬ হাজার ৬৩৫টি ট্রাফিক আইন অমান্য করার ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। পুলিশের মুখপাত্র মেজর জাইদ আল দাব্বাস অবৈধ প্রবাসীদের আশ্রয় না দেয়া ও তাদের নিরাপদে সরে পড়ার সুযোগ না দিতে সৌদি আরবের নাগররিকদের সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, নির্দেশ অমান্য করে কেউ অবৈধ প্রবাসীদের সাহায্য করলে তাকে জরিমানা ও জেলে পাঠানো হতে পারে। সৌদি আরবের মদিনা শহরে ১ হাজার ১৩০ জন্য আইন অমান্যকারীকে আটক করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের শাস্তি হিসেবে জরিমানা, জেল বা নির্বাসনে পাঠানো হতে পারে। আরেক মুখপাত্র মেজর হোসেইন আল কাহতানি বলেন, মদিনার উপকণ্ঠে কিছু শহর ও আশপাশের কয়েকটি জেলায় অভিযান চালানো হয়। এছাড়া, তাবুকে বিভিন্ন দেশের ৫৯৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযানে আটকদের ২২ হাজার ৮৫ জনকে আবাসন নীতি লঙ্ঘন করার দায়ে, ৬ হাজার ৮৭৪ জনকে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য ও ৭ হাজার ৬৯৭ জনকে শ্রমনীতি ভঙ্গ করার জন্য আটক করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত শাস্তি হিসেবে বিভিন্ন দেশের ৪ হাজার ৪৫৭ জনকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। আর তাৎক্ষণিকভাবে সাজা দেয়া হয়েছে ৩ হাজার ২২৩ জনকে।

    লন্ডন মহানগর বিএনপির উদ্যোগে তারেক রহমানের ৫৩ তম জন্মদিন পালন

    বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নায়ক তারেক রহমানের ৫৩ তম জন্ম বার্ষিকীতে উৎসব মুখর পরিবেশে পালন করছে লন্ডন মহানগর বিএনপি রাত ১২ঃ১ মিনিটে কেক কাটছেন লন্ডন মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

    কেন্দ্রীয় বিএনপি আন্তরজাতিক সম্পাদক মাহিদুর রহমান, যুক্তরাজ বিএনপি সভাপতি এম এ মালিক, সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদ, লন্ডন মহানগর বিএনপির সভাপতি মোঃ তাজুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক আবেদ রাজা ও সাংগঠনক সম্পাদক খালেদ চৌধুরী, সহ সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ , সহ-সভাপতি সাহেদ উদ্দিন চৌধুরী, শরীফ উদ্দিন ভুঁইয়া বাবু , আব্দুর রব, তপু শেখ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফয়সল আহমেদ, রোমান আহমেদ চৌধুরী, সোহেল শরীফ মোহাম্মদ করিম, সহ-সাধারণ সম্পাদক আজিম উদ্দিন আজির নজরুল ইসলাম খান, তুহিন মোল্লা, এম এ তাহের. সোহেল আহমেদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জহিরুল হক জামান, তোফায়েল হোসেন মৃধা, আবু তাহের, জামাল উদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ মোঃ জিয়াউর রহমান, দফতর সম্পাদক নজরুল ইসলাম মাসুক.প্রচার সম্পাদক ময়নুল ইসলাম , সহ-প্রচার সম্পাদক মোঃ সেলিম মাহমুদ, সহ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মাকসুদুল হক , সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান মইনুল হক উজ্জ্বল, সহ-পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ আকবর , ক্রীড়া সম্পাদক সৈয়দ আতাউর রহমান ,সহ-সংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আশিক বক্স, প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদিন , ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মহসিন আহমেদ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আবু নোমান, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মিছবাহ উদ্দিন , সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ওমর গনি , কার্যনির্বাহী সদস্য জি এম শাহরিয়ার অপু.ফখরুল ইসলাম , রেজাউর রহমান চৌধুরী রাজু , শাকিল আহমদ.হাসান জাহেদ পমুখ ।

    এই দিকে আগামী ২২শে নভেম্বর বুধবার সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় হোয়াইটচাপল বি এন পি অফিসে তারেক রহমান এর রাজনীতিক জীবনী উপর আলোচনা সভার আযোজন করা হয়েছি , এতে সকলকে উপস্হিত থাকাতে অনুরোধ করা হচ্ছে ।

    তারেক রহমানকে নিয়ে লেখা বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন জুবাইদা

    বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর লেখা প্রথম মৌলিক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। তারেক রহমানের সহধর্মীনি ডা. জুবাইদা রহমান বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

    লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (ইউসিএল) থিয়েটার হলে বাংলাদেশ সময় সোমবার প্রথম প্রহরে ‘তারেক রহমান ও বাংলাদেশ’ নামক গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর, গবেষক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং বুদ্ধিজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

    নতুন বইয়ে তারেক রহমানের এই ‘উদার রাজনীতির মডেল’ উপস্থাপিত হয়েছে বলে জানানো হয়।

    বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের পর ‘বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ: তারেক রহমানের ভিশন’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা দেন অনুষ্ঠানের সমন্বয়কারী ইউসিএল-এর পোস্ট ডক্টরেট ফেলো ড. রুহুল আমিন খন্দকার। উপস্থিত দর্শক ও অতিথিদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন ‘তারেক রহমান ও বাংলাদেশ’ বইয়ের লেখক সাংবাদিক এম মাহাবুবুর রহমান।

    অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া বিশিষ্টজনরা বলেছেন, বাংলাদেশের রাজনীতিকে নতুনভাবে সাজাতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারেক রহমান। পরিবার, রাজনীতি ও পারিপার্শিক পূর্ব অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি ইতিবাচক বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন। উদার রাজনীতির মডেল নিয়ে তারেক রহমান দেশে ফিরবেন বলে অনুষ্ঠানে ঘোষণা দেয়া হয়।

    প্রকাশনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ডেমোক্রেটিক পলিসি ফোরাম বাংলাদেশ এবং ইউসিএল-এর একটি গবেষক টিম। গবেষণাধর্মী নতুন বইটি লিখেছেন রয়টার্সের সাংবাদিক এম মাহাবুবুর রহমান। বইয়ের ভূমিকা লিখেছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও জাতীয় অধ্যাপক ড. তালুকদার মনিরুজ্জামান। বইটি প্রকাশ করেছে নিউইয়র্ক বাংলা প্রকাশনী। প্রকাশক ডেমোক্রেটিক পলিসি ফোরাম বাংলাদেশ-এর নির্বাহী পরিচালক পারভেজ মল্লিক।

    বইয়ের প্রকাশক ও ডেমোক্রেটিক পলিসি ফোরাম, বাংলাদেশ-এর নির্বাহী পরিচালক পারভেজ মল্লিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন-কার্ডিফ ইউনিভার্সিটির সাবেক প্রফেসর ড. কেএমএ মালিক, রয়টার্সের সাসটেইনবিলিটি অ্যান্ড কর্পোরেট সিনিয়র ম্যানেজার রেচেল মোচলি, লন্ডনের কিলবার্ন অ্যান্ড হ্যাম্পস্টেডের কনজার্ভেটিভ অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান জিওভ্যান্নি স্পিনেলা, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সাবেক উপদেষ্টা এম মুখলিসুর রহমান চৌধুরী, ইমপেরিয়াল কলেজের মেডিসিন বিভাগের ফ্যাকাল্টি ড. মনজুর শওকত, বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পাদক মাহিদুর রহমান, যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এমএ মালিক, কার্ডিফ মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ডাটা সায়েন্সের ফ্যাকাল্টি ড. ইমতিয়াজ খান, সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমান, অক্সফোর্ড গ্রাজুয়েট ও রাজনীতিক সাইদ আল নোমান তুর্য প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ব্যারিস্টার গিয়াস উদ্দিন রিমন।

    অনুষ্ঠানের শুরুতেই তারেক রহমানের তৃণমূল রাজনীতির ওপর একটি ডকুমেন্টারি, বইয়ের ওপর রাজনীতিক ও পেশাজীবীদের শুভেচ্ছা ডকুমেন্টারি উপস্থাপন করা হয়।

    অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমানের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার এম এ সালাম, যুক্তরাজ্য বিএনপির উপদেষ্টা শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুছ, বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমেদ, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও বুদ্ধিজীবী মামনুন মোরশেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ড. কামরুল হাসান, বাংলাদেশ বিমানের সাবেক কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মইনুদ্দিন আহমেদ, মেজর অব. সিদ্দিক, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নসরুল্লাহ খান জুনায়েদ, সদস্য সচিব ব্যারিস্টার তারিক বিন আজিজ, বিএনপি নেতা এম লুতফুর রহমান, এডভোকেট তাহির রায়হান চৌধুরী পাভেল, নাসিম চৌধুরী, সাংবাদিক আতাউল্লাহ ফারুক প্রমুখ।

    মৌলিক এ গবেষণা গ্রন্থে তারেক রহমানের রাজনৈতিক রূপরেখা ও গতিপথের ওপর ১১টি অধ্যায় রয়েছে। শেষ অধ্যায়ে বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবীদের মূল্যায়নমূলক লেখা সংযোজন করে বইটিকে সমৃদ্ধ করা হয়েছে। বইয়ে গবেষণা টিমে ছিলেন মাহবুবা নাজরীনা জেবিন ও এফএম ফয়সাল।

    বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবীদের মধ্যে লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. এমাজউদ্দীন আহমেদ, প্রয়াত সাংবাদিক সিরাজুর রহমান, অর্থনীতিবিদি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক, ড. মাহবুবউল্লাহ, সাংবাদিক ডেভিড নিকলসন, জেমস স্মিথ, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল লতিফ মাসুম, কবি ও সাংবাদিক আবদুল হাই শিকদার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান, আইনজীবী এমএ সালাম, ব্লগার ও শিক্ষক একেএম ওয়াহিদুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোর্শেদ হাসান খান, ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (ইউসিএল) পোস্ট ডক্টোরাল ফেলো ড. মো. রুহুল আমিন খন্দকার, ইউনাইটেড নেশনস্ করেসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ও জাস্ট নিউজ সম্পাদক মুশফিকুল ফজল আনসারী, আমার দেশ-এর সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহকারি অধ্যাপক ড. এম মুজিবুর রহমান, সাংবাদিক ও লেখক মাহবুবা নাজরীনা জেবিন।

    অবৈধ অভিবাসী অভিযানে মালয়েশিয়ায় বহু বাংলাদেশি আটক

    মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসী আটকের লক্ষ্যে পরিচালিতো অভিযানে বাংলাদেশিসহ প্রায় চার শতাধিক অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন। জানা যায়, অভিযানে আটককৃতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশিরা ছিলেন। রাজধানী কুয়ালালামপুরের বুকিত বিনতাং’র জালান আলোতে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে দফায় দফায় রাত ৯টা পর্যন্ত অভিযান চলে। অভিযানটি পরিচালনা করেন দেশটির ইমিগ্রেশন, ডিবিকেএল, পুলিশ, জেনারেল অপারেশন সোর্স ও মালয়েশিয়ার কোম্পানি কমিশনের সমন্বয়ে কয়েকটি সংস্থার মোট ২৬৭ জন কর্মকর্তা। মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক সেরি মোস্তফার আলি জানিয়েছেন, আটককৃতরা বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, ভারত, ওমান ও অন্যান্য দেশের নাগরিক। যৌথ এ অভিযানের সময় ৪৪০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক দেখানো হয়েছে। এদের মধ্যে ৩৮৯ জন পুরুষ, ৪৭ জন নারী ও ৪ জন শিশু। আবারো পিছিয়ে যাচ্ছে মালেশিয়ায়কর্মী নিয়োগ শ্রমিকদের জন্য নিরাপত্তা ছাড়পত্র না পাওয়ায় আবারও সরকারিভাবে মালেশিয়ায় কর্মী নিয়োগ পিছিয়ে যাচ্ছে। একই কারণ দেখিয়ে মালেশিয়া সরকার ২৩৯ জনের একটি তালিকা ফেরত পাঠিয়েছে। জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো(বিএমইটি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর সত্যতা স্বীকার করেন খোদ বিএমইটির মহাপরিচালক শামছুন নাহার। তিনি জানান, ২৩৯ জনের তথ্যগত কিছু ভুল থাকায় তা ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে আমাদের প্রথম ফ্লাইট মালেশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করবে। সবশেষ গত ২৭ মার্চ ৩০০ জনের প্রথম ফ্লাইটটি আকাশে উড়ার কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। তখন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছিলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে এদের পাঠানো হবে। জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) পরিচালক ড. নূরুল ইসলাম জানান, সময় মতো ভিসা না আসায় প্রথম ফ্লাইটের কর্মীদের মালেশিয়া যাওয়া হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, মালেশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের কারণে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। লটারিতে চূড়ান্তভাবে বিজয়ী কর্মীদের থেকে সাত হাজার ৪২২ জনের সঠিক তথ্য সম্বলিত একটি তালিকা মালয়েশিয়া সরকারের নিকট পাঠানো হয়। ভিসা আসলেই তাদের চলে যাওয়ার কথা ছিল। পরে চূড়ান্ত লটারিতে বিজয়ী ১০ হাজার জনের তালিকা পাঠানোর কথা রয়েছে। গত ২৪ মার্চ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংসস্থান মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছিলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মালেশিয়ায় শ্রমিকরা যাবে। তথ্যে ভুল হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা মালয়েশিয়া মানবিকভাবে দেখেছে। শ্রমিকদের নাম, পিতার নাম, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, জন্ম তারিখ ইত্যাদি তথ্যে ভুল হয়েছে। তা সংশোধনের চেষ্টা চলছে।’ দীর্ঘ পাঁচ বছর বন্ধ থাকার পর গত বছর ২২ অক্টোবর সরকারি পর্যায়ে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর ব্যাপারে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি হয়। প্রথম ধাপে কৃষি খাতে ১০ হাজার শ্রমিক নেয়ার চাহিদাপত্র পাঠায় মালয়েশিয়া সরকার। সরকারিভাবে শ্রমিকদের মালয়েশিয়া যেতে জনপ্রতি মোট খরচ হবে ৪০ হাজার টাকা।

    সৌদিতে ৩ দিনে ২৪ হাজার অবৈধ প্রবাসী গ্রেপ্তার

    অভিবাসী ও শ্রমিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সৌদি আরবে তিন দিনে প্রায় ২৪ হাজার প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) এ খবর জানায়।

    এসপিএর বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেট জানায়, ১৫ হাজার ৭০২ জনকে অভিবাসী আইনে, তিন হাজার ৮৮৩ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইনে ও চার হাজার ৩৫৩ জনকে শ্রমিক আইনে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এরা কোন দেশের নাগরিক, তা বলা হয়নি।

    ২৪ হাজার জনের মধ্যে ৪২ শতাংশ মক্কা থেকে, ১৯ শতাংশ রিয়াদ, ১১ শতাংশ আসির, ৬ শতাংশ জাজান ও ৫ শতাংশ দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলো থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া আরো ৩৯৪ জনকে অবৈধভাবে সীমান্ত পার হয়ে সৌদিতে প্রবেশের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আট হাজার ৪৩৩ জনকে সৌদি আরবের প্রবাসী দপ্তরে রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে সাত হাজার ৪৯১ জন পুরুষ ও ৯৪২ জন নারী রয়েছে।

    এদিকে, অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশে সহায়তা করার অভিযোগে ২৫ সৌদি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    যুক্তরাজ্য যুবদলের নতুন কমিটি গঠন : রহিম উদ্দিন সভাপতি আফজাল হোসেন সাধারণ সম্পাদক

    দীর্ঘদিন ১৪ মাস পর আবারো যুক্তরাজ্য যুবদলের ২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি হয়েছেন রহিম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আফজাল হোসেন। এই কমিটিকে আগামী ৩০দিনের ভেতরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নিদের্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় যুবদল।
    এর আগে ২০১৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্য যুবদলের তিন সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচিত কমিটি বাতিল করে কেন্দ্রীয় কমিটি। এর আগে গত ১৭ই নভেম্বর ২০১৫ সালে পূর্ব লন্ডনের আমানা সেন্টারে সম্মেলন ও কাউন্সিলের মাধ্যমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর প্রায় এক বছর অতিবাহিত হবার পরেও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, মারামারি এবং কোন্দলের কারণে পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ওই কমিটি বাতিল করা হয়।

    এদিকে আজ ১৬ই নভেম্বর বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় যুবদলের দফতরের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় নেতা কামরুজ্জামান দুলাল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিদেশ ক্রমে রহিম উদ্দিনকে সভাপতি এবং আফজাল হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল যুক্তরাজ্য শাখার কমিটি অনুমোদন করেছে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি।

    যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরব ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু কমিটির অনুমোদন করে নতুন নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তাদের সাফল্য কামনা করে বলেন, যুক্তরাজ্য যুবদলের নতুন নেতৃত্ব আগামী দিনে আন্দোলন সংগ্রামে জাতির প্রত্যাশা পূরনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। নেতৃদ্বয় আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে কেন্দ্র থেকে অনুমোদন নেওয়ারজন্য নবগঠিত যুবদল যুক্তরাজ্য কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে নিদের্শ দেওয়া হয়।

    আওয়ামী লীগ কখনোই সুষ্ঠূ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেনি- লন্ডনে তারেক রহমান

    বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারপার্সন তারেক রহমান বলেছেন বাংলাদেশে কখনোই কোনো সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসতে পারেনি। প্রতিবারেই ভোট কারচুপি, ব্যালট বাক্স ছিনতাই কিংবা সন্ত্রাস বা ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিতে হয়েছে। কিন্তু দেশে যখনি জনগণ স্বাধীন ও সুষ্ঠুভাবে ভোটে দেয়ার সুযোগ পেয়েছে প্রতিবারই বিএনপি জয়ী হয়েছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনও যদি অবাধ সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হতে পারে জনগণের ভোটে বিএনপি জয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে ইনশাআল্লাহ। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর ) লন্ডনে যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। পূর্ব লন্ডনের দ্য রয়্যাল রিজেন্সি হোটেলে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক। সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমেদের পরিচালনায় সবাই আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান, ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম এবং মেজর (অব:) আবু বকর সিদ্দিকসহ অনেকে।

    প্রায় একঘন্টা ১০ মিনিটের বক্তব্যে তারেক রহমান আওয়ামী লীগের ভোটচুরির ইতিহাস, আগামি জাতীয় নির্বাচন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, শোয়া এককোটির বেশি নতুন ভোটার, আওয়ামী লীগের দুর্নীতি ও টাকা পাচার এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সরকারের হয়রানিমূলক মামলা ও হয়রানিসহ নানা ইস্যুতে কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, ২০০০ সালে দেশের সর্বোচ্চ আদালত শেখ হাসিনাকে বলেছে রং হেডেড আর ২০১৭ সালে দেশে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে প্রমাণিত শেখ হাসিনার সরকার অবৈধ। জনগণ এতদিন বলে এসেছে বর্তমান সরকার অবৈধ এবং তাদের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক নেই, ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ে জনমতের আইনগত ভিত্তি পেয়েছে।

    প্রধান নির্বাচন কমিশন বলেছেন জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন, এই মন্তব্যের সূত্র ধরে তারেক রহমান বলেন কথা দিয়ে নিরপেক্ষ হওয়ার চেষ্টার পরিবর্তে কাজ দিয়ে নিরপেক্ষ হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ছয় মাস, এক বছর কিংবা আরো কয়দিন পর যখনি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সেটি হতে হবে অবাধ সুষ্ঠু পরিবেশে,সহায়ক সরকারের অধীনে। তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে যে কয়টি নির্বাচন স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হয়েছে সকল নির্বাচনেই জনগণের রায়ে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। দলমত নির্বিশেষে সবার কাছে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ছিল ১৯৯০ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচন । সেই নির্বাচনেও জয়ী হয়েছে বিএনপি।

    তারেক রহমান বলেন আগামীতে যখনই নির্বাচন হবে সেই নির্বাচন আওয়ামী লীগ এবং তাদের নেতৃত্বাধীন জোটের কাছে দূর্নীতি আর লুটপাটের টাকা রক্ষার নির্বাচন। আর বিএনপির কাছে সেটি গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্ভভৌমত্ব সংহত করার নির্বাচন।

    তারেক রহমান বলেন, শেখ মুজিব থেকে শেখ হাসিনা সব আমলেই প্রমাণিত হয়েছে , আওয়ামী লীগ কখনোই বাংলাদেশে কোনো সুষ্ঠূ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে পারেনি কিংবা কোনো নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে পারেনি। ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ সারাদেশে অনুষ্ঠিত ৩০০ আসনের প্রথম পার্লামেন্ট নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৯৩ টি আসনে নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা করে।

    সভায় তারেক রহমান সেই সময়কার পত্রপত্রিকা থেকে ওই নির্বাচনে নানা অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে বলেন, তখন প্রধান বিরোধী দল ছিল জাসদ। তারা পেয়েছিলো একটি আসন। পরদিন জাসদ নির্বাচনে কারচুপি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে। ওই সংবাদ সম্মেলনে জাসদ অভিযোগ করেছিল, “নির্বাচনের দিন গণভবনেই নির্বাচনী কন্ট্রোলরুম স্থাপিত হয়েছিল এবং স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিব নির্বাচনের ফলাফল নিয়ন্ত্রণ করেছেন। বিরোধী দলের প্রার্থীরা যখন ভোট গননায় এগিয়ে যাচ্ছিলেন তখন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই অকস্মাৎ বেতার টেলিভিশনে এই সকল কেন্দ্রের ফলাফল প্রচার বন্ধ করে দেয়া হয় এবং সন্দেহজনকভাবে দীর্ঘ সময় পর নিজেদের পছন্দসই ভোটের সংখ্যা প্রকাশ করে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। তারেক রহমান বললেন, নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ শেখ মুজিবের বিরুদ্ধেও ছিল. আওয়ামী লীগের ভোট জালিয়াতির স্বভাব এখনো পাল্টায়নি।

    তারেক রহমান অভিযোগ করে বলেন, ৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের আগেও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করে, প্রশাসনের সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যবহার করে তথকথিত “জনতার মঞ্চ” বানিয়ে চারদিকে একটি ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। এভাবে এক অরাজক পরিস্থিতির মধ্যে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে তারা ক্ষমতা দখল করে।

    ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় আসার প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ২০০৮ সালের কথিত ওয়ান ইলেভেন ছিল একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের ফল। সেই ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ২০০৯ সালে ক্ষমতায় দখল করে আওয়ামী লীগ।

    তারেক রহমান বলেন, ক্ষমতায় আসার জন্য ওয়ান ইলেভেন ছিল একটি ষড়যন্ত্রের ফল এর প্রমান মেলে সম্প্রতি প্রকাশিত ভারতের সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির লেখা একটি বইতে। “দ্যা কোয়ালিশন ইয়ার্স, ১৯৯৬-২০১২” . বইতে তিনি লিখেন …”২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান মঈন ইউ আহমেদ ছয় দিনের সফরে ভারত এলেন.. তিনি আমার সাথেও সাক্ষাত করলেন …..জেনারেল মইন ভয় পাচ্ছিলেন যে, শেখ হাসিনা বের হয়ে আসার পর মইনকে চকিরিচ্যুত করতে পারেন । কিন্তু আমি ব্যক্তিগত দায়িত্ব নিই এবং শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এলেও তার চাকরিতে বহাল থাকার ব্যাপারে তাকে আশ্বস্ত করি।

    তারেক রহমান বলেন এই বক্তব্যে প্রাণ হয়, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসবেন এটা জেনারেল মঈন এবং প্রণব মুখার্জি তারা আগে থেকেই জানতেন। তারেক রহমান বলেন, সেনাবাহিনী দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রতীক। বইয়ের এই বক্তব্য ভারতের জনগণের জন্য কৃতিত্বের মনে হলেও স্বাধীন বাংলাদেশের জনগণের জন্য অত্যন্ত লজ্জার। দেশের জনগণ বিশ্বাস করে শেখ হাসিনার শক্তি বাংলাদেশের জনগণ নয়, তার শক্তি অন্যকোথাও, অন্য কোনোখানে। গণতন্ত্রে নয়,শেখ হাসিনার বিশ্বাস ষড়যন্ত্রে, মন্তব্য করেন তারেক রহমান।

    তারেক রহমান বলেন, আগামীতে জাতীয় নির্বাচন হলে প্রায় সোয়া এক কোটি নতুন ভোটার ভোটে দেবে। তিনি নতুন ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আপনারা যাতে আপনাদের ভোটাধিকার সুষ্ঠু সুন্দর ও নির্ভয়ে প্রয়োগ করতে পারেন তেমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে আন্দোলন চলছে। আপনারা যাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্ভয়ে নিজের ভোট নিজে দিতে পারেন সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।

    তারেক রহমান বলেন, নিয়মানুযায়ী এ বছরই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ফলে নির্বাচনকে সামনে রেখে আগেই নিজেদের নিরাপদ করতে আওয়ামী লুটেরা চক্র বিদেশে টাকা পাচার বাড়িয়ে দিতে পারে।তারেক রহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি, জিএফআই সম্প্রতি প্রকাশিত একটি রিপোর্টে বলেছে, গত দশ বছরে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে ৬ লাখ কোটি টাকা । তারেক রহমান বিশেষ করে দেশ প্রেমিক প্রবাসী বাংলাদেশীদেরকে দেশ থেকে বিদেশে টাকা পাচারকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, কেউ যাতে টাকা পাচার করতে না পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকে ডাকাতির সঙ্গে জড়িতরা, টাকা পাচারকারীরা কে কোন দেশে কি করছে সে দিকে দৃষ্টি রাখার আহবান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জনগনে পাচার হওয়া টাকা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেবে। তিনি বলেন, সম্প্রতি শেখ হাসিনা আমেরিকায় গিয়ে কিছুদিনের জন্য একটি বিলাসবহুল বাড়িতে ছিলেন। সেই প্রাসাদের দাম নিয়েও নানারকমের খবর বেরিয়েছে।

    বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মামলা সম্পর্কে সরকারের তাড়াহুড়োর ব্যাপারে মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, বর্তমানে দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৩১ লাখেরও বেশি। লক্ষ লক্ষ মামলা রেখে খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে সরকারের এতো বেশি আগ্রহ কারণ কি? তিনি বলেন, তারপরও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বারবার আদালতের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আদালতে হাজির হয়েছেন। লন্ডন থেকে দেশে ফিরেও পরদিনই আদালতে গিয়েছেন। আদালতকে সম্মান দেখিয়ে খালেদা জিয়া যথানিয়মে আদালতে যাচ্ছেন এখন সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে আদালত নিজেই বিচার বিভাগের মর্যাদা ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখতে পারে কিনা এটি আদালতকেই প্রমান করতে হবে।

    তারেক রহমান বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া চিকিৎসা শেষে লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর তাকে স্বাগত যাতে বিমানবন্দরে কিংবা মায়ামনমার থেকে জীবন ভয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের দেখতে কক্সবাজার আসা যাওয়ার পথে লাখো লাখো জনগণের উপস্থিতি প্রমান করে বাংলাদেশে বিএনপিই এখন জনগণের কাছে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল।

    বিএনপির বিরুদ্ধে লাগাতার কুৎসা রটনাকারী একদল সাংবাদিক নামধারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারেক রহমান বলেন, যে সমস্ত গনমাধ্যম কিংবা সাংবাদিক বিএনপির বিরুদ্ধে দিনের পর দিন মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমুলক অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন তা থেকে বিরত থাকুন। অন্যথায় জনগণ আপনাদেরকে নিম্নশ্রেণীর মানুষ হিসেবেই বিবেচনা করবে।

    তারেক রহমান বলেন, বছরে পর বছর ধরে দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীদের উপর সীমাহীন জুলুম নির্যাতন নীপিড়ন চলছে, হামলা মামলা হয়েছে, হচ্ছে, অনেক নেতা কর্মী গুম খুন হয়েছেন। তারপর বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের পরাস্ত করতে পারেনি সরকার । বিভ্রান্ত করতে পারেনি। ফলে ষড়যন্ত্রকারীরা এখন চেষ্টা করবে ঐক্য বিনষ্ট করার। তারেক রহমান বলেন, কুচক্রিমহল জাতীয়তাবাদী শক্তির ঐক্য বিনষ্ট করতে নানারকম সন্দেহ সংশয় ছড়ানোর চেষ্টা করছে। কোনো সংশয়ে কিংবা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে একমাত্র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আহ্বানের মেনে চলার জন্য দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি তিনি আহবান জানান।

    তারেক রহমান বলেন, দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী শক্তি যারা একটি সুসংহত সমৃদ্ধ স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ দেখতে চায় তাদের জন্য জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি গুরুত্ববহ দিন। ক্ষমতা দখল পাল্টা দখলের খেলায় আওয়ামী লীগের বিবদমান গ্রূপ এবং সে সময়কার জাসদ তথা গণবাহিনীর মধ্যে দ্বন্ধ সন্ত্রাসে ১৯৭৫ সালের নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে এক অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সেই অরাজক পরিস্থিতিতে
    ৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশের জনগন দ্বিতীয়বারের মতো শুনতে পেলো একটি কণ্ঠ, আমি জিয়া বলছি। এর আগেও ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতকামী জনগন এই সাহসী কন্ঠ শুনেছিলো। ৭ মার্চ তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্ব স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে ব্যর্থ হয়েছিল সফল হয়েছিলেন জিয়া।
    তারেক রহমান বলেন, এখন নানাভাবে জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া কিংবা জিয়া পরিবারের ইমেজ বিনষ্ট করতে নানাভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। অপপ্রচার চালিয়ে নতুন প্রজন্মের কিছু অংশকে কিছুদিনের জন্য কিছু সময়ের জন্য হয়তো বিভ্রান্ত করা যাবে, কিন্তু ইতিহাসের সত্যকে চিরদিনের জন্য চাপা দিয়ে রাখা যাবেনা। তিনি বলেন, র্যাব পুলিশের বন্দুক কিংবা হামলা মামলা করে বা আদালতের রায় নিয়ে জিয়াউর রহমানকে চাপিয়ে দেয়া হয়নি বরং তিনি জনগণের হৃদয়ে আসন করে নিয়েছেন নিজের বিচক্ষণতা ও কর্মের মধ্য দিয়ে।

    তারেক রহমান প্রশ্ন করেন, ১৯৭৫ সালের ২রা নভেম্বর দিবাগত রাতে তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে অবৈধভাবে ক্যান্টনমেন্টে বন্দী করে নিজেকে সামরিক বাহিনী প্রধান ঘোষণা করেন ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররাফ। ক্ষমতার দ্বন্দে তার সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়ে জাসদ তথা গণবাহিনী। সিপাহী জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবে এ সকল অপশক্তি পরাজিত হয়েছে ৭ নভেম্বর। তিনি প্রশ্ন করেন , এই সকল অপশক্তি এখন কেমন করে আওয়ামী লীগের সঙ্গে একজোট হয়? তারেক রহমান বলেন, এটি প্রমান করে, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন এই চক্রটির কোনো আদর্শ নেই। তাদের আদর্শ যে কোনো উপায়ে ক্ষমতা দখল করা।

    বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ : যুক্তরাজ্য বিএনপি

    বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন যুক্তরাজ্য বিএনপি। গতকাল ৩০ অক্টোবর পূর্ব লন্ডনে যুক্তরাজ্য বিএনপির কার্যালয়ে যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমেদের পরিচালনায় অনুস্টিত প্রতিবাদ সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল হামিদ চৌধুরী, সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান মুজিব, যুক্তরাজ্য বিএনপির উপদেষ্টা আলহাজ্ব তৈমুছ আলী, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহসভাপতি এম লুতফুর রহমান, মোঃ গোলাম রাব্বানি, গোলাম রাব্বানি সোহেল, যুগ্মসম্পাদক শহিদুল ইসলাম মামুন, কামাল উদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শামিম আহমেদ, সিনিয়র সদস্য আশরাফুল ইসলাম হীরা, মিছবাউজ্জামান সোহেল, লন্ডন মহানগর বিএনপির সভাপতি তাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবেদ রাজা, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আবু নাসের শেখ, সহ-দপ্তর সম্পাদক সেলিম আহমেদ, সহ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সরফরাজ আহমেদ সরফু, সদস্য কামাল চৌধুরী, এ জে লিমন,হাবিবুর রহমান হাবিব, পেশাজীবী পরিষদের আন্তর্জাতিক বিসয়ক সম্পাদক এম এ জলিল খান, ইস্ট লন্ডন বিএনপির সভাপতি ফখরুল ইসলাম বাদল, নিউহাম বিএনপির সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, এনফিল্ড বিএনপির সভাপতি হেলাল উদ্দিন, লন্ডন নর্থ ওয়েস্ট বিএনপির সভাপতি হাজী মোঃ সেলিম, বিএনপি নেতা মাওলানা শামিম আহমেদ, নাজমুল হোসেন চৌধুরী, লন্ডন মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আব্দুর রব, যুগ্ম সম্পাদক ফয়ছল আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ চৌধুরী, আইনজীবী ফোরামের সভাপতি ব্যারিস্টার আবুল মন্সুর শাহজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আবুল হাসনাত, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নাসির আহমেদ শাহিন, সিনিয়র সহসভাপতি মিসবাহ বি এস চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এনামুল হক লিটন, জাসাস সভাপতি এমাদুর রহমান এমাদ, সাধারণ সম্পাদক তাজবির চৌধুরী শিমুল, যুগ্ম-সম্পাদক হাবিবুর রহমান, মহিলা দলের সদস্য সচিব অঞ্জনা আলম, যুবদলের সাবেক সভাপতি রহিম উদ্দিন, যুবদলনেতা আব্দুল হক রাজ, আফজাল হোসেন, দেওয়ান আব্দুল বাসিত, আক্তার হসেন শাহিন, সুরমান খান, বাবর চৌধুরী, শাহজাহান আলম, নুরুল আলী রিপন, আবুল খয়ের, ডাক্তার মন্সুর আহমেদ, শাহেদ আহমেদ, মোজাহিদ আলী সুমন, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক এ জে শিমু, আজিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান ।
    সভাপতির বক্তবে এম এ মালিক বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে সরকারের সাজানো মসনদে ভূমিকম্প শুরু হয়েছে।বিএনপির গণজোয়ার দেখে সরকার দিশেহারা হয়ে বেগম খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরের উপর আওয়ামী বাকশালি সন্ত্রাসী বাহিনীদের লেলিয়ে দিয়েছে । দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরকারের হুমকিতে কখনো ভীত নয়। তাই আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সকল বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়ে সহমর্মিতা জানিয়েছেন। এম এ মালিক এই বর্বর হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং আহত বিএনপির নেতাকর্মী ও সাংবাদিকদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে ।

    সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমেদ বলেন, অবৈধ সরকার শত বাধাবিপত্তি সৃষ্টি করেও বিএনপির অগ্রযাত্রাকে দাবিয়ে রাখতে পারবে না। বিএনপি হলো দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। দেশনেত্রী বেগম খালাদা জিয়ার গাড়ি বহরের উপর সন্ত্রাসী হামলারকারীদের পরিচয় ছবিসহ দেশের বিভিন্ন পত্রিকায় এসেছে । তিনি অভিলম্বে হামলাকারী সন্ত্রাসিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করেন ।

    সভায় বক্তারা, বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, অভিলম্বে হামলাকারী সন্ত্রাসিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি না দিলে যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতাকর্মীরা তার দাঁতভাঙ্গা জবাব দিবে। তারা বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সর্বপ্রথম নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার দাবী জানিয়েছিলেন। আর আওয়ামী বাকশালিরা তাদের দোসরদের সাথে সুরমিলিয়ে এই নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের নিজ আবাসস্থল থেকে বিতাড়নের পক্ষ অবস্থান নিয়েছিল। অবৈধ সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারনে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সম্পূর্ণ ভাবে ব্যর্থ হচ্ছে। সভায় বক্তারা বলেন, আওয়ামী বাকশালিদের সন্ত্রাসী হামলার দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতাকর্মীরা সর্বদা প্রস্তুত।

    অন্যান্যর মধ্যে প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল জব্বার মিয়া শেখ ইস্তাব উদ্দিন আহমেদ, লন্ডন মহানগর বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক তুহিন মোল্লা, দপ্তর সম্পাদক, নজরুল ইসলাম মাসুক, মোঃ আবু তাহের, সৈয়দ আতাউর রহমান, আরিফুল হক, মাসুদ আহমেদ, আহসানুল আম্বিয়া শোভন, দুদু মিয়া শিকদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি আতাউর রহমান মিফতা, শাহ জামাল, জাহিদুর রহমান জাহিদ, সাইফুল ইসলাম মিরাজ, ইমতিয়াজ এনাম তানিম, যুবদল নেতা মোঃ মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া, মোশারফ হোসেন, সুয়েদুল হাসান, সাকিল আহমেদ, মনির আহমেদ, রেজাউল করিম, শহীদ আহমেদ চৌধুরী, ইক্রামুল হক রাসেল, সৈয়দ তায়েফুর রহমান, রাহেল আহমেদ, মোঃ ফরিদ উল্লাহ মুন্সি, সৈয়দ সায়েকুল হক, হারুনুর রশিদ, মন্সুর হোসেন, কাওসার আহমেদ, মোস্তাফিজুল করিম, রিয়াদ বিন হামিদ, ওমর মাসুদ, শাহদাত হোসেন দিপু, মাসুম আহমেদ, আনোয়ার পারভেজ তালুকদার, আলিফ মিয়া, ফজলে রহমান পিনাক, আহমেদ নুরুল পাশা প্রমুখ ।

    সৌদিতে বেকার হাজার হাজার বাংলাদেশি

    ঝিনাইদহের মাহফুজ। সৌদি গেছেন সাড়ে ৬ মাস আগে। ‘আমেলে মনজিল’ নামে একটি ভিসা দিয়ে তাকে ওই দেশে পাঠানো হয়েছে। এ ভিসার পরিধি হচ্ছে, নির্দিষ্ট মালিকের অধীনে বাসাবাড়ির কাজ। কিন্তু তিনি যে মালিকের অধীনে কাজে গেছেন
    আজ পর্যন্ত সেই মালিকেরই দেখা পাননি। যারা তাকে নিয়ে গেছে তারাও মালিকের সঙ্গে দেখা করিয়ে দেননি। তবে সংশ্লিষ্ট সৌদি মালিক জানেন তার বাসায় কাজ করতে একজন বাংলাদেশি এসেছেন। কিন্তু ওই জানা পর্যন্তই শেষ। তিনি তাকে কাজে নিতে চান না। অজুহাত দেখান, তার কাজের লোকের দরকার নেই। তাই বেতনও দিতে পারবেন না। উল্টো আকামা করে দেয়া বাবদ প্রতিবছর তাকে একটি নির্দিষ্ট হারে টাকা দিতে হবে। এই টাকার পরিমাণ ৩০ হাজার থেকে ৮০ হাজার পর্যন্ত। ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে তাকে অন্য কোথাও কাজ ম্যানেজ করতে হচ্ছে। যদিও বাসাবাড়ির বাইরে এ ভিসায় অন্য কোথাও কাজ করার সুযোগ নেই। এদিকে কয়েক জায়গায় কাজ জুটালেও বেতন মেলেনি মাহফুজের। ফলে এক দুুর্বিষহ সময় পার করছেন তিনি। বেঁচে থাকার তাগিদে তাই মাঝেমধ্যে দেশে থাকা পরিবারের কাছ থেকে টাকা নিতে হয়। শুধু মাহফুজ নয়, এমন অবস্থা সৌদি আরবে কাজের সন্ধানে যাওয়া হাজার হাজার বাংলাদেশির।
    মাহফুজ জানান, সাড়ে ৬ মাস আগে রাতুল ট্রেডিং ওভারসিজ নামে একটি রিক্রটিং এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরব গেছেন। তাকে পাঠানো হয়েছে দেশটির নাজরানা এলাকায়। একই কোম্পানির মাধ্যমে তারা একসঙ্গে গেছেন ২০০ জন। যাদের বেশিরভাগই গেছেন ‘আমেলে মনজিল’ ভিসায়। তার ভাষ্যমতে তাদের সকলের ভাগ্যেই একই ঘটনা ঘটেছে। এ ভিসায় গিয়ে কাজ না পাওয়া বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি কর্মী জানান, নির্দিষ্ট এই ভিসার কারণে বাসাবাড়ির বাইরে তাদের কাজ করার সুযোগ নেই। ফলে তাদেরকে অন্য কোথাও কাজ করতে দেখলে পুলিশ ধরে দেশে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু অনেকে ভিটেমাটি বিক্রি করে আসায় কষ্ট হলেও পালিয়ে বেড়ায়। পুলিশের কাছে ধরা দিতে চায় না। তারা আরো জানায়, এই ভিসায় তাদের যে এলাকায় পাঠানো হয়, সে এলাকার বাইরে গিয়ে নিজ ইচ্ছায় কাজ করারও সুযোগ নেই। কেবল সংশ্লিষ্ট মালিক অনুমতি দিলেই যেতে পারেন। তবে মালিকরা এমন অনুমতি দেন না। এছাড়া ফ্রি ভিসার নামে গিয়েও হাজার হাজার কর্মী কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। তারা আরো বলেন, ‘আমেলে মনজিল’ ভিসায় গিয়ে সংশ্লিষ্ট মালিকের বাসায় কাজ তো পাওয়াই যায় না, উল্টো প্রতিবছর তাদের নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিতে হবে। তাদের দাবি, এই ভিসায় আসা ৩-৪ লাখ বাংলাদেশি কাজ না পেয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। তবে তাদের এই দাবির সত্যতা যাচাই করা যায়নি। কর্মহীন বাংলাদেশিরা বলেন, ‘আমেলে মনজিল’ ভিসায় এসে শতকরা ৯৯ ভাগ মানুষ কাজ পায় না। মাহফুজ বলেন, তিনি যে এলাকায় আছেন, সে এলাকায় ৩০০-৪০০ লোক বেকার। কাজ না থাকায় কয়েকবার বাড়ি থেকে টাকা এনেও বাসাভাড়া এবং খাওয়া খরচ চালিয়েছেন। বর্তমানে লুকিয়ে নাজরানা থেকে রিয়াদে গিয়ে একটি কোম্পানিতে গোপনে কাজ শুরু করেছেন। তবে বেতন পাবেন কিনা তার নিশ্চয়তা নেই। তার ভাষ্য, আগে থেকে যারা কাজ করতো তাদেরও অনেকেই ইতিমধ্যে কর্মহীন হয়ে পড়েছে।
    মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার কানাইনগর গ্রামের আলমগীর হোসেনও ৬ মাস আগে কাজ নিয়ে গেছেন রিয়াদের মেসার্স মাযায়া আল দোহা কনস্ট্রাকশন নামে একটি কোম্পানিতে। এরপর কোম্পানি তাকে জেদ্দার সাফারি ক্যাম্পে পাঠায়। সেখানে ৫ মাস কাজ করার পরও বেতন দেয়নি। এমনকি খাওয়াও দিতো না ঠিকমতো। একপর্যায়ে পালিয়ে তার এলাকার এক প্রবাসীর কাছে গিয়ে ওঠেন। ওই প্রবাসী তাকে থাকার ব্যবস্থা করে দেন। আলমগীর জানান, কোনো কাজ নেই। কিন্তু দেশেও ফিরতে পারছি না। কারণ যে ৬ লাখ টাকা খরচ করে এসেছি তার পুরোটাই ঋণের। এখন যদি বাড়ি যাই, তাহলে তার ওপর চাপ আরো বাড়বে। কিভাবে চলছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিদিন সন্ধ্যার দিকে বালতি হাতে করে রাস্তায় দাঁড়ায়। যদি একটি গাড়ি ধুতে পারি তাহলে কিছু আয় হয়। কিন্তু সবদিন হয়ও না। ফলে কোনোরকম চলছি। তার মতো শত শত বাংলাদেশির একই অবস্থা বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এদিকে রিয়াদে মেসার্স মাযায়া আল দোহা কোম্পানির সোলায় ক্যাম্পে থাকা একজন বাংলাদেশি জানান, বর্তমানে সেখানে ৩ শতাধিক বাংলাদেশি কাজ না পেয়ে ক্যাম্পে বেকার দিন কাটাচ্ছে। তাদেরকে এক বেলা খাবার দেয়া হচ্ছে। এর আগে গত ২৭শে জুলাই রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলরের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল (শ্রম উইং) জানান, রিয়াদের মেসার্স মাযায়া আল দোহা কনস্ট্রাকশন কোম্পানির পাঠানো ১৮২ জন কর্মী জেদ্দার আল-সাফারি ক্যাম্প, মোহাত্তা রহমানিয়ার নিকটবর্তী এলাকায় ইকামা ও কর্মহীন জীবনযাপন করছে। ওই চিঠিতে জানানো হয়, গত সাড়ে চার মাস আগে তারা সৌদি আরবে আসেন। দেড়মাস রিয়াদে কর্ম ও বেতনবিহীন অবস্থানের পর তাদেরকে জেদ্দাস্থ একটি কোম্পানিতে কাজ দেয়া হয়। কিছুদিন কাজ করার পর আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে তাদের কাজের কোনো ব্যবস্থা নেই। সৌদি আরব আগমনের পর থেকে এ পর্যন্ত তারা কোনো বেতন পাননি। চিঠিতে আরো বলা হয়, এইসব কর্মীরা বাংলাদেশের রিক্রুটিং এজেন্সি মেসার্স আল বশির লিমিটেড, মেসার্স সেন্ডার ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, মেসার্স ইস্টল্যান্ড নেটওয়ার্ক, মেসার্স জাহরাত এসোসিয়েটস সহ আরো কয়েকটি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরব গমন করেন। এদিকে সম্প্রতি সৌদি আরব থেকে ফিরে আসা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, দেশটিতে ফ্রি ভিসার নামে যারা গেছেন, তাদের প্রায় সবাই বেকার অবস্থায় দিন পার করছেন। এছাড়া আর্থিক মন্দার কারণে বিভিন্ন কোম্পানি থেকেও তাদের ছাঁটাই করা হচ্ছে। এদিকে কর্মহীন কর্মীদের বেশ কয়েকজন জানান, বাংলাদেশের গ্যালাক্সি ট্রাভেলস্‌, আমান এন্টারপ্রাইজ, আইডিএল এন্টারপ্রাইজ, জাহার এন্টারপ্রাইজ সহ বেশকিছু রিক্রুটিং এজেন্সি সম্প্রতি যেসব কর্মী পাঠিয়েছেন তাদের অনেকেই বেকার জীবনযাপন করছেন। অনেকে সেখানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ ব্যাপারে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আজহারুল হক বলেন, ফ্রি ভিসার কারণে সেখানে বেকার বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়েছে। তিনি বলেন, প্রকৃতপক্ষে ফ্রি ভিসা নামে কোনো ভিসা নেই। ফ্রি ভিসার নামে যে ভিসা দেয়া হয় তাতে নির্দিষ্ট কোনো ক্ষেত্র বা কোম্পানিতে কাজের উল্লেখ থাকে না। ফলে অনেকে এ বিষয়টি না বুঝে সেদেশে গিয়ে বিপাকে পড়েন। এজন্য আমরা ক্যাম্পেইন করছি। কেউ ডিমান্ড আনলে সেটা সঠিক কিনা তা যাচাই করার জন্য দূতাবাসের দ্বারা সত্যয়ন করার প্রক্রিয়াও চালু করা হয়েছে। এতে করে জানা যাবে, যেখানে কর্মী পাঠানো হচ্ছে সেখানে আদৌ কাজ আছে কিনা।

    সুইজারল্যান্ডে তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    সুইজারল্যান্ডে বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এই সফরকে ঘিরে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে ইউরোপ বিএনপি হাজার হাজার নেতাকর্মীরা সকাল থেকে নির্ধারিত কনফারেন্স হলের সামনে অবস্থান নিয়ে শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন। এ সময় কালো পতাকা হাতে নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা স্লোগান দিতে থাকেন।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সুইজারল্যান্ডের এই চিত্র দেখা গেছে। বিক্ষোভের মধ্যেই সুইজারল্যান্ডে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামে সুইজারল্যান্ড ডাভসে শেখ হাসিনার অংশ গ্রহণের প্রতিবাদে ইউরোপ বিএনপি ও যুক্তরাজ্য বিএনপি সুইজারল্যান্ড কনফারেন্স হলের সামনে শেখ হাসিনাকে কালো পতাকা প্রদর্শন করে। নেতাকর্মীরা স্লোগান, ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন।

    বিক্ষোভে সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে প্রচন্ড ঠান্ডা ও বরফ ডাকা শহরে আজ ইউরোপ বিএনপির ব্যাপক বিক্ষোভ সমাবেশে যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি আব্দুল মালেকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল যোগ দেয়। বিক্ষোভ সমাবেশ উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার এম এ সালাম,বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকন,যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন,যুক্তরাজ্য বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খছরুজ্জামান খছরু, যুবদলের সাবেক সভাপতি আব্দুর রহিম,যুক্তরাজ্য জাসাস সভাপতি এম এ সালাম,যুক্তরাজ্য জাসাস সহ সভাপতি তরিকুল রশিদ চৌধুরী শওকত, যুক্তরাজ্য জাসাস সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন,ইমদাদুর রহমান রাহাত ,যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দল সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন,ডালিয়া লাকুরিয়া প্রমুখ।

    বিক্ষোভ সমাবেশে যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতারা তাদের বক্তব্যে বলেন, শেখ হাসিনা ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামে অংশ নেওয়ার নামে দেশের সাধারণ জনগনকে অশান্তিতে রেখে দেশের টাকা অপচয় করে নিয়মিতভাবে দেশে দেশে ভ্রমণ করছেন ।

    শেখ হাসিনার অবৈধ সরকারের দুঃশাসন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা এখন বিশ্বে সুপরিচিত। অথচ নির্লজ্জের মতো যে ইউরোপ আমেরিকা তাকে ও তার দলকে প্রত্যাখ্যান করেছে সেখানেও তিনি ভ্রমণ করতে আসেন। সঙ্ড়ে নিয়ে আসেন শত শত আওয়ামী দালাল। এখন সময় শেখ হাসিনা ও তার সরকারকে প্রতিরোধ করার। দেশ শাসনের নামে দুঃশাসন ও বাকশাল প্রতিরোধ করার তারা ঘোষণা দেন।