• ?????: রকমারি সংবাদ.

    ৩৫ লাখ টাকার মোবাইল

    চারপাশ স্বর্ণে মোড়ানো। স্ক্রিনটি নীলকান্তমণির। কিপ্যাডে রয়েছে ৪ দশমিক ৭৫ ক্যারটের রুবি পাথর। পুরো কাঠামো উত্তর ইউরোপের বিশেষ হার্ডকাট চামড়া ও প্ল্যাটিনাম ধাতুর মিশেল। এটি একটি মোবাইল ফোন সেট। দাম প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।
    এতো দামি উপাদানে তৈরি যেই মোবাইল ফোন সেট, তাতে নেই কোনো ক্যামেরা। মাইক্রো
    এসডি মেমোরি কার্ড ব্যবহার করে বাড়ানো যায় না ইন্টারনাল স্টোরেজ। নকিয়া ব্র্যান্ডের ‘ভারটু’ নামের এই মোবাইল ফোন সেটটির দৈর্ঘ্য ৫ দশমিক ১২ ইঞ্চি, প্রস্থ ১ দশমিক ৬৫ ইঞ্চি এবং পুরু শূন্য দশমিক ৫১ ইঞ্চি। বিলাসবহুল এই মোবাইল ফোনের বিক্রেতা কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠান নয়। বাংলাদেশি ব্যবসায়ীই এর বিক্রেতা। আনা হয়েছে দেশের গ্রাহকের জন্যই। এ মোবাইল ফোন সেটকে ঘিরে চলছে তদন্ত। তদন্ত চালাচ্ছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। গোয়েন্দারা বলছেন, মোবাইলটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান গুলশান মার্কেটের ‘ফোন এক্সচেঞ্জ’। প্রতিষ্ঠানটি এ ধরনের একাধিক বিলাসবহুল মোবাইল ফোন সেট বাংলাদেশে নিয়ে এসেছে বলে গোয়েন্দাদের কাছে তথ্য রয়েছে। মোটা অঙ্কের শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাইপথে আনা এসব মোবাইল নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে মনে করছেন তারা। আগামী বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটির মালিক সারোয়ার হায়দারকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে তলব করা হয়েছে। এর আগে গত সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেটে অভিযান চালিয়ে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বিলাসবহুল নকিয়া ব্র্যান্ডের এই ‘ভারটু’সহ প্রায় ২০০ মোবাইল ফোন সেট জব্দ করে। ওই অভিযানে অবৈধভাবে আনা একটি ড্রোনও আটক করা হয়।
    শুল্ক ও গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, গত সোমবার শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর একযোগে গুলশান, বসুন্ধরা সিটি মার্কেট ও ধানমন্ডি এলাকায় অবৈধভাবে আমদানিকৃত মোবাইল ফোন সেট আটকে বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ছাড়াও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ফোর্স এবং বিটিআরসি কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বসুন্ধরা মার্কেটের ৯টি দোকান, গুলশান এভিনিউর ১টি ও ধানমন্ডির অরচার্ড পয়েন্টে ১টি সহ মোট ১১টি দোকানে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে চোরাইপথে আনা আইফোন-১০ সহ অন্যান্য বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের প্রায় ২ শতাধিক মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। জব্দকৃত এসব ব্র্যান্ডের মধ্যে ছিল আইফোন, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৮, নকিয়া এক্স ৩, ব্ল্যাকবেরি। আটককৃত মোবাইল সেটগুলোর মধ্যে আইফোন ১০-১৫টি, অন্যান্য মডেলের আইফোন ১১৮টি, অ্যাপল আইপ্যাড ৮টি, স্যামসাং ৫৮টি, নকিয়া ২টি, ব্ল্যাকবেরি ২টি এবং নকিয়া ‘ভারটু’ ব্র্যান্ড। যার মোট বাজারমূল্য ১ কোটি টাকারও অধিক। অভিযানকালে গুলশান মার্কেটের ‘ফোন এক্সচেঞ্জ’ প্রতিষ্ঠানের শোরুম থেকে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক চোরাই মোবাইল ফোনসেট উদ্ধার করা হয়। গুলশান ও বসুন্ধরা মার্কেটের ফোন এক্সেচেঞ্জের দু’টো শোরুম থেকে মোট ৮৮টি দামি সেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ‘ফোন এক্সচেঞ্জ’-এর গুলশানের শোরুম থেকে একটি ড্রোনও জব্দ করা হয়। ডিজেআই ব্র্যান্ডের আমদানি নিষিদ্ধ এই ড্রোনটির মডেল জিএল২০০এ।
    তবে আটক এসব মোবাইল পণ্যের মধ্যে সবচেয়ে আলোড়ন তৈরি করে প্রতিষ্ঠানটির একই শোরুম থেকে জব্দ করা ‘ভারটু’ ব্র্যান্ডের এক্সক্লুসিভ মোবাইল ফোনসেটটি। কৌতূহল সৃষ্টি করা এই মোবাইল সেটটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায়, নকিয়ার তৈরি ২৩৮ গ্রাম ওজনের সেটটির পার্শ্বদেহ ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ দিয়ে মোড়ানো। এর স্ক্রিনটি সলিড স্যাফায়ার বা নীলকান্তমণি ক্রিস্টালের তৈরি। দুনিয়ার সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু ডায়মন্ডের পরেই অবস্থান এই স্যাফায়ার ক্রিস্টাল বা নীলকান্তমণির। ফলে এতে কোনো দাগ পড়ে না। এর কিপ্যাডে রয়েছে ৪ দশমিক ৭৫ ক্যারেটের রুবি পাথর। পুরো ফোনটি উত্তর ইউরোপের বিশেষ হার্ডকাট চামড়া ও প্লাটিনাম ধাতুর মিশেলে তৈরি। বিশেষ শ্রেণির ক্রেতাদের ফরমায়েশের ভিত্তিতে তৈরি হওয়া এই ফোনসেটটি ইংল্যান্ডের সুদক্ষ হস্তশিল্প কারিগর দ্বারা সম্পূর্ণভাবে হাতে তৈরি করা। সেটটির দৈর্ঘ্য ৫ দশমিক ১২ ইঞ্চি, প্রস্থ ১ দশমিক ৬৫ ইঞ্চি এবং শূন্য দশমিক ৫১ ইঞ্চি পুরু। ক্রেতারা চাইলে নিজেদের পছন্দমতো রঙ এবং সেলাইয়ের নকশার ফরমায়েশও করতে পারেন। এই মোবাইল ফোন সেট সম্পর্কে আরো জানা গেছে, একাডেমি অ্যাওয়ার্ড জয়ী সুরশিল্পী দারিও মারিয়ানেলি এই ফোনের জন্য আলাদাভাবে এক্সক্লুসিভ রিংটোন ও অ্যালার্ট টোন সুর করেছেন যা পরে বিখ্যাত লন্ডন সিম্ফনি অর্কেস্ট্রার যন্ত্রশিল্পীদের দ্বারা রেকর্ড করা হয়। তবে আশ্চর্য্যের বিষয় হলো এতো মূল্যবান উপাদান যে সেটে রয়েছে, তাতে নেই কোনো ক্যামেরা এবং ইন্টারনাল স্টোরেজ বাড়ানোর জন্য কোনো মাইক্রো এসডি মেমোরি কার্ড ব্যবহার করার অপশন। শুল্ক গোয়েন্দারা বলছেন, সেটটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে জানা গেছে, এটির মূল্য ২৬ হাজার ইউরো। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৫ লাখ।
    শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আটককৃত এসব পণ্য ক্রয়ে কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ধারণা করা হচ্ছে অবৈধপথে এবং শুল্ক না দিয়ে আনা হয়েছে। বিটিআরসি আইএমইআই পরীক্ষায় জানা গেছে, এগুলো নিবন্ধিত নয়। আর এই নিবন্ধন না থাকার কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে। বিটিআরসি’র নিবন্ধন না থাকার কারণে এগুলো কোনো সরকারি সংস্থা আইনগতভাবে ট্র্যাক করতে পারে না। গোয়েন্দাদের ধারণা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি এড়িয়ে এই সেটগুলো ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে। এদিকে বিলাসবহুল ‘ভারটু’ মোবাইল সেটের ব্যাপারে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করতে ‘ফোন এক্সচেঞ্জ’-এর মালিক সরোয়ার হায়দারকে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে তলব করা হয়েছে। সংস্থাটির মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মইনুল খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বিপুল পরিমাণ শুল্ক ফাঁকি দিয়ে এসব পণ্য চোরাই পথে আমদানি করা হয়েছে। মোবাইল এক্সেসরিজের ওপর ২৬ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য। সে হিসেবে শুল্ক ফাঁকি হয়েছে প্রায় ৯ লাখ ১০ হাজার টাকার। সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয়, এগুলো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই তদন্তে নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। মইনুল খান জানান, ইতিপূর্বেও প্রতিষ্ঠানটি এ ধরনের একাধিক উচ্চমূল্যের মোবাইল এক্সেসরিজ অবৈধপথে আমদানি করেছেন বলে তারা জানতে পেরেছেন।

    এ বছরই চালু হচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম সামুদ্রিক ব্রিজ

    দিন যত যাচ্ছে ততই উন্নত হচ্ছে বিশ্ব। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে চলছে প্রযুক্তি।

    সব মিলিয়ে বলা যায়, প্রযুক্তিবিদ্যাকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়নের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে বিশ্ব। আর তারই এক নমুনা দেখিয়েছে চীন।
    চীনে হংকং-ম্যাকাও সংযুক্তকারী বিশ্বের দীর্ঘতম সামুদ্রিক ব্রিজ নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে সম্প্রতি। এই ব্রিজের দৈর্ঘ্যই আসলে অবাক করার মতো বিষয়। ৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ব্রিজ। শুধু তাই নয়, এখন বিশ্বের দীর্ঘতম এই সামুদ্রিক ব্রিজে তৈরি হতে চলছে বিদ্যুত্চালিত গাড়িগুলোর জন্য চার্জিং স্টেশন। জানা গেছে, ৯০ ইয়ন (১৩ মিলিয়ন) অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এই ব্রিজে তৈরি হতে চলছে ৫৫০টি চার্জ স্টেশন।

    এ ব্যাপারে নির্মাণকারী সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন ধরনের বৈদ্যুতিক যান চার্জ দেওয়া যাবে স্টেশনগুলোতে। ৫৫০টির মধ্যে ৪২৯টি হবে ডিসি ও ১২১টি এসি চার্জিং স্টেশন থাকবে।

    ২০১৭ সালের শেষের দিকে খুলে যেতে চলেছে ব্রিজটি।
    দীর্ঘ সাত বছর ধরে তৈরি হয়েছে এটি। হংকং থেকে চীনের জুহাই শহর পর্যন্ত তিন ঘন্টার পথ মাত্র ৩০ মিনিটে অতিক্রম করা যাবে এই ওয়াই (Y) আকৃতির ব্রিজের মাধ্যমে।

    পাঁচ বছরের মেয়ের বিয়ের আবদার, তারপর…

    ‘মা আমি বিয়ে করতে চাই।’ সম্ভাব্য মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে এই আবদার পাঁচ বছরের শিশুকন্যা সোফিয়ার। মেয়ের সেই ইচ্ছে পূরণ করলেন ক্রিস্টি। নববধূ সাজল সোফিয়া। ব্রিটেনের মেরিডেন শহরের এক করুণ কাহিনী। বছর পাঁচেক আগে শহরের বাসিন্দা ক্রিস্টি সামরেস্টের কোলে জন্ম নিয়েছিল সোফিয়া। জন্মের পর থেকেই এক জটিল রোগে ভোগছে সে। দীর্ঘ পাঁচ বছর থেকে যে সে বেঁচে আছে, তাও চিকিৎসকদের কাছে যেন অলৌকিক। এ ব্যাপারে ক্রিস্টি জানান, সোফিয়ার হৃদযন্ত্রে মারাত্মক জটিলতা রয়েছে। ডাক্তাররা জানিয়েছেন, সোফিয়া কোনও দিনই সুস্থ হবে না। যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিনই তাকে ধারাবাহিক অস্ত্রোপচারের মুখোমুখি হতে হবে। চিকিৎসকরা এ ব্যাপারে ডেইলি মেল সংবাদ মাধ্যমকে জানান, সোফিয়ার জন্ম হয়েছিল জেনেটিক হার্ট প্রোবলেম নিয়ে। তাঁর হৃদযন্ত্রের অর্ধেকটাই নেই। ডানদিকের অংশটা না থাকায় জন্মের পর থেকে এখন পর্যন্ত তিনবার তাঁর ওপেন হার্ট সার্জারি করা হয়েছে। চলতি মাসেই চতুর্থবার ওপেন হার্ট সার্জারি হবে। ডাক্তাররা বলছেন এ ধরণের ‘ক্রোমজমাল ডিসঅর্ডার’ নিয়ে একটি মানুষ বেঁচে থাকতে পারে না। সোফিয়া চমৎকার ছাড়া আর কিছুই নয়।

    নভেম্বর মাসের শেষের দিকেই হবে সোফিয়ার চতুর্থ অপারেশন। সেই জটিল অপারেশনের পর সোফিয়া বাঁচবে কিনা তার নিশ্চয়তা নেই। মৃত্যু সমসময়ই যেন তার ছায়াসংগী। তাই এই মুহূর্তে সোফিয়ার পরিবার তাঁর সব ইচ্ছে পূরণ করতে আপ্রাণ প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। কয়েকদিন আগে সোফিয়া তাঁর মাকে বলে, ‘মা আমি বিয়ে করতে চাই।’ সে তাঁর ছয় বছরের বেস্ট ফ্রেন্ড হান্টারকে বিয়ে করতে চায় বলে জানানোর পর থেকেই শুরু হয় তোরজোর। মেয়ের ইচ্ছে পূরণের জন্য ক্রিস্টি বিষয়টি নিয়ে হান্টারের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। প্রস্তাবে সাড়া দেন হান্টারের পরিবারের সদস্যরা। যেহেতু বাল্যবিবাহ অপরাধ তাই দুটি পরিবার মিলে আয়োজন করেন এক বিশেষ ওয়েডিং ফটো শ্যুট সেশন। হান্টার স্যুট পরে আর সাদা গাউন গায় জড়িয়ে নববধূ সাজে সোফিয়া।

    স্থানীয় একটি পার্কে এই ফটো শ্যুট করা হয়। সোফিয়া-হান্টারের এই ফটো সোশ্যাল মাধ্যমে প্রকাশিত করার পর তা ভাইর‍্যাল হয়ে যায় গোটা দুনিয়ায়। একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ সোফিয়ার দীর্ঘায়ু কামনা করছেন। অনেকে এগিয়ে এসেছেন আর্থিক সহায়তার জন্যও। ক্রিস্টি এ ব্যাপারে বলেন, ‘আশা করছি সোফিয়া দীর্ঘজীবী হবে। আর যখন তাঁর বয়স ২৫ হবে তখন সে যেন হান্টারকে বিয়ে করতে পারে। সোফিয়া হাসি-খুশি, সুস্থ জীবন লাভ করুক।’ এদিকে, হান্টারের মা ট্রেসি বলেছেন, ‘আমি সোফিয়ার খুশির জন্য সাধ্যমত সব ধরণের চেষ্টা করছি। শুধু মেয়েটা দীর্ঘজীবী হোক। বেঁচে থাকুক। ঈশ্বরের কাছে এই কামনা করছি।’

    ৬০০ দিন ধরে উড়ছে রহস্যময় মার্কিন মহাকাশযান, কিন্তু কেন?

    একটি গোপন মিশনে দীর্ঘদিন ধরে কক্ষপথে পরিভ্রমন করছে মাকাশযানটি। আর এ মিশনের বিস্তারিত এখনও কেউ জানে না। ঠিক কী কারণে মহাকাশযানটি এত দীর্ঘদিন ধরে মহাকাশে অবস্থান করে, তা নিয়ে রহস্য রয়েই গেছে। অনেকেরই ধারণা মার্কিন সামরিক বাহিনীর গোপন তথ্য সংগ্রহ করার কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। এছাড়া মহাকাশের নানা সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে এটি গবেষণা করে বলেও ধারণা করা হয়।

    মিশন শেষে মহাকাশযানটি সাধারণত ক্যালিফোর্নিয়ার ব্যান্ডেনবাগ বিমান ঘাঁটিতে অবতরণ করে। যেখানে বিমান বাহিনীর কর্মকর্তারা তার প্রর্ত্যাবর্তনের অপেক্ষায় থাকেন।

    মার্কিন বিমান বাহিনীর দ্রুতগামী বিমানবহরে দুটি এক্স-৩৭ বি মহাকাশযান বিমান রয়েছে এবং ২০১০ সাল থেকে এই দ্রুতগামী বিমানগুলো বিভিন্ন গোপন মিশনে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

    রহস্যময় এ বিমানের ফ্লাইটসমূহের সঠিক উদ্দেশ্যে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি। মহাকাশযানটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে এটি ল্যান্ডিংয়ের সময় পর্যন্ত নিজে নিজেই স্বাধীনভাবে উড়তে সক্ষম।

    মানুষ এবং নিয়ান্ডারথালের মিলনে জন্ম নেওয়া প্রথম সন্তানের সন্ধান!

    উত্তর ইতালিতে ৪০ থেকে ৩০ হাজার বছর আগের যে কঙ্কালটি পাওয়া গেছে সেটি মানুষ ও নিয়ান্ডারথালদের মিলনে জন্ম নেওয়া প্রথম শিশুর বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্লস ওয়ানে প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে আরো যে গবেষণা চলছে তাতেও যদি প্রমাণিত হয় যে, কঙ্কালটি এ ধরনের হাইব্রিড মানবসন্তানের তাহলে নিয়ান্ডারথাল ও আমাদের বর্তমান প্রজাতি হোমোসেপিয়েন্স মানুষদের মধ্যে যে শংকরায়ন হয়েছে তার পক্ষে বাস্তব সাক্ষ্য-প্রমাণ আরো জোরাল হবে।

    ডিএনএ বিশ্লেষণের মাধ্যমে পরিচালিত এর আগে গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, ইউরোপ এবং এশিয়ার ১ থেকে ৪ শতাংশ আধুনিক মানুষের পূর্বপুরুষ ছিল নিয়ানডারথাল প্রজাতির মানুষ।

    এখানে ইটালিতে প্রাপ্ত যে দেহাবশেষটির কথা বলা হচ্ছে, তা এমন এক সময়কার যখন নিয়ানডারথাল এবং আধুনিক মানুষ উভয়ই ইউরোপে বসবাস করত।

    আলোচ্য কঙ্কালটির জেনেটিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই ব্যক্তির মাইটোকন্ড্রিয়াল ডিএনএ নিয়ানডারথাল। ডিএনএটি মায়ের দেহ থেকে সন্তানের দেহে এসেছে। ফলে ধারণা করা হচ্ছে কোনো নিয়ানডারথাল মানবীর সঙ্গে হোমোসেপিয়েন্স পুরুষের মিলনে এই সন্তানের জন্ম হয়েছে।

    ২ লাখ বছর আগে আধুনিক মানুষরা ওই এলাকায় বসতি স্থাপন শুরু করে। যেখানে নিয়ানডারথালরা আগে থেকেই বসবাস করছিল।

    তবে এই দুই প্রজাতির মানুষদের মধ্যে যৌন সম্পর্ক বা প্রজাতির পুনরুৎপাদন সম্পর্ক স্থাপিত হলেও সাংস্কৃতিকভাবে এরা দূরত্ব বজায় রাখে। অবশ্য ধীরে ধীরে নিয়ানডারথালরা বিলুপ্ত হয়ে যেতে থাকে।

    এর আগে প্রাপ্ত জীবাশ্ম থেকে প্রমাণ হয়েছে, এই এলাকায় এই দুটি প্রজাতি হাজার হাজার বছর ধরে পাশাপাশি বাস করছিল। নিয়ানডারথালরা হোমোসেপিয়েন্সদেরকে খুব সহজে মেনে নেয়নি। গবেষকরা ইঙ্গিত দিয়েছেন, আধুনিক মানুষরা হয়ত নিয়ানডারথাল নারীদের ধর্ষণ করেছিল। অনেকটা আধুনিক কালের জাতিগত নির্মূল প্রক্রিয়ার মতো।

    ৩৫ থেকে ৩০ হাজার বছর আগে নিয়ানডারথাল মানুষদের সংস্কৃতি এবং সকল খাঁটি নিয়ানডারথাল বংশধররা বিলুপ্ত হয়ে যায়।

    দু’রকম মডেলের দুটি ফোল্ডেবল স্মার্টফোন আনছে স্যামসাং

    ভাঁজ করা যায় এমন স্মার্টফোন বাজারে আনতে যাচ্ছে স্যামসাং, এ খবর অনেক দিন আগেই জানানো হয়। তবে সম্প্রতি জানা যায়, জোড়া স্ক্রিনওয়ালা ও বইয়ের মতো ভাঁজ করা এই দু’রকম মডেলের দুটি ফোল্ডেবল স্মার্টফোন লঞ্চ করতে চলেছে স্যামসাং।

    খুব সম্ভবত ২০১৭-র জানুয়ারিতে লাস ভেগাসের কনজিউমার ইলেকট্রনিক শোতে স্মার্টফোনটির দুটি মডেল প্রকাশ করবে সংস্থা। যদি কোন কারণে সেটা না হয়, তবে ঠিক ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে বার্সেলোনার মোবাইল ওয়ার্ল্ড কনফারেন্সে ফোন দুইটা তুলে ধরা হবে বিশ্বের সামনে। স্যামসাং জানিয়েছে, আপাতত তিন রকম ভাবে গ্রাহকদের এই ফোন ব্যবহারের সুবিধা দিতে পারবে তারা। চাইলে ফোনটার ভাঁজ খুলে রেখে ট্যাবলেটের মতো করে ব্যবহার করা যাবে। ইচ্ছে হলে স্ক্রিনটাকে লুকিয়ে রাখা যাবে স্রেফ ভিতরের ভাঁজে। অথবা আর পাঁচটা মোবাইল ফোনের মতো স্ক্রিনটা রাখা যাবে সামনেও। তবে এখনো পর্যন্ত এই ভাঁজ করা স্মার্টফোনের অন্য কোন ফিচারস জানায়নি স্যামসাং। ফলে ফোনটার দাম কত হতে পারে, তাও এখনো পর্যন্ত রয়ে যাচ্ছে অজানাই! সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

    আগামী পূর্ণিমাতেই পৃথিবীর বুকে ঘটতে পারে ধ্বংসলীলা!

    গত মঙ্গলবার তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে জাপানের ফুকুশিমা, টোকিও সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চল। জারি করা হয় সুনামি সতর্কতা। প্রথমটায় কিছুটা বড় মাপের ঢেউ উঠলেও, পরে অবশ্য অল্পেতেই বিপদ কেটে যায়। ঘটেনি কোনও ধ্বংসলীলা। যদিও, বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক দেখা দেয়। ঠিক একইরকমভাবে বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে আজ সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ভারতের মণিপুর ও মায়নমারের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। যদিও, রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৫। তবে মায়ানমারেও জারি করা হয়েছে সুনামি আশঙ্কা।

    তীব্রতা যাই হোক, ভূমিকম্পে গত এক দশকের বেশি সময় ধরে বিশ্বজুড়ে একের পর এক ধ্বংললীলার ছবি উঠে এসেছে। কখনও ভারতের গুজরাত, তো কখনও জাপান। আবার ২০০৪ সালের বিধ্বংসী সুনামিও দেখিয়েছে তার তাণ্ডবলীলা। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে নেপাল ভূমিকম্পও কোনও অংশে কম নয়।

    তবে, কম্পনের মাত্রা যা-ই হোক না কেনও, বৈজ্ঞানিকরা বলছেন সাম্প্রতিককালের ভয়ঙ্করতম ভূমিকম্পগুলির প্রতিটিই ঘটেছে পূর্ণিমার দিন। আর তাই আশঙ্কা আগামী যে কোনও পূর্ণিমার দিনই ঘটতে পারে আবারও কোনও বড় মাপের ধ্বংসলীলা। ঘটতে পারে ভূমিকম্প। এমনকী, পৃথিবীও ধ্বংস হতে পারে তার তীব্রতায়।

    কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, পূর্ণিমার দিন পৃথিবীর ওর চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি থাকে সবথেকে বেশি। আর তার ফলেই ঘটতে পারে এই ভয়ঙ্কর ঘটনা। সূত্র: জিনিউজ

    বিয়ে করে গিনিস বুকে নাম দম্পতির!

    বিয়ের ঠিক পরেই নবদম্পতির নাম উঠল গিনিস বুকে৷ না মস্করা নয়, এমনটা ঘটেছে বাস্তবে৷

    ব্রাজিলের পাওলো গেব্রিয়েল ডা সিলভা এবং কেটয়ুসিয়া লাই হোসিনো বেরোস, এই জুটি আট বছরের প্রেম পর্বের পর, তাঁদের জোটকে আরও শক্ত করে বেঁধে ফেললেন চার হাত এক করে৷ ১৭নভেম্বর সেরে ফেললেন বিয়ে৷ তবে যে কারণে তাঁদের নাম গিনিস বুকে উঠল, তা হল, তাঁদের উচ্চতা৷ দুজনের উচ্চতার যোগফল ৭১.৪২ ইঞ্চি৷ এর আগে যাঁরা এই জায়গা অধিকার করেছিলেন, তাঁদেরকে হারিয়ে এবার তাঁদের থেকে আরও ছোট এই দম্পতি সেই জায়গা দখল করে নিলেন৷
    প্রসঙ্গত, পাওলো বহুদিন ধরেই, এই উচ্চতার জন্য, নিজের নাম গিনেস বুকে তুলতে চাইছিলেন৷ তাঁর সেই ইচ্ছে এবার বাস্তবায়িত হল৷ শুধু তাই নয়, তাঁদের ছবি ভাইরালও হয়ে যায়, সোশ্যাল মিডিয়ায়৷

    ভূমিকম্পের পর অলৌকিক বেঁচে থাকা (ভিডিও)

    গত রোববার মধ্যরাতে নিউজিল্যান্ডে আঘাত ঘানে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প। এরপর সুনামি ও দফায় দফায় ভূমিকম্পে বিপর্যন্ত দেশটি।

    ভূমিকম্পের কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে। এতে দেশটির জনগণ তো বটেই গবাদিপশুও দুরবস্থার শিকার হয়েছে। তাদের বিপত্তিও উঠে এসেছে সংবাদ শিরোনাম হয়ে।

    ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়েছে নিউজিল্যান্ডের ভূমিকম্পের বিভিন্ন ভিডিও। তেমনই প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায় দুইটি গরু একটি বাছুরসহ একটি টিলায় আটকা পড়েছে। ভূমিকম্পের কারণে সেই টিলার চারপাশ ধসে গেছে। ফলে ছোট একটি উঁচু জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে গবাদি পশুগুলো অসহায় অবস্থায়। আজ সোমবার ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর ভিডিওটি নিউজিল্যান্ডের কাইকোওরার উত্তর অংশ থেকে ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    কাইকোওরা নিউজিল্যান্ডের সাউথ আইল্যান্ডের পূর্বঅঞ্চলে অবস্থিত। ভূমিকম্পের কারণে শহরের প্রবশে পথ বন্ধ হয়ে গেছে। উদ্ধার কাজে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। হেলিকপ্টার থেকেই ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে। এবং এ দৃশ্য দেখে অনেকেই বিষয়টি অলৌকিক মনে করছেন। কারণ টিলার ওপর গবাদি পশুগুলো থাকা অবস্থাতেই ভূমিকম্প হয়। ভাগ্যগুণে আশপাশের এলাকা ধসে গেলেও টিলার ওই সামান্য অংশটুকু অক্ষত আছে। আর সেখানেই আটকা পড়েছে গবাদি পশুগুলো।

    ১১ বছরের কনে সঙ্গে ১২ বছরের পাত্রের বিয়ে!

    নাসের হাসান নামে এক ব্যবসায়ীর বড় ছেলের জমকালো বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। শুধু বড় ছেলের বিয়ে দিয়েই মন ভরেনি নাসেরের। তাই ঠিক করলেন এক পার্টিতেই ছোট ছেলের ওমরেরও (১২) বিয়ে দেবেন। কিন্তু ছোট ছেলের বয়স কম হলেও কোনো কিছুর পরোয়া করেননি ওই ব্যবসায়ী। মেয়ে খুঁজতে শুরু করেন। পরে পেয়েও যান ১১ বছর বয়সী এক কনে! বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই হৈচৈ শুরু।

    সম্প্রতি মিসরের রাজধানী কায়রো থেকে ৭৫ মাইল দূরে এ জমকালো বাল্যবিয়ের আয়োজন হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের ছবি ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়ায় শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।

    মিসরের আইন অনুযায়ী, ১৮ বছরের নিচে কোনো তরুণ বিয়ে করতে পারবে না। কিন্তু, এরপরও ছেলের বিয়ে দেন নাসের।

    সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এতে অন্যায়ের কিছু নেই। বরং দুজনই দুজনকে খুব ভালোবাসে। ছোটবেলায়ই বিয়ের কাজটি সেরে ফেলা হল। বড় হলে যাতে ছেলে বা মেয়ে কাউকেই অন্য কেউ বিয়ে করতে না চায়; সে জন্য এটা করা হয়েছে।