• ?????: রকমারি সংবাদ.

    তিন জনের ডিএনএ থেকে শিশুর জন্ম

    বিশ্বে এই প্রথম বিজ্ঞানের নতুন এক উপায় ব্যবহার করে এমন একটি শিশুর জন্ম দেওয়া হয়েছে যার জন্মের পেছনে তিনজন মানুষের ভূমিকা রয়েছে। তিন ব্যক্তির ‘ফার্টিলিটি কৌশল’ এরকম অভিনব এক কৌশলে বিজ্ঞানীরা এই শিশুটির জন্ম দিয়েছেন।খবর বিবিসি বাংলা।
    এই শিশুটির জন্মের পেছনে তাদের পিতা মাতা ছাড়াও আরও একজনের অবদান ছিলো।
    নিউ সায়েন্টিস্ট সাময়িকীতে এই খবরটি প্রকাশিত হয়েছে।
    চিকিৎসকরা বলছেন, নবজাতক শিশুটি একটি ছেলে। তার বয়স এখন পাঁচ মাস।
    এই শিশুটির শরীরে স্বাভাবিকভাবেই ছিলো তার মা ও বাবার ডিএনএ। কিন্তু তারপরেও তৃতীয় আরেক ব্যক্তির কাছ থেকে ছোট্ট একটি জেনেটিক কোড নিয়ে সেটি তার শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।
    তৃতীয় ওই ব্যক্তিটি একজন দাতা।
    শিশুটির মা জর্ডানের নাগরিক। তার জিনে কিছু ত্রুটি ছিলো। শিশুটি যাতে ত্রুটিমুক্ত হয়ে জন্মাতে পারে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসকরা সেটা নিশ্চিত করেছেন।
    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর ফলে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।
    তারা বলছেন, যেসব পরিবারে জেনেটিক ত্রুটি বা সমস্যা আছে বিজ্ঞানের এই আবিষ্কার তাদেরকে সাহায্য করতে পারে।
    তবে তারা বলছেন, এই কাজটি করার আগে বহু জিনিস পরীক্ষা করে নেওয়া খুব জরুরী।

    মাইট্রোকন্ড্রিয়াল ডোনেশন নামের এই প্রক্রিয়াটি নিয়ে এখনও প্রচুর বিতর্ক হচ্ছে।
    তিন জন মানুষের শরীর থেকে ডিএনএ নিয়ে এই প্রথম যে কোন শিশুর জন্ম হলো তা কিন্তু নয়। নব্বইয়ে দশকে এই কাজটি প্রথম হয়েছে।
    তবে এবার যেভাবে করা হলো সেটি একেবারে নতুন এবং তাৎপর্যপূর্ণ প্রক্রিয়া।
    প্রত্যেক কোষের ভেতরে থাকে ছোট্ট একটি কম্পার্টমেন্ট যাকে বলা হয় মাইটোকন্ড্রিয়া।
    এই মাইটোকন্ড্রিয়া খাদ্য থেকে জ্বালানী তৈরি করে।
    কোন কোন নারীর মাইটোকন্ড্রিয়াতে জেনেটিক ত্রুটি থাকে এবং সেটা তাদের সন্তানদের মধ্যেও ছড়িয়ে দিতে পারে।
    জর্ডানের এই পরিবারটির যে ত্রুটি ছিলো তার নাম ‘লেই সিন্ড্রোম।’ এবং এই ত্রুটির ফলে শিশুটির মৃত্যুও হতে পারতো।
    এই ত্রুটি সংশোধন করতে বিজ্ঞানীদেরকে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিতে হয়েছে।
    যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসকদের এই দলটিকে এসব করতে যেতে হয়েছে মেক্সিকোতে যেখানে এসব নিষিদ্ধ করে কোন আইন কার্যকর নেই। যুক্তরাষ্ট্রে এধরনের গবেষণা আইন করে নিষিদ্ধ।
    এই প্রক্রিয়ায় ডাক্তাররা মায়ের ডিম্বাণু থেকে গুরুত্বপূর্ণ সব ডিএনএ সংগ্রহ করেছেন। একই সাথে দাতার ডিম্বাণু থেকেও স্বাস্থ্যকর মাইটোকন্ড্রিয়া সংগ্রহ করা হয়। তারপর এই দুটোকে নিষিক্ত করা হয় পিতার শুক্রাণুতে।
    তারপর শিশুটির জন্ম হয়েছে। ডাক্তাররা বলছেন, শিশুটি সুস্থ আছে। এবং এখনও পর্যন্ত তার শরীরে কোন ত্রুটি ধরা পড়েনি।

    মৃত্যুর ৩০০ বছর পর হঠাৎ চোখ মেলল মমি!

    ৩০০ বছর আগে নিজের বাবার হাতে নিহত হওয়া মেক্সিকোর গুয়েদেলাহারা ক্যাথিড্রালে রক্ষিত সেন্ট ইনোসেন্সিয়ার দেহটি হঠাৎ চোখ খুলে তাকিয়েছে। ইনোসেন্সিয়া নামের সেই ৩০০ বছর আগেকার কিশোরীটি সেন্টহুডপ্রাপ্ত। সেন্ট ইনোসেন্সিয়া নামেই তাকে মানুষ চেনে এবং তার দেহ দেখতে ভিড় করে গুয়াদালাহারা ক্যাথিড্রালে।

    সম্প্রতি এক আশ্চর্য ঘটনায় সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে এই গির্জা এবং সেন্ট ইনোসেন্সিয়ার মরদেহ। এক পর্যটক সেখানে গিয়ে দৃশ্যধারণ করছিলেন। মোম দ্বারা সংরক্ষিত ইনোসেন্সিয়ার দেহকে যখন শ্যুট করছিলেন তিনি, তখন হঠাৎ মৃতদেহটি চোখ মেলে তাকায়। সেই আশ্চর্য দৃশ্য ক্যামেরাবন্দিও হয়ে যায়। এরপর ভিডিওটি ইউটিউবে পোস্ট হলে সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাল হয়ে পড়ে। ‘প্যারানর্মাল’ কাণ্ড হিসেবে দ্রুত পরিচিতি পায় ঘটনাটি।

    কিন্তু, সত্যিই কি সেন্ট ইনোসেন্সিয়া ৩০০ বছর পরে চোখ খুলে তাকিয়েছেন? ঘটনার যুক্তিসম্মত ব্যাখ্যা দিতে এগিয়ে এসেছেন অনেকেই। বেশিরভাগ মানুষেরই প্রশ্ন— ভিডিও করার সময় কেন ইনোসেন্সিয়া চোখ মেললেন? আগে তো কখনও মেলেননি! পাশাপাশি প্যারানর্মালবাদীদের বক্তব্য— শয়তান কি দেহটির দখল নিয়েছে?

    তবে, অনেকেই বলছেন, খুব কমদামি ক্যামেরায় তোলা এই ভিডিওটি বেশ নিম্নমানের, এতে আলোর অভাবও রয়েছে। চোখ মেলার দৃশ্যটি ক্যামেরার দোষে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা হওয়াই স্বাভাবিক।

    ‘এক বছরের মধ্যেই একের দেহে অন্যের মাথা লাগিয়ে দেয়া সম্ভব হবে!’

    আগামী এক বছরের মধ্যে মস্তিষ্ক প্রতিস্থাপন সম্ভব হবে বলে ধারণা ব্যক্ত করেছেন ইতালির নিউরো সার্জন সের্গেই কানাভেরো। অর্থাৎ একের দেহে অন্যের মাথা লাগিয়ে দেয়া যাবে। গবেষণা নিবন্ধে এ ধারণা প্রকাশ করার পর চিকিৎসা বিজ্ঞান মহলে প্রচণ্ড আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

    ইতালির নিউরো সার্জন সের্গেই কানাভেরো
    এক জনের শরীরে অন্য জনের মাথা বসিয়ে দেয়া যাবে বলে ঘোষণা দিয়ে গত বছরই বিশ্বজুড়ে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন তিনি। তবে সে কাজটি এত সত্বর করা সম্ভব হবে এমন কোনো আভাস তখন দেয়া হয় নি।

    একটি কুকুরের পুরোপুরি ভেঙ্গে যাওয়া শিরদাঁড়া জোড়া দিতে সক্ষম হয়েছেন বলে গবেষণা নিবন্ধে দাবি করেছেন তিনি। এ নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, চারপায়েই হাঁটতে এবং ল্যাজ নাড়তে পারছে কুকুরটি।

    সার্জিক্যাল জার্নাল নিউরোলজি ইন্টারন্যাশনালে গত সোমবার এ গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশ করেন কানাভেরো। কুকুরটির বিধ্বস্ত শিরদাঁড়া সারিয়ে তুলতে যে চিকিৎসা পদ্ধতি এবং প্রযুক্তি ব্যবহার প্রয়োগ করা হয়েছে তার বিশদ বিবরণ এতে দিয়েছেন তিনি। আর এর ভিত্তিতেই একের দেহে অন্যের মাথা বসানো সম্ভব হবে বলে দাবি করেছেন তিনি। আগামী বছরই এমনটি সম্ভব হবে বলে ধারণা ব্যক্ত করেন তিনি। একজনে দেহে অন্যের মাথা বসিয়ে দেযার এ প্রক্রিয়াকে পুরো দেহ প্রতিস্থাপনও বলা হয়।

    অবশ্য কানাভেরোর চিকিৎসা প্রযুক্তি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেক বিশেষজ্ঞ। কানাভেরোর প্রকাশিত নিবন্ধের ভিত্তিতে মন্তব্য করেছেন ওয়েস্টার্ন রিজার্ভ ইউনিভার্সিটির স্নায়ু-বিজ্ঞানী জেরি সিলভার। তিনি বলেন, এ গবেষণার ভিত্তিতে মানুষের মস্তিষ্ক প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু করা যায় না। তিনি আরো বলেন, ভিডিওতে যে কুকুর দেখানো হয়েছে তার দেহ বদল করা হয় নি বরং বিধ্বস্ত শিরদাঁড়া মেরামত করা হয়েছে।

    অবশ্য পুরো দেহ প্রতিস্থাপনের কথা কেবল কানাভেরোই বলেন নি। এ নিয়ে কথা বলেছেন, চীনের হারবিন মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির অর্থোপেডিক সার্জন ড. শিয়াওপিং রেন। মস্তিষ্ক প্রতিস্থাপনের জন্য একটি টিমও গড়ে তুলছেন বলে এর আগে জানিয়েছিলেন তিনি।

    ১১ কিমি প্যাঁচানো পথে ফেরারি চালিয়ে রেকর্ড

    চীনের হুনান প্রদেশের ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তাটি পাহাড় থেকে পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে বৃত্তাকারে ওপরের দিকে উঠে গেছে। ১১ কিলোমিটারের এই রাস্তাটি সবচেয়ে কম সময়ে ফেরারি গাড়ি চালিয়ে পার হয়ে রেকর্ড গড়েছেন ইতালিয়ান এক চালক। ছবি: চীনের ওয়েবসাইট ইসিএনএস ডট সিএনচীনের হুনান প্রদেশের ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তাটি পাহাড় থেকে পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে বৃত্তাকারে ওপরের দিকে উঠে গেছে। ১১ কিলোমিটারের এই রাস্তাটি সবচেয়ে কম সময়ে ফেরারি গাড়ি চালিয়ে পার হয়ে রেকর্ড গড়েছেন ইতালিয়ান এক চালক। ছবি: চীনের ওয়েবসাইট ইসিএনএস ডট সিএনপাহাড়ের পাদদেশ থেকে ওপরের দিকে উঠে গেছে রাস্তাটি। ৯৯টি কঠিন বাঁক বেয়ে উঠতে হয় ওপরে। কঠিন এই বাঁক পেরিয়ে গাড়ি নিয়ে ওপরে উঠতে গেলে ছিটকে পড়তে পারে গাড়ি। ১১ কিলোমিটার বা ৬ দশমিক ৮ মাইলের বিপজ্জনক ও ঝুঁকিপূর্ণ এ রাস্তায় ফেরারি গাড়িয়ে চালিয়ে রেকর্ড গড়েছেন ইতালিয়ান এক চালক। তিনি সবচেয়ে কম মাত্র ১০ মিনিট ৩১ সেকেন্ড সময় নিয়েছেন। রেকর্ড সৃষ্টি করা ওই গাড়িচালকের নাম ফাবিও ব্যারন।

    চীনের হুনান প্রদেশের টংটিয়ান রোডটি বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক ও ঝুঁকিপূর্ণ একটি রাস্তা। রাস্তাটি ‘বিশ্বের বিস্ময়কর সড়ক’ হিসেবে পরিচিত। রাস্তাটি পাহাড় থেকে পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে বৃত্তাকারে ঘুরতে ঘুরতে আকস্মিক বাঁক নিয়ে ওপরের দিকে উঠে গেছে।

    পাহাড়ের ওপর থেকে দেখতে প্যাঁচানো এই রাস্তাটি তৈরি করতে সময় লেগেছে সাত বছর। পাহাড়ের গা ঘেঁষে রাস্তাটি এমনভাবে ওপরের দিকে উঠে গেছে, দেখে মনে হতে পারে ড্রাগন আকাশের দিকে উড়ে যাচ্ছে।

    টংটিয়ান রোডটি চীনের তিয়ানমেন পর্বতে। পুরো রাস্তাটিতে ৯৯টি কঠিন বাঁক রয়েছে। বাঁকগুলো এতই প্রখর, যেকোনো সময়ে পাহাড়ের ওপর থেকে ছিটকে পড়ে যেতে পারে গাড়ি। কোথাও কোথাও বাঁকগুলো পাহাড়ের কিনারা ঘেঁষে ১৮০ ডিগ্রি বরাবর। অর্থাৎ গাড়ি যেদিকে যাচ্ছিল, হঠাৎ করেই এর উল্টো দিকে চলতে শুরু করবে গাড়ি।

    সমুদ্র থেকে ২০০ মিটার ওপরের দিকে উঠতে থাকা এই রাস্তায় বাঁক আছে ৯৯টি। পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে ওপরের দিকে গিয়ে রাস্তাটি যেখানে শেষ হয়েছে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সেখানকার উচ্চতা ১৩০০ মিটার। ছবি: চীনের ওয়েবসাইট ইসিএনএস ডট সিএনরাস্তাটি পাহাড়ের পাদদেশে যেখান থেকে শুরু, ওই জায়গাটি সমুদ্র থেকে ২০০ মিটার ওপরে। আর পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে বৃত্তাকারে ওপরের দিকে যেখানে গিয়ে রাস্তাটি শেষ হয়েছে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সেখানকার উচ্চতা ১ হাজার ৩০০ মিটার। ওই রাস্তায় গত বুধবার গাড়ি চালিয়ে রেকর্ড গড়েন ফাবিও ব্যারন। তিনি ফেরারি গাড়ি চালিয়ে ১১ কিলোমিটার বা ৬ দশমিক ৮ মাইলের বিপজ্জনক ও ঝুঁকিপূর্ণ ওই রাস্তা ১০ মিনিট ৩১ সেকেন্ডে পার হয়েছেন।

    পাহাড়ি রাস্তায় দ্রুতগতিতে গাড়ি চালিয়ে এর আগেও নাম কুড়িয়েছেন ব্যারন। তবে এবারে চীনের এ রাস্তায় চলার জন্য ফেরারি গাড়িটিতে বিশেষভাবে কিছু জিনিস বদলে নিতে হয়েছে তাঁকে। গাড়িটিতে ধাতব পদার্থের পরিবর্তে কার্বন ফাইবারের যন্ত্রাংশ ব্যবহার করা হয়েছে। কারণ, এতে করে ওই গাড়ির ওজন কমে গেছে।

    সবচেয়ে কম সময়ে ওই রাস্তা পেরিয়ে নিজের রেকর্ড করা সময়ের সামনে গাড়িচালক ফাবিও ব্যারন। ছবি: চীনের ওয়েবসাইট ইসিএনএস ডট সিএনএর আগেও রোমানিয়ার ট্রান্সস্যালভেনিয়ানে আল্পসের একটি পর্বতের ওপর তৈরি করা রাস্তায় দ্রুতগতিতে গাড়িয়ে চালিয়ে রেকর্ড গড়েছিলেন ইতালিয়ান ফাবিও ব্যারন।

    পুরুষরাও সন্তানের জন্ম দিতে পারবেন!

    নয়াদিল্লি: পুরুষ মানুষ কী পারেন সন্তানের জন্ম দিতে? বিজ্ঞানীদের দাবি, অবশ্যই পারেন। অন্তত এমন জল্পনাই উস্কে দিল নতুন গবেষণা।

    সভ্যতা ও প্রযুক্তির ওপর ভর করে মানুষ এমন এক পরীক্ষা করতে চলেছে, যা প্রকৃতির নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখাতে পারে।

    এক গবেষণায় উঠে এসেছে, বিশেষ নিয়মে দুজন পুরুষ মানুষ সন্তানের জন্ম দিতে পারেন।

    প্রচলিত নিয়মানুসারে, সন্তান জন্মানোর জন্য প্রয়োজন হয় একটি ডিম্বানু ও একটি শুক্রাণুর। ডিম্বানু নারীর শরীরে তৈরি হয়।

    অন্যদিকে, শুক্রাণু সঞ্চারিত হয় পুরুষ মানুষের শরীরে।

    সাধারণত, ডিম্বানুকে শুক্রাণু দিয়ে ফার্টিলাইজ (প্রজনন) করতে হয়। তবেই গর্ভ সঞ্চারিত হয়। এক্ষেত্রে, গবেষকদের মতে, ডিম্বানুর পরিবর্তে ত্বকের কোষ ব্যবহার করা হবে।

    তাঁদের দাবি, ত্বক-কোষ ও শুক্রাণু দিয়ে ফার্টিলাইজেশন পদ্ধতি সম্ভব। ফলে, পুরুষরাও সন্তানের জন্ম দিতে পারেন!

    গোটা বিষয়টিই রয়েছে গবেষণার স্তরে। সেখানে ইঁদুরের ওপর এই পদ্ধতি ব্যবহার করে সাফল্য এসেছে বলে দাবি করেছেন তাঁরা।

    গবেষকদের দাবি, শুধুমাত্র ত্বকের কোষই নয়, অন্য যে কোনও কোষ দিয়েই এই প্রজনন সম্ভব। এধরনের গর্ভ সঞ্চার হওয়ার ক্ষেত্রে মহিলাদের কোনও ভূমিকাই থাকবে না।

    গবেষকদের দাবি, তেমনটা হলে ভবিষ্যতে সমকামী পুরুষরাও নিজেদের সন্তানলাভ করতে পারবেন।

    এখানেই শেষ নয়। গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, শুধু পুরুষরা নন, একইভাবে মহিলারাও নিজেরাই গর্ভধারণ করতে পারবেন।

    এক্ষেত্রে, তাদের শরীরের ডিম্বানুর সঙ্গে অন্য কোনও কোষের মেলবন্ধন করে প্রজনন প্রক্রিয়া করা সম্ভব।

    এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপন্ন প্রজাতির সংরক্ষণ এবং প্রজনন সম্ভব বলেও দাবি করেছেন গবেষকরা।

    এছাড়া, যেখানে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া সম্ভব নয়, সেখানে এই প্রক্রিয়াকে ‘বিকল্প’ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।-সংবাদমাধ্যম

    অসাম্যের প্রতিবাদে ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের কমোড

    নিউয়র্কের গুগেনহাম জাদুঘরে সাধারণের ব্যবহারের জন্য খুলে দেওয়া হলো ১৮ ক্যারেট স্বর্ণে তৈরি একটি কমোডের টয়লেট। ইতালিয়ান শিল্পী মাউরিজিও ক্যাটেলান এই টয়লেটটি তৈরি করেছেন । এর আগে দ্বিতীয় পোপকে নিয়ে তার অসাধারণ ভাস্কর ‘লা নোনা ওরা (নবম ঘন্টা)’ দিয়ে বেশ আলোচনায় আসেন তিনি। জাদুঘরের সাধারণ বিশ্রামাগারের পাশেই টয়লেটে রাখা হয়েছে এ দামী এ কমোডটিকে। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানায় এটি একটি অসাধারণ সাহসী কাজ। একবারে একজন ব্যবহার করতে পারবে এমন ধরনের এই টয়লেটটি বিশ্রমাগারের পাশেই রাখা হয়েছে। নারী-পুরুষ সবার জন্যই উন্মুক্ত । জাদুঘরটির যেকোনো সদস্য মাত্র এক পেনি খরচ করেই ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন। তবে দর্শনার্থীদের গুনতে হবে মোটা দর্শনী! ইতালি এক ট্রাক চালকের ছেলে ক্যাটলিন। নিজের প্রতিভা দিয়ে হয়েছেন মিলানের অন্যতম একজন শিল্পী হয়ে উঠেছেন। স্বর্ণের এই কমোড দিয়ে তার অন্যতম ভাস্কর্য শিল্পের একটি। কারণ সে বিশ্বাস করে এটা এক ধরণের অর্থনৈতিক অসাম্যতার প্রতিবাদ।

    বাজারে আসছে আইফোন সেভেন এবং সেভেন প্লাস

    প্রতীক্ষার অবসান। আজই আত্মপ্রকাশ অ্যাপেল পরিবারের দুই নতুন সদস্যের। বাজারে আসছে আইফোন সেভেন এবং আইফোন সেভেন প্লাস। সান ফ্রান্সিসকোর বিল গ্রাহাম সিভিক হলে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানেই দুটি ফোনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। জানা গেছে, নতুন আইফোনগুলিতে থাকছে অত্যাধুনিক A10 চিপ এবং সর্বাধিক ক্লক স্পিড ২দশমিক ৪ গিগা হার্তজ। পানিতে পড়লেও নতুন আইফোনের কোনো ক্ষতি হবে না বলেই দাবি অ্যাপেলের। আগের মডেলে ক্যামেরা সম্পর্কে বিস্তর অভিযোগ ছিল। সেজন্যই এবার উন্নততর ১২ মেগা পিক্সেলের ক্যামেরা থাকবে আইফোন সেভেন এবং সেভেন প্লাসে।

    বারমুডা ট্রাইঅ্যাঙ্গলে হারিয়ে যাওয়ার ৯০ বছর পর ফিরছে জাহাজ!

    কী হয় বারমুডা ট্রাইঅ্যাঙ্গলে? রহস্য কি যবনিকা পড়বে? জানা যাবে কোনও তথ্য? কেউ বলার মতো বেঁচে নেই। শুধু একটি জাহাজ ফিরছে, একেবারে একা একা! প্রায় ন’দশক আগে হারিয়ে গিয়েছিল একটি জাহাজ। ১৯২৫ সালের ডিসেম্বরে হারিয়ে গিয়েছিল ‘এসএস কোটোপ্যাক্সি’। মনে করা হয়েছিল, বারমুডা ট্রাইঅ্যাঙ্গলে জাহাজটি হারিয়েছে।

    দিনদুয়েক আগে কিউবার কোস্ট গার্ড ঘোষণা করেছে, তাদের রাডারে একটি জাহাজ ধরা পড়েছে। সেটি ক্রমশ স্রোতে ভেসে কিউবার দিকেই আসছে। এ-ও জানানো হয়েছে যে, জাহাজটিকে কোনও মানুষ নেই। জাহাজটির নাম? ‘এসএস কোটোপ্যাক্সি’!
    গত ১৬ মে হাভানার পশ্চিমে প্রথমবারের জন্য জাহাজটি সর্বপ্রথম নজরে আসে কিউবার কোস্ট গার্ডের। জাহাজের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য বিস্তর চেষ্টা করা হয়েছিল। এর পরে আরও কাছাকাছি এলে জাহাজটির কাছে যান কিউবার কোস্ট গার্ডের জওয়ানরা।
    জাহাজে তাঁরা কোনও মানুষের খোঁজ পাননি। শুধু তা-ই নয়, জাহাজটির নাম দেখে চমকে ওঠেন তাঁরা। জাহাজটি থেকে ক্যাপ্টেনের লগবুক পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু তাতে গত প্রায় ৯০ বছর ধরে জাহাজটি কোথায় ছিল, তার কোনও হদিশ মেলেনি।
    ১৯২৫ সালের ২৯ নভেম্বর দক্ষিণ ক্যারোলিনার চার্লস্টন থেকে এসএস কোটোপ্যাক্সি হাভানার দিকে রওনা দিয়েছিল। ক্যাপ্টেন ডব্লিউ ডে মেয়ারের নেতৃত্বে ৩২ জন ক্রু ছিলেন তাতে। জাহাজে ছিল ২৩৪০ টন কয়লা। দু’দিন পরে জাহাজটি নিখোঁজ হয়ে যায়। তার পর থেকে এই জাহাজটির কোনও খবর পাওয়া যায়নি। কী পাওয়া যাবে সেই জাহাজের ভিতর থেকে? একরাশ রহস্য নিয়ে ফিরছে এসএস কোটোপ্যাক্সি।

    বৃহস্পতির উত্তর মেরুর প্রথম ছবি

    বৃহস্পতি গ্রহের উত্তর মেরুর ছবি এই প্রথম দেখল বিশ্ববাসী। মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার নভোযান জুনো গত ২৭ আগস্ট গ্রহটির কক্ষপথের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কয়েকটি ছবি তুলেছে।
    আমাদের সৌরজগতে বৃহস্পতিই সবচেয়ে বড় গ্রহ। এটি পৃথিবী থেকে ৫৮ কোটি ৮০ লাখ কিলোমিটার দূরে। গ্যাসে পরিপূর্ণ এই গ্রহ সম্পর্কে আরও জানতে বিজ্ঞানীরা বরাবরই উৎসুক। নাসা গত জুলাইয়ে ১১০ কোটি ডলারের একটি অনুসন্ধানী প্রকল্প শুরু করে।
    শক্তিশালী ক্যামেরাযুক্ত নভোযান জুনো ২৭ আগস্ট বৃহস্পতির মাত্র ৪ হাজার ২০০ কিলোমিটারের মধ্যে গিয়েছিল। তখন ছয় ঘণ্টা ধরে এটি ওই গ্রহের উত্তর মেরু অঞ্চল থেকে দক্ষিণ মেরুর দিকে ভ্রমণ করে।
    জুনোর অভিযানের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা জানতে চান, বৃহস্পতি গ্রহে কী পরিমাণ পানি রয়েছে। এই তথ্য পেলে গ্রহটির উৎপত্তি সম্পর্কেও অনেক কিছু জানা যাবে। এ ছাড়া বৃহস্পতির চৌম্বক ক্ষেত্রের তীব্রতা এবং মেরুপ্রভার গঠন সম্পর্কেও অনুসন্ধান চালাবে জুনো।

    ফটো গ্যালারি: আকাশ থেকে ইতালির ভূমিকম্পের দৃশ্য

    ইতালির অ্যামাট্রিস শহরে ভূমিকম্পের যে ধ্বংসলীলা চলেছে, আকাশ থেকে তোলা তারই কিছু দৃশ্য। ইতাালির মধ্যাঞ্চলে এই ভূমিকম্পে এপর্যন্ত ২৪৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

    y-3
    আকাশ থেকে অ্যামাট্রিসের ধ্বংসলীলা: উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তুপ সরিয়ে মানুষজনকে উদ্ধারের চেষ্টা করছেন।
    yo-300x290
    ভূমিকম্পে বহু মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।