• ?????: শিক্ষাঙ্গন

    আবারও শাহবাগ অবরোধ করেছে ঢাবির শিক্ষার্থীরা

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর-মন্দিরে হামলার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে ফের অবরোধ শুরু করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ৩ দিনের অল্টিমেটাম শেষে ৪ দফা দাবি পূরণ না হওয়ায় মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে শাহবাগ মোড়ে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অবস্থান নেন।

    শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও অংশ নিয়েছেন। শাহবাগ মোড়ে আন্দোলন করায় শাহবাগ হয়ে সব দিকের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এদিকে অসংখ্য পুলিশ সদস্য বিক্ষোভকারীদের ঘিরে রেখেছেন।

    এর আগে ৪ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারকে ৩ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় শাহবাগের অবরোধ তুলে নেয় শিক্ষার্থীরা।

    দাবিগুলো হলো- ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের সংসদ সদস্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হক-সহ স্থানীয় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয় সব কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে হবে; ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও মন্দিরগুলোকে দ্রুত ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিতে হবে; এসব হামলার ইন্দনদাতা ও সরাসরি অংশগ্রহণকারীদের গ্রেফতার ও দ্রুত বিচার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে, সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় ও সংখ্যালঘু কমিশন প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিতে হবে।

    সন্ত্রাসের আঁতুরঘর বলে চিহ্নিত ঢাকার দেড় ডজন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

    বাঙালি-ইংরেজ ক্রিকেট যুদ্ধ হয়ে গেল বাংলাদেশে। প্রথম টেস্ট হেরে গেলেও পরেরটায় জিতল বাঙালিরাই। খুলনার কিশোর মেহেদি হাসান মিরাজের দুর্ধর্ষ বোলিং। পেশিশক্তিতে নয়, মগজাস্ত্রে। কুপোকাত ইংল্যান্ড। জয়ের উল্লাস চেপে রাখতে পারেননি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মিরাজকে বাড়ি উপহার দিচ্ছেন। উৎফুল্ল কলকাতাও। মিরাজের শক্তির উৎসে কৌতূহল। সেও কি বিরাট কোহলির মতো স্যামন মাছ দিয়ে লাঞ্চ করে। না, ভাতের পাতে থাকে পদ্মার ইলিশ। গবেষণায় দোষ নেই। অবিস্মরণীয় প্রতিভার নিরন্তর চর্চা অনিবার্য। মিরাজ, সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মায়নি। অভাব অভিযোগের ধাক্কা ঠেলে এগিয়েছে। আপন সৌকর্যে জয় ছিনিয়েছে। এ বার ক্রিকেট বিশ্বকে শাসনের অঙ্গীকার। মাত্র তিন মাসে বদলে দিয়েছে বাংলাদেশের ছবিটা। ১ জুলাই ঢাকার গুলশনে সন্ত্রাসী হামলায় সব আলো শুষে নিয়েছিল শঙ্কার মেঘ। এখন ঝকঝকে রোদ্দুর। সভ্যতাকে হারাতে চেয়েছিল যারা তারা গর্তে সেঁধিয়েছে। তাদের জঙ্গিপনায় মরচে ধরেছে। মগজ ধোলাইয়ে বিভ্রান্ত হয়েছিল যে কিশোররা তারাও হয়ত আফশোস করছে। ভাবছে, হাতে বন্দুক না নিয়ে ব্যাট-বল তুলে নিলেই ভাল হত। মিরাজের মতো কৈশোরের দীপ্তিতে উজ্জ্বল হওয়ার সুযোগ থাকত।

    আর যাতে সন্ত্রাসী কিশোর তৈরি না হয় সে দিকে কঠোর সতর্কতা সরকারের। নজর শিক্ষায়তনে। অঙ্কুরেই বিনাশী শক্তির বিনাশ। তালিকায় ঢাকার ১৮ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রাজধানীর বাইরে তিনটি। তালিকার মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েট-ও রয়েছে। গোয়েন্দা তদন্তে উঠে এসেছে দু’টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, চারটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, তিনটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, ন’টি মাদ্রাসা, তিনটি মসজিদের নাম।

    শিক্ষা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক যৌথ ভাবে পাহারায় রেখেছে প্রতিষ্ঠানগুলোকে। অভিযুক্ত শিক্ষায়তনের কর্ণধার, শিক্ষকদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চালাচ্ছে শিক্ষামন্ত্রক। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের মত, শিক্ষাকেন্দ্রে শিক্ষার্থীরা থাকে চার-পাঁচ ঘণ্টা। বাকি সময়টা কাটায় বাড়িতে বা বাইরে বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে। এ বিষয়ে পারিবারিক সচেতনতা জরুরি। ছেলেমেয়েরা কোথায় কখন কী করছে না করছে তার খবর রাখতে হবে। পারিবারিকভাবে বিচ্ছিন্ন হলে তখনই ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। ১৫ দিনের বেশি যদি কোনও ছাত্রছাত্রী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকে তার নামধাম থানাকে জানাতে হবে। নিখোঁজ ছাত্রছাত্রীদের খুঁজে বার করার দায়িত্ব পুলিশের। তদারকি করছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    সবচেয়ে উদ্বেগ বুয়েটকে নিয়ে। তদন্তে জানা গেছে, তাদের ৭২ শতাংশ শিক্ষকই জামাত বা হিযবত তাহরীরের সদস্য। ছাত্রদের ওয়েবসাইট, ভিডিও ফুটেজ, জেহাদি বই, অডিও সিডি দিয়ে উদ্বুদ্ধ করাটা তাঁদের কাজ। বুয়েটের উপাচার্য সইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, আগে যা হয়েছে তার সঙ্গে বর্তমানের তুলনা চলে না। যদি নতুন কোনও অভিযোগ জমা পড়ে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেব। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়, ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় কিছু দিন আগেও জঙ্গিদের আঁতুরঘর ছিল। পরিস্থিতি বদলেছে। স্বচ্ছতা ফিরেছে। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা সচেতন হওয়ায় স্কুল কর্তৃপক্ষ অনেকটাই নিশ্চিন্ত। যে সব স্কুল দীর্ঘ দিন বন্ধ রাখা ছিল সেগুলো খুলেছে। ছেলেমেয়েরা লেখাপড়ার সঙ্গে হাসি খেলায় মেতেছে। পা রাখছে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে। সরকার নিশ্চিন্ত নয়। তারা জানে, সন্ত্রাস উইপোকার মতো, এক বার ধরলে চট করে ছাড়তে চায় না। সব কিছু কুড়ে কুড়ে খায়। সন্ত্রাস যাতে আর কখনও মাথা চাড়া না দেয় তার প্রতিষেধকের ব্যবস্থা হচ্ছে। -আনন্দবাজার পত্রিকা

    জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা স্থগিত

    ঝড়ো হাওয়ার কারণে আগামীকাল রোববার (৬ নভেম্বরের) জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমদ এ খবর নিশ্চিত করেছেন। সব বোর্ডেরই ইংরেজি পরীক্ষা ছিল কাল। মাদ্রাসা বোর্ডের অধীন জেডিসি পরীক্ষা সারাদেশেই স্থগিত। মাদ্রাসা বোর্ডের কালকের (৬ নভেম্বরের) পরীক্ষা ১৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বলে মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো: ছায়েফ উল্লাহ দৈনিকশিক্ষাকে নিশ্চিত করেছেন। অপরদিকে সাধারণ বোর্ডের শুধু উপকূলীয় পাঁচ জেলার পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। সাধারণ বোর্ডের কালকের (৬ নভেম্বরের) জেএসসি পরীক্ষা ১২ নভেম্বর (শনিবার) অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান এ খবর নিশ্চিত করেছেন। সন্ধ্যায় উপকূলের পাঁচ জেলা প্রশাসক টেলিফোনে কথা বলেছেন মুফাদের সঙ্গে। তারা সবাই পরীক্ষা স্থগিত চেয়েছেন। পাঁচ জেলা: ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল ও ঝালকাঠী। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার কারণে উপকূলে ঝড়ো হাওয়া বইছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের শনিবার ঘোষিত সর্বশেষ বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে সাগর ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ৪ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। রোববার সকালে বরিশাল ও চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে খবরে প্রকাশ।

    জেএসসি-জেডিসিতে অনুপস্থিত ৬০ হাজার

    জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার প্রথম দিন সারা দেশে প্রায় ৬০ হাজার পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। এছাড়া প্রথম দিনের পরীক্ষায় বহিষ্কার হয়েছে ১৪ জন পরীক্ষার্থী ও একজন পরিদর্শক।

    মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জেএসসিতে বাংলা প্রথম পত্র এবং জেডিসিতে কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ বিষয়ে পরীক্ষাগ্রহণ করা হয়।

    পরীক্ষা শেষে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, প্রথম দিন ২২ লাখ ৪৮ হাজার ১৯৬ জন শিক্ষার্থী অষ্টম শ্রেণির এ সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিলেও অনুপস্থিত ছিল ৫৯ হাজার ৬৬১ জন।

    অনুপস্থিতের মধ্যে- ঢাকা বোর্ডে ১২ হাজার ৫৬০ জন, রাজশাহীতে চার হাজার ৮৩৮ জন, কুমিল্লা বোর্ডে ছয় হাজার ৪১০ জন, যশোরে চার হাজার ৮৬৪ জন, চট্টগ্রামে দুই হাজার ৭০৫ জন, সিলেটে দুই হাজার ৬৫০ জন, বরিশালে তিন হাজার ২৮৮ জন, দিনাজপুর বোর্ডে তিন হাজার ৫৯৯ জন এবং মাদ্রাসা বোর্ডে জেডিসিতে ১৮ হাজার ৭৬৫ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।

    অপরদিকে বহিষ্কার করা হয়েছে- জেডিসি পরীক্ষায় মাররাসা শিক্ষা বোর্ডের ১১ জন, জেএসসি পরীক্ষায় বরিশালের দুজন এবং কুমিল্লা বোর্ডের একজন পরীক্ষার্থীকে অসুদপায় অবলম্বনের জন‌্য বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া মাদরাসা বোর্ডের একজন পরিদর্শককে বহিষ্কার করা হয় বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, সারা দেশের দুই হাজার ৭৩৪টি কেন্দ্রে ২৮ হাজার ৭৬১টি প্রতিষ্ঠানের ২২ লাখ ৪৮ হাজার ১৯৬ জন শিক্ষার্থী জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

    জবি শিক্ষক বরখাস্ত

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় দায়িত্বে অবহেলা ও নৈতিকতা বিরোধী কাজের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক দেওয়ান বদরুল হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই অভিযোগে বরখাস্ত হয়েছেন বিভাগের কর্মচারী মো. এমদাদুল হক।

    শনিবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বরখাস্তের খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

    এদিকে অভিযোগ তদন্তে আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সরকার আলী আককাসকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে জবি প্রশাসন।

    কমিটিকে দুই সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

    কমিটির অন্য সদস্য হলেন- গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হেলেনা ফেরদৌসী এবং শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. নূরে আলম আবদুল্লাহ।

    শ্রেণী উন্নীত হলেও নেই শিক্ষক ও ক্লাসরুম

    বান্দরবান প্রতিনিধি: বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাকে পঞ্চম শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত উন্নীত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। ১৮ মে ২০১৬ইং সচিবালয়ে জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত উন্নীত করার পাইলট প্রোগ্রামে বান্দরবানের লামা উপজেলার মেরাখোলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পঞ্চম শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত উন্নীত করা হয়।

    এ প্রসঙ্গে মেরাখোলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশীষ কুমার দত্ত বলেন, বিদ্যালয়টি শ্রেণী উন্নীত করা হলেও নতুন অবকাঠামো তৈরি, শ্রেণীকক্ষ বৃদ্ধি, অতিরিক্ত শিক্ষক ও লোকবল নিয়োগ করা হয়নি। এতে করে পূর্বের শিক্ষক, জনবল ও শ্রেণীকক্ষ দিয়ে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ১ম শ্রেণী থেকে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত মোট শিক্ষার্থী ৪৪৪ জন।

    এবছর ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম শ্রেণীতে প্রচুর ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হতে চাইলেও আমরা উল্লেখিত সমস্যার কারণে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারি নাই। ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণীর অফিস কার্যক্রম, মাধ্যমিক বোর্ডে যাতায়াত ব্যয় সহ ষ্টেশনারী ব্যয়ের জন্য কোন বরাদ্দ দেয়া হয়না। ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত নেই কোন বিষয় ভিত্তিক শিক্ষক। বিদ্যালয়ের জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন ২০টি সিলিং ফ্যান ও প্রাক প্রাথমিক শ্রেণীর সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির জন্য ২০ হাজার টাকা অনুদান ঘোষণা করেছেন।

    বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোজাহের কামাল বলেন, ১৯৬৫ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে ৩টি ভবনের মধ্যে ১টি ভবন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রাক-প্রাথমিক সহ ৯টি শ্রেণীর জন্য ১৩টি শ্রেণীকক্ষ খুব প্রয়োজন। বর্তমানে ব্যবহার অনুপযোগী শ্রেণীকক্ষ সহ ৭টি কক্ষে পালাক্রমে ও গাদাগাদি করে চলছে শ্রেণী কার্যক্রম। এছাড়া আসবারপত্র সংকট, ল্যাপটপ ও মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর না থাকায় সঠিকভাবে পাঠদান করা যাচ্ছেনা। ২০১৫ সালের সমাপনী পরীক্ষায় পিএসসি ও জেএসসিতে শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করে উপজেলায় রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। বিদ্যালয় চলাকালে মাঠে গরু ছাগল পালন ও সাধারণ মানুষের যাতায়াত করায় পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে বলে স্কুলের সীমানা প্রাচীর অতীব প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

    লামা সদর ইউপি চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন বলেন, এ বিদ্যালয়ের পড়ালেখার মান ভালো। তবে বিদ্যালয়ে নানা সমস্যা বিরাজ করছে। সমস্যা সমাধানে শিক্ষা অধিদপ্তরের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করছি।

    লামা উপজেলা শিক্ষা অফিসার যতীন্দ্র মোহন মন্ডল বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট, অবকাঠামো সমস্যা সহ সকল সমস্যা সমাধান পদক্ষেপ নেয়া হবে। বিদ্যালয়টি আমাদের বিশেষ নজরে আছে। চলতি মাসের উপজেলা শিক্ষা কমিটির মাসিক মিটিংয়ে বিদ্যালয়ের সমস্যা সমাধানে আলোচনা পূর্বক দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    মাস্টার্সে ভর্তি: ৩য় রিলিজ স্লিপে আবেদন ২৯ সেপ্টেম্বর

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষে মাস্টার্স শেষ পর্বে (নিয়মিত) ভর্তি কার্যক্রমে ৩য় রিলিজ স্লিপের অনলাইন আবেদন ২৯ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টায় শুরু হবে।

    গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ৪ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।

    যারা আবেদন করতে পারবেন:
    ক) ১ম ও ২য় মেধা তালিকায় /১ম ও ২য় রিলিজ স্লিপের মেধা তালিকায় স্থান পায়নি অথবা স্থান পেয়েও ভর্তি হয়নি
    খ) ভর্তি বাতিল করেছে গ) ২য়/৩য় পর্যায়ে নতুন করে প্রাথমিক আবেদন করেছে এবং সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক উক্ত প্রাথমিক আবেদন ফরম নিশ্চয়ন করেছে, সে সকল শিক্ষার্থী ৩য় রিলিজ স্লিপে আবেদন করতে পারবে।

    এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট (www.nu.edu.bd/admissions অথবা admissions.nu.edu.bd) থেকে পাওয়া যাবে।

    ঢাবির ‘খ’ ইউনিটে ৮৮ শতাংশেরও বেশি অনুত্তীর্ণ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৮৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা শতকরা ১১ দশমিক ৪৩ ভাগ।
    সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক প্রশাসনিক ভবনের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল প্রকাশ করেন।
    প্রকাশিত ফলে দেখা যায়, ‘খ’ ইউনিটের ২ হাজার ৩৩৩টি আসনের বিপরীতে ৩ হাজার ৮০০ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ৩৪ হাজার ৬০৬ জন। এরমধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৩ হাজার ২৫৫ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৮ হাজার ৫৭৬ জন। এছাড়া বিভিন্ন কারণে ৮৭৯ জন শিক্ষার্থীর উত্তরপত্র বাতিল হয়েছে।
    ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইট (admission.eis.du.ac.bd) থেকে পরীক্ষার ফল জানতে পারবে। মোবাইল ফোন থেকে DU স্পেস Kha স্পেস Roll নম্বর টাইপ করে ১৬৩২১ নম্বরে এসএমএস পাঠালে ফিরতি এসএমএসে ফল জানা যাবে।
    উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে গিয়ে বিষয় পছন্দক্রম ফরম পূরণ করতে পারবে। কোটায় আবেদনকারী উত্তীর্ণদের ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবরের মধ্যে কলা অনুষদের ডিন অফিস থেকে কোটার ফরম সংগ্রহ করে যথাযথভাবে পূরণ করে জমা দিতে হবে।
    এ ছাড়া ফল পুনঃনিরীক্ষার জন্য ফি প্রদান সাপেক্ষে আগামী মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত কলা অনুষদের ডিন অফিসে আবেদন করা যাবে। ভর্তিসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইট (admission.eis.du.ac.bd) থেকে জানা যাবে।
    উল্লেখ্য, গত ২৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা বেলা ১১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের বাইরের ৭৩টি কেন্দ্রে কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের অধীনে স্নাতক প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
    du

    ঢাবি ‘খ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষার ফল আজ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় প্রকাশ করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক প্রশাসনিক ভবনস্থ কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল প্রকাশ করবেন।
    গত শুক্রবার এই ইউনিটের পরীক্ষা হয়। এ বছর ‘খ’ ইউনিটের ২ হাজার ২৪১টি আসনের বিপরীতে ৩৪ হাজার ৬০৬ ভর্তিচ্ছু পরীক্ষায় অংশ নেয়।
    এদিকে শনিবার চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের অধীনে সাধারণ জ্ঞান অংশের ভর্তি পরীক্ষা হয়।
    বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৩০ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার), ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২১ অক্টোবর (শুক্রবার), ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৮ অক্টোবর (শুক্রবার) অনুষ্ঠিত হবে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় বিসিএসের প্রশ্ন নকল!

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের খ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ২১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নের একাংশের মিল পাওয়া গেছে। আজ শুক্রবার ওই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রশ্নপত্রের এই মিলকে নকল বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

    ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে বিসিএসের সেই প্রশ্ন মিলিয়ে দেখা যায়, বিসিএসের প্রশ্নের ইংরেজি অংশে একটি অনুচ্ছেদ তুলে ধরে তা থেকে চারটি প্রশ্ন করা হয়। হুবহু অনুচ্ছেদ তুলে ধরে আজকের ভর্তি পরীক্ষায় পাঁচটি প্রশ্ন করা হয়েছে। বিসিএসের প্রশ্নপত্রে উল্লেখ করা তিনটি প্রশ্নের সঙ্গে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের তিনটি প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া গেছে।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রশ্ন মিলে যাওয়ার বিষয়টিকে নকল বলে অ​ভিযোগ তুলেছেন পরীক্ষার্থীরা। তাঁরা এ ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। তাঁরা বলছেন, বিসিএসের প্রশ্ন থেকে কেন নকল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন করতে হবে?

    তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে খ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়ক অধ্যাপক বেগম আকতার কামাল বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, প্রশ্নের মিল থাকার কোনো কারণ নেই। প্রশ্ন করার জন্য কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা নিজেরা প্রশ্ন করেছেন।