• ?????: Big Slider

    চার বছরে পুলিশে ৪৫০ কোটি টাকার গাড়ি

    চার অর্থবছরে ৪৫০ কোটি টাকার বিভিন্ন ধরনের যানবাহন (গাড়ি) কিনেছে পুলিশ। এর মধ্যে র‌্যাবসহ পুলিশ বিভাগের জন্য ৩১৯ কোটি ৩৪ লাখ ৬৩ হাজার ৮১৩ টাকার এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের জন্য ১১৭ কোটি ৩৩ লাখ ৮৩ হাজার ৭০২ টাকার যানবাহন কেনা হয়েছে। গেল ২০০৯-১০, ২০১০-১১, ২০১১-১২, ২০১২-১৩ অর্থবছরে পুলিশ ও র‌্যাবের জন্য এসব গাড়ি কেনা হয়েছে। এসব অর্থ বছরে কেনা যানবাহনের মধ্যে রয়েছে- পিকআপ, জিপ, প্রোটেকশন জিপ, কার, মাইক্রোবাস, বাস (বড়), মিনি বাস, ট্রাক, রিকভারি ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্স, মোটর সাইকেল, প্রিজনার্স ভ্যান, রায়ট ভ্যান (ওয়াটার ক্যানন), ফর্ক লিফট, গার্বেজ ট্রাক, রেকারসহ আরও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। বিপুল অঙ্কের অর্থ খরচ করে পুলিশে যানবাহন কেনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানালেন, পুলিশের জন্য যানবাহন কেনা জরুরিও। এ জন্য বিভিন্ন সময়ে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে চাহিদা পাওয়া যায়। এত গাড়ি তাদের আদৌ দরকার কি না বা এসব গাড়ি কেনার টাকা কোথা থেকে যোগাড় করা হবে এসব বিষয় ভাবনা চিন্তায় নিয়েই গাড়ি কেনার অনুমতি দেয়া হয়। প্রতিবারই গাড়ি কেনা সংক্রান্ত প্রস্তাবে পুলিশ সদর দপ্তরের ট্রান্সপোর্ট শাখা থেকে বলা হয়, যানবাহন সঙ্কটের কারণে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বিঘ্ন ঘটার পাশাপাশি নানা জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের কাছ থেকে গাড়ি রিকুইজিশন করে পুলিশকে চলতে হচ্ছে। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ ও র‌্যাবের জন্য ২০০৯-১০ অর্থবছরে ১২ কোটি ৯৫ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ টাকা, ২০১০-১১ অর্থবছরে ৭৮ কোটি ৪২ লাখ ৩৩ হাজার ৯৭৫ টাকা এবং ২০১১-১২ অর্থবছরে ৯৩ কোটি ৪৮ লাখ ৪৬ হাজার ৯৯৫ টাকার যানবাহন কেনা হয়েছে। ২০১২-১৩ অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি টাকার গাড়ি কেনা হয়েছে। এ বছর ১৩৪ কোটি ৪৮ লাখ ৫৫ হাজার ৩৪১ কোটি টাকার যানবাহন কেনা হয়। ওই অর্থবছরে খরচ করা অর্থ দিয়ে ৩৭ কোটি ৯৯ লাখ ৬২ হাজার ৭৫৬ টাকায় ২০৬টি পিকআপ, ২১ কোটি ৪৫ লাখ টাকায় ৩০টি জিপ, দুই কোটি ৩৩ লাখ ৫৩ হাজার ২৮৪ টাকায় ছয়টি পাঁচ টনের ট্রাক, আট কোটি ৫৮ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ টাকায় পাঁচটি রেকার, ছয় কোটি ৫৪ লাখ টাকায় পাঁচটি রায়ট ভ্যান (ওয়াটার ক্যানন), ৩৫ কোটি ৭১ লাখ ৮৯ হাজার ৯০০ টাকায় একটি ক্রেন এবং ১১ কোটি আট লাখ টাকায় ১৫০ সিসির ৫৫৪টি মোটরসাইকেল কেনা হয়েছে। এ অর্থবছরে প্রতিটি মোটরসাইকেল কিনতে খরচ পড়েছে দুই লাখ টাকা। এছাড়া একটি জিপ গাড়ি কিনতে ৭১ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে লেগেছে। অন্যদিকে একটি ক্রেন কিনতে খরচ দেখানো হয়েছে প্রায় ৩৬ কোটি টাকা। একই অর্থবছরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের জন্য পাঁচ কোটি ৭২ লাখ টাকায় আটটি জিপ কেনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১১-১২ অর্থবছরে ১২ ধরনের যানবাহন কেনা হয়েছে। এর মধ্যে দুই ধরনের পিকআপ, দুই ধরনের রেকার ও চার ধরনের ট্রাক রয়েছে। এ অর্থবছরে ১৭ কোটি ১৫ লাখ ৭৫ হাজার ২৮৯ টাকা দিয়ে ৮৮টি পিকআপ, ২৮ কোটি ৭৩ লাখ ৯৬ হাজার ৬৮৩ টাকা দিয়ে ১৪৯টি পিকআপ, চার কোটি ১৪ লাখ ৫৭ হাজার ১৫০ টাকা দিয়ে ২১টি কার, চার কোটি ৪২ হাজার ৬৫০ টাকা দিয়ে ১৭টি মাইক্রোবাস, এক কোটি এক লাখ ৯২ হাজার ৭৪২ টাকা দিয়ে দুটি মিনিবাস, ১৫ কোটি ৭৮ লাখ ৭৪ হাজার টাকায় ১০ টনের ১০টি রেকার, দুই কোটি ৮৪ লাখ ৯৯ হাজার ১২০ টাকায় ৩০ টনের একটি রেকার, দুই কোটি ৮১ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৬ টাকায় পাঁচ টনের সাতটি ট্রাক, দুই কোটি ২৫ লাখ ৫৪ হাজার ৩৪৬ টাকায় তিন টনের আটটি ট্রাক, এক কোটি ৭৫ লাখ ৩৩ হাজার ৯৪৫ টাকায় দুই দশমিক আট টনের ছয়টি ট্রাক, দুই কোটি ২৫ লাখ ৫৩৩ টাকায় এক দশমিক আট টনের ১০ টি ট্রাক এবং দশ কোটি ৭০ লাখ ৮৮ হাজার টাকায় ৭৭৬টি মোটর সাইকেল কেনা হয়েছে। এ অর্থবছরে প্রতিটি মোটরসাইকেল কিনতে এক লাখ ৩৮ হাজার টাকা করে খরচ পড়েছে। ২০১১-১২ অর্থবছরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের জন্য ৪৭ লাখ ১০ হাজার ৯০০ টাকায় দুটি মাইক্রোবাস এবং ৭৭ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় পাঁচ টনের ১০টি ট্রাক কেনা হয়েছে। ওদিকে ২০০৯- ২০১০ অর্থবছরে র‌্যাবসহ পুলিশ বিভাগের জন্য পাঁচ কোটি ৪৬ হাজার ৯৯০ কোটি টাকায় ৪৩টি পিকআপ, ২৩ লাখ ৮০ হাজার ৫০০ টাকায় দু’টি মাইক্রোবাস, ৮০ লাখ ১৯ হাজার ৭৫০ টাকায় তিনটি বড় বাস, দুই কোটি ৪৯ লাখ ৬০ হাজার টাকায় তিন টনের ১২টি ট্রাক, তিন কোটি ৩৩ লাখ ৯৮ হাজার ২৬০ টাকায় চারটি রিকভারি ট্রাক, ৫০ লাখ ১০ হাজার টাকায় দু’টি অ্যাম্বুলেন্স এবং ৫৭ লাখ ১২ হাজার টাকায় ৫১টি ১২৫ সিসির মোটরসাইকেল কেনা হয়েছে। এছাড়া ২০১০-১১ অর্থবছরে ৩৮ কোটি ১৪ লাখ ২৮ হাজার ২৫০ টাকা দিয়ে ২১৪টি পিকআপ, ছয় কোটি ৯০ লাখ ৮৫ হাজার ৩১৪ টাকা দিয়ে ৫৩টি পিকআপ, পাঁচ কোটি ৬৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে ১২ জিপ, ৯৪ লাখ ২৭ হাজার ৪৭৮ টাকা দিয়ে দু’টি প্রটেকশন জিপ, এক কোটি ২৪ লাখ ৫২ হাজার ৭০২ টাকা দিয়ে ছয়টি কার, এক কোটি ৭২ লাখ ৪০ হাজার ৮৮০ টাকায় আটটি মাইক্রোবাস, ৮০ লাখ ৩৫ হাজার ৩৭০ টাকায় দুটি অ্যাম্বুলেন্স, দুই কোটি ৩৫ লাখ ২০ হাজার টাকায় দুই দশমিক আট টনের আটটি ট্রাক, এক কোটি ৩৪ লাখ টাকায় পাঁচ টনের চারটি ট্রাক, এক কোটি ১৭ লাখ ৬০ হাজার টাকায় দুটি প্রিজনার্স ভ্যান, ১৩ লাখ ৬৪ হাজার ২২০ টাকায় একটি রায়ট ভ্যান (ওয়াটার ক্যানন), তিন কোটি ৩২ লাখ ৫৪ হাজার ৭৬০ টাকায় পাঁচটি রেকার এবং ১৪ কোটি ৬৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকায় ১২৫ সিসির ১১৫৫টি মোটরসাইকেল কেনা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের জন্য ২০০৯-১০ অর্থবছরে ৫২ কোটি ৬৩ লাখ ৫৫ হাজার ৮৬৩ টাকা, ২০১০-১১ অর্থবছরে ৫৭ কোটি ৭৩ লাখ ৬৬ হাজার ৯৩৯ টাকা, ২০১১-১২ অর্থবছরে এক কোটি ২৪ লাখ ৬০ হাজার ৯০০ টাকা এবং ২০১২-১৩ অর্থবছরে পাঁচ কোটি ৭২ লাখ টাকার যানবাহন কেনা হয়েছে।18056_b1

    মিথ্যা তথ্যে শিক্ষকরা গিলে খেয়েছেন ৪৬২ কোটি টাকা

    মিথ্যা তথ্য দিয়ে তেত্রিশ বছরে ৪৬২ কোটি ৪২ লাখ ৭২ হাজার ২০ টাকা অতিরিক্ত বেতন-ভাতা নিয়েছেন ৪৮,১৩০ জন শিক্ষক। কেউ কেউ ৬ বছরের স্থলে টাইম স্কেল নিয়েছেন ৮ বছরের, কেউবা স্কেল বেশি দেখিয়ে, কেউবা স্টাফিং বেতন দেখিয়ে এসব টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর তদন্ত করে বিশাল এ অনিয়ম উদঘাটন করেছে। ১৯৮১ সাল থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তদন্ত করে নিরীক্ষা অধিদপ্তর তাদের প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের অডিট ও আইন সেলে পাঠিয়েছে। এতে তারা অনিয়ম ও বিধিবহির্ভূতভাবে উত্তোলিত সরকারি বেতন-ভাতা বাবদ বিশাল এ টাকা প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যক্তি পর্যায়ে সরকারি কোষাগারে ফেরত নেয়ার সুপারিশ করেছে। ওদিকে শিক্ষকদের বিশাল অঙ্কের এ টাকা গিলে খাওয়া নিয়ে তোলপাড় চলছে মন্ত্রণালয়ে। নড়েচড়ে বসেছে মন্ত্রণালয়ের অডিট ও আইন সেল। তারা সংশ্লিষ্ট কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদরাসাগুলোতে চিঠি দিয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, কোন কোন কলেজে সহকারী অধ্যাপক রয়েছেন ৭ জন। অথচ তারা ৮ জন সহকারী অধ্যাপক দেখিয়ে অতিরিক্ত বেতন-ভাতা উত্তোলন করে তা আত্মসাৎ করেছেন। আবার কোন প্রতিষ্ঠান টাইম স্কেল নিয়েছে ৬ বছরের স্থলে ৮ বছর। শিক্ষকরা প্রাপ্যতার অতিরিক্ত এ টাকা হরিলুট করেছে মন্ত্রণালয়ের এক শ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৮৭টি প্রতিষ্ঠানে তারা পরিদর্শন করেন। এর মধ্যে ৩৪৬টি পরিদর্শন প্রতিবেদন পাঠায় অডিট ও আইন সেলে। যাতে বলা হয়েছে, এ দু’মাসে ২৩ কোটি ৯৬ লাখ ৪১ হাজার ৮৪৮ টাকা প্রাপ্যতার অতিরিক্ত নিয়েছে শিক্ষকরা। ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে হরিলুট হয় ১৫ কোটি, ৬৫ হাজার ৭০৩ টাকা। ২০১১-২০১২ অর্থবছরে নেয়া হয় ৫ কোটি ৪৮ লাখ ৬৮ হাজার ৪৭ টাকা। ২০১০-২০১১ অর্থবছরে শিক্ষকরা গিলে খায় ৭ কোটি ৬২ লাখ ৬১ হাজার ২০০ টাকা। ২০০৯-২০১০ অর্থবছরে নেয়া হয় ১৮ কোটি ৯ লাখ ৪৬ হাজার ২৬৩ টাকা। ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে শিক্ষকরা অতিরিক্ত নেন ৩৫ কোটি ৩১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৪৪ টাকা। ২০০৭-২০০৮ অর্থবছরে ৫৩ কোটি ৯১ লাখ ৯৮ হাজার ৯১৬ টাকা অতিরিক্ত নেয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকরা। ২০০৬-২০০৭ অর্থবছরে নেয়া হয় ৫৭ কোটি ১৩ লাখ ৪৭ হাজার ৮১৬ টাকা। ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে লুটে নেয়া হয় ২৫ কোটি ২৪ লাখ ২ হাজার ৯৩২ টাকা। ২০০৪-২০০৫ অর্থবছরে নেয়া হয় ৩০ কোটি ২২ লাখ ৭৫ হাজার ৪৩০ টাকা। ২০০৩-২০০৪ অর্থবছরে শিক্ষকরা হাতিয়ে নিয়েছেন ৩১ কোটি ৪১ লাখ ৩৮৩২ টাকা। ২০০২-২০০৩ অর্থবছরে শিক্ষকরা গিলে খান ১৬ কোটি ১৯ লাখ ৯৩ হাজার ৪৮১ টাকা। ২০০১-২০০২ অর্থবছরে লুটপাট হয় ৯ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৫০৫ টাকা। ২০০০-২০০১ অর্থবছরে ৪ কোটি ২০ লাখ ৪ হাজার ২১১ টাকা অতিরিক্ত বেতন-ভাতা নেন শিক্ষকরা। ১৯৯৯-২০০০ অর্থবছরে ৫ কোটি ৪৮ লাখ ১৯ হাজার ২৪৭ টকা, ১৯৯৮-১৯৯৯ অর্থবছরে প্রাপ্যতার অতিরিক্ত নেয়া হয় ৪ কোটি ৪০ লাখ ৬৫ হাজার ৯৪৭ টাকা। ১৯৯৭-১৯৯৮ অর্থবছরে নেয়া হয় ১৭ কোটি ৭৭ লাখ ১৩ হাজার ৫৩৪ টাকা। ১৯৯৬-১৯৯৭ অর্থবছরে নেয়া হয় ১৫ কোটি ৫৯ লাখ ১৮ হাজার ৯১৮ টাকা। ১৯৯৫-১৯৯৬ অর্থবছরে শিক্ষকরা অতিরিক্ত নেন ১১ কোটি ৮২ লাখ ৫৩ হাজার ১৫৩ টাকা। ১৯৯৪-১৯৯৫ অর্থবছরে নেয়া হয় ৬ কোটি ১৫ লাখ ৩২ হাজার ৩৫৫ টাকা। ১৯৯৩-১৯৯৪ অর্থবছরে মিথ্যা তথ্য দিয়ে শিক্ষকরা তুলে নেন ১ কোটি ৮১ লাখ ১৪ হাজার ৭৭৯ টাকা। ১৯৯২-১৯৯৩ অর্থবছরে নেয়া হয় ৮৬ লাখ ২৯ হাজার ৬৪০ টাকা। ১৯৯১-১৯৯২ অর্থবছরে শিক্ষকরা তুলে নেন ১ কোটি ৭৯ লাখ ৫১ হাজার ৬০১ টাকা। ১৯৯০-১৯৯১ অর্থবছরে ৫৫ লাখ ৬৫ হাজার ৩৭০ টাকা প্রাপ্যতার অতিরিক্ত তুলে নেন শিক্ষকরা। ১৯৮৯-১৯৯০ অর্থবছরে তুলে নেয়া হয় ২৩ কোটি ৩১ লাখ ৮৯ হাজার ৩১২ টাকা। ১৯৮৮-১৯৮৯ অর্থবছরে শিক্ষকরা তুলে নেন ১৫ কোটি ৬২ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৫ টাকা। ১৯৮৭-১৯৮৮ অর্থবছরে লুটে নেয়া হয় ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৫২০ টাকা। ১৯৮৬-১৯৮৭ অর্থবছরে হরিলুট হয় ৫ কোটি ৮৪ লাখ ৫৮ হাজার ৮৬১ টাকা। ১৯৮৫-১৯৮৬ অর্থবছরে শিক্ষকরা প্রাপ্যতার অতিরিক্ত তুলে নেন ৫ কোটি ৯৬ লাখ ২১ হাজার ৮৬১ টাকা। ১৯৮৪-১৯৮৫ অর্থবছরে লুটে নেয়া হয় ২ কোটি ২০ লাখ ৫৫ হাজার ৫৯১ টাকা। ১৯৮৩-১৯৮৪ অর্থবছরে নেয়া হয় ২ কোটি ১০ লাখ ৩ হাজার ৩০০ টাকা। ১৯৮২-১৯৮৩ অর্থবছরে অতিরিক্ত তুলে নেয়া হয় ১ কোটি ৩৪ লাখ ২৮ হাজার ৮৫ টাকা। ১৯৮১-১৯৮২ অর্থবছরে নেয়া হয় ১০ লাখ ৮৮ হাজার ৫৩ টাকা। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর এসব ঘটনায় মন্ত্রণালয়ের অডিট ও আইন সেলে বিশাল এ অঙ্কের টাকা প্রাপ্যতার অতিরিক্ত নেয়ার তথ্য জানিয়ে প্রতিবেদন পাঠায়। প্রতিবেদনে তেত্রিশ বছরে ৪৬২ কোটি ৪২ লাখ ৭২ হাজার ২০ টাকা সরকারি বেতন-ভাতা বাবদ বিধিবহির্ভূতভাবে উত্তোলন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে। একইসঙ্গে এসব টাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে ফেরতের সুপারিশ করা হয়। সূত্র জানিয়েছে, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের চলমন প্রক্রিয়া এটি। তারা দেশের ৩০ হাজার প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে সরকারের কত টাকা অতিরিক্ত নেয়া হয়েছে তা বের করবে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের অডিট ও আইন সেলে প্রতিবেদন আকারে পাঠাবে। অডিট ও আইন সেল এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।
    18065_f1

    গণজাগরণ মঞ্চ বিভিন্ন স্বাধীনতাবিরোধী সংগঠন থেকে টাকা নিচ্ছে: ছাত্রলীগ

    শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ পর্দার অন্তরালে বিভিন্ন স্বাধীনতাবিরোধী সংগঠন থেকে টাকা নিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

    আজ (শনিবার) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রুস্তম আলী আকন্দের খুনিদের গ্রেফতার ও গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকারের মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের প্রতিবাদে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম দাবি করেন, “প্রায় ১০ মাস যাবত গণজাগরণ মঞ্চের সঙ্গে ছাত্রলীগের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাদের সঙ্গে বিরোধ থাকার প্রশ্নই আসে না। বরং মঞ্চের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছাত্রসংগঠনগুলোর সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান।”

    তিনি বলেন, “ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বলা ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। কারণ মিডিয়া কাভারেজ পাওয়া যায়। দীর্ঘ ১০ মাস ধরে মঞ্চের সঙ্গে ছাত্রলীগের কোনো সম্পর্ক নেই। তাদের সঙ্গে বিরোধ থাকার কোনো প্রশ্নই আসে না। ”

    নাজমুল আলম বলেন, “কিছুদিন ধরে মঞ্চের মধ্যে অস্থিরতা চলছে। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক শেখ আসমান ও সাবেক দফতর সম্পাদক নাসিম আল মোমিন রুপনকে ঘিরে মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার মিথ্যা ও সম্পূর্ণ অসত্য বক্তব্যে দিচ্ছেন। চারুকলার সামনে গণজাগরণ মঞ্চ নববর্ষ উপলক্ষে মঞ্চ স্থাপন করতে চাইলে শেখ আসলাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়েছেন কি না তা জানতে চেয়েছিলেন। এই জন্যই মঞ্চের মুখপাত্র ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বলা শুরু করেছেন।”

    সিদ্দিকী নাজমুল আলম বলেন, “কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বরে অবস্থান নিয়েছিল। এরপর শাহবাগে ছাত্রলীগ একই দাবিতে আন্দোলন করে। ছাত্রলীগ দেশের সব আন্দোলনেই ভূমিকা রেখেছে। ছাত্রলীগের সঙ্গে গণজাগরণ মঞ্চের আর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ছাত্রলীগ একটি প্রতিষ্ঠিত সংগঠন। গণজাগরণ মঞ্চ পর্দার অন্তরালে বিভিন্ন স্বাধীনতাবিরোধী সংগঠন থেকে টাকা নিচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে। এই কারণেই জনগণের মঞ্চ থেকে তারা আজ বিচ্ছিন্ন।”

    সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান বলেন, “গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীদের ওপর ছাত্রলীগ হামলা করেছে, মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার এটা প্রমাণ করতে পারলে ছাত্রলীগ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে জাতির কাছে ক্ষমা চাইবে।” তবে প্রমাণ দিতে না পারলে ইমরান এইচ সরকারকেও ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি জানান ছাত্রলীগ সভাপতি।

    বদিউজ্জামান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হল শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রুস্তম আলী আকন্দের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আশরাফুল আলমকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে গ্রেপ্তার না করলে দেশব্যাপী ছাত্রধর্মঘট ডাকার হুমকি দেন তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শামসুল কবির রাহাত, কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক শেখ রাসেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি মেহেদী হাসান ও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।bfa3c1bb60cc82ea1c7dafa3df6d1f38_XL

    1394620297

    নির্বাচনী জুলুমের ষোলোকলা

    5339d75b6ebbc-38নির্বাচনী জুলুমের যেন ষোলোকলা রূপ দেখলেন সন্ত্রাসকবলিত লক্ষ্মীপুরবাসী। জামায়াতের সঙ্গে রাজনৈতিক আঁতাত, বিএনপিকে এলাকাছাড়া করা, প্রশাসনকে যথেচ্ছ ব্যবহার, পেশিশক্তির প্রয়োগ, আতঙ্ক ছড়িয়ে ভোটারদের কেন্দ্রে আসা নিরুৎসাহিত করা, কেন্দ্রে আসা ভোটারদের প্রার্থীর পক্ষে ব্যালটে প্রকাশ্যে সিল দিতে বাধ্য করা, ব্যালট বই নিয়ে টানা সিল মারা—এই ছিল লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় গতকালের ভোটের চিত্র।
    এর বাইরে ছিল উপজেলার পূর্বাংশে ‘বাস্তুহারা বিএনপির’ সশস্ত্র প্রতিরোধের চেষ্টা, সংঘর্ষ। আর দিনটি শুরুই হয়েছিল ভোরে যুবলীগের এক নেতার হত্যাকাণ্ড দিয়ে।
    ফলাফল! তা-ও ছিল মানুষের মুখে মুখে। ভোট যা-ই হোক, জিতবেন সরকারি দল আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী ও লক্ষ্মীপুর পৌরসভার আলোচিত মেয়র আবু তাহেরের ছেলে এ কে এম সালাহউদ্দিন টিপু (দোয়াত-কলম প্রতীক)। আর ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামায়াত-সমর্থিত প্রার্থী নাসির উদ্দিন (চশমা প্রতীক)। রাতে বেসরকারি ফলাফলে সালাহউদ্দিন টিপুকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। আর রাত ১১টা পর্যন্ত প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আট হাজার ভোটে এগিয়ে ছিলেন জামায়াতের প্রার্থী নাসির উদ্দিন। বিস্তারিত পড়ুন →

    আমি উনার সহকর্মী, অধীনস্থ না

    পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত

    অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে এক হাত নিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল। বাজেট বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি।
    আজ সোমবার দুপুরে পরিকল্পনা কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তার কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আ হ ম মুস্তফা কামাল। সম্প্রতি সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) নিয়ে অর্থমন্ত্রীর দেওয়া চিঠির প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রী সাংবাদিকদের কাছে এ সমালোচনা করেন।
    কিছুদিন ধরেই সংশোধিত বাজেটের আকার চূড়ান্ত করা নিয়ে এই দুই মন্ত্রীর মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। ওই চিঠিতে বাস্তবতা অনুধাবন করে সংশোধিত বাজেট চূড়ান্ত করায় পরিকল্পনামন্ত্রীর সহযোগিতা চান অর্থমন্ত্রী।
    এই সম্পর্কে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘উনি (অর্থমন্ত্রী) আমাকে অনুধাবন করতে বলেছেন। আমি তো উনার সহকর্মী, অধীনস্থ না। উনি (অর্থমন্ত্রী) প্রতিবছর বিশাল বাজেট দেন। হাজার হাজার কথা বলেন। অনেক কিছুই বাস্তবায়ন করতে পারেন না। বাজেট বক্তব্য দিতে দিতে শুয়ে পড়েন। আমি হলে ১৫ পাতায় বাজেট শেষ করে দিতাম।’

    পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, ‘ওনার বয়স হয়েছে। অনেক ভুল-ভাল বলেন। আমরা মাফ করে দিই।’
    আ হ ম মুস্তফা কামাল আরও বলেন, ‘উনি কি যেন একটা বানিয়েছেন। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে (পিপিপি) প্রতিবছর দুই/তিন হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেন। এটা (পিপিপি) কি গরু, না ছাগল, তা-ও মানুষ বুঝে না।’
    অর্থমন্ত্রী সম্পর্কে পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, ‘কয়েক দিন আগে উনি বললেন, বিশ্বব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা করবেন। উনি তো নিজেই বিশ্বব্যাংকের পেনশন নেন। আপনারা কি বিশ্বাস করেন, উনি মামলা করবেন? তবে আমি উনার বিরুদ্ধে না।’

    দুই মন্ত্রীর মতবিরোধ
    চলতি অর্থবছরের সংশোধিত এডিপির আকার নিয়ে নিয়ে দুই মাস ধরেই অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে মতবিরোধ চলছে। প্রথমে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সংশোধিত বাজেটের আকার ৫৪ হাজার কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু পরিকল্পনা কমিশন তা মানতে রাজি হয়নি। সংশোধিত এডিপির জন্য ৬০ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা চায় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। এই নিয়ে দুই মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।
    এমন অবস্থায় ২০ মার্চ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত পরিকল্পনামন্ত্রীকে চিঠি দেন। ওই চিঠিতে তিনি জানান, আরও এক হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে সংশোধিত এডিপির আকার ৫৫ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। এর কারণ হিসেবে চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রথম ছয় মাসের এডিপি বাস্তবায়ন পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় যথেষ্ট নিম্নমানের। প্রকল্প সাহায্যের ব্যবহারও তেমন আশানুরূপ নয়। এ ছাড়া চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে সম্ভাব্য ঘাটতি ১১ হাজার কোটি টাকা। এসব বিবেচনায় সংশোধিত এডিপির আকার কীভাবে কমানো যায়, সেদিকেই বিশেষ নজর দিতে হবে।
    পরিকল্পনামন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়ে অর্থমন্ত্রী চিঠিতে আরও বলেন, ‘আবার এই বরাদ্দ বৃদ্ধির জন্য পুনর্বিবেচনা যথাযথ হবে না। অতিসত্বর সংশোধিত বাজেটের বিষয়টি সুরাহা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আপনার বাস্তবতা অনুধাবন ও সহযোগিতা আশা করছি।’
    উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরে পরিকল্পনা কমিশনের তদারকিতে বা আওতাধীন ৬৫ হাজার ৮৭০ কোটি টাকার এডিপি নেওয়া হয়েছে।

    লক্ষ্মীপুর সদরে যুবলীগ নেতা নিহত

    17187_b2লক্ষ্মীপুর সদরের দিঘলী ইউনিয়নের উত্তর দুর্গাপুর গ্রামে যুবলীগের একজন নেতা গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার ভোর রাত সাড়ে তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত ব্যক্তির নাম কবির হোসেন (৩০)। দিঘলী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ছিলেন তিনি।

    কবিরকে নিজের সমর্থক বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ-সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী ও পৌর মেয়র আবু তাহেরপুত্র এ কে এম সালাহউদ্দিন টিপু।

    প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ভোররাত সাড়ে তিনটার দিকে ভোট কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফেরার পথে তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনাস্থলে মারা যান কবির।

    কে বা কারা গুলি করেছে, তা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। তবে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী এ কে এম সালাহউদ্দিন টিপুর দাবি, পোস্টার নিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা কবিরকে গুলি করে হত্যা করেছে।

    সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন জানান, ঘটনাটি শুনেছেন তিনি।